বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪৬ পি.এম
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি) কর্তৃক আয়োজিত ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে ২০০ সদস্যকে সেবা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এই ক্যাম্পে সদস্য ও তাদের পরিবারের মোট ২০০ জনকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসাপত্র, বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য টেস্ট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। হেলথ ক্যাম্পে চিকিৎসাপত্র গ্রহণ করেছেন ২০০ জন, যেখানে সিবিসি, ক্রিয়েটিনিন, আরবিএস, লিপিড প্রোফাইল, এইচবিএস১সি, ইসিজি, আল্ট্রাসাউন্ডসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করেছেন ১২০ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়েছে।
এই হেলথ ক্যাম্পের চিকিৎসাসেবা সমন্বয় করেছে ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (ডিসিআর)। সকালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁইয়া, ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (ডিসিআর)-এর পরিচালক ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সভাপতি সাঈদ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে সেবা প্রদান করেন প্রখ্যাত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার (রাসকিন), খ্যাতনামা নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা. মাহফুজুর রহমান, চক্ষু বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলা, গাইনি বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. রুশদানা রহমান (তমা) এবং ডিসিআর এর ৩০ জনের চিকিৎসক টিম।
হেলথ ক্যাম্পে যাবতীয় ওষুধ সরবরাহ করেছে দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি, বায়োফার্মা লিমিটেড ও কসমো ফার্মা ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। খন্দকার টি’র সৌজন্যে ছিল চা-কফির ব্যবস্থা।
সন্ধ্যায় এই ক্যাম্পে স্বেচ্ছাসেবায় বেস্ট পারফর্মারদের অনুভূতি প্রকাশ ও শুভেচ্ছা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আগামী রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ মুলতবি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করায় এবং চট্টগ্রাম মহানগর ও মহানগরের অধীনস্থ সকল থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি পুর্নবহাল করায় চট্টগ্রামে শুভেচ্ছা মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় থেকে শুভেচ্ছা মিছিলটি শুরু হয়ে জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে দলীয় কার্যালয় মাঠে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।
সমাবেশে বক্তারা রিজভী আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর ও মহানগরের অধীনস্থ সকল থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি পুর্নবহাল করায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, অরূপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন প্রমুখ।
মিছিল ও সমাবেশে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আগামী সপ্তাহে কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
ইরানে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালির উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা বুধবার জানায়, পেজেশকিয়ান ‘কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানে পুতিনের সঙ্গে তার ষষ্ঠ বৈঠক হবে।’
তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
আগামী মঙ্গলবার বিশকেকে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। দুই নেতার নির্ধারিত এ বৈঠক এমন এক সময়ে হতে যাচ্ছে, যখন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, গুমকে (এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স) ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত ও দণ্ডনীয় করা এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকার প্রবর্তনের লক্ষ্যে তিনটি বিল আজ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন।
একই সঙ্গে বিলগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন তারা।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলগুলো সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠিয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এ ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন রহিত করে একটি কার্যকর ও স্বাধীন কমিশন গঠনের জন্য নতুন আইনি কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান রাষ্ট্রের মৌলিক অঙ্গীকার। বাংলাদেশ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক বিভিন্ন দলিলের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রস্তাবিত কমিশনে একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার থাকবেন। তাদের মধ্যে অন্তত একজন নারী সদস্য থাকবেন।
এতে জাতীয় সংখ্যালঘু ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ জন্য একটি নির্বাচন কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক, নাগরিক সমাজের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত হবে।
বিলে কমিশনের এখতিয়ার স্পষ্ট করার পাশাপাশি অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীদের তাৎক্ষণিক হুমকি থেকে সুরক্ষা এবং আরও ক্ষতি প্রতিরোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের ঐচ্ছিক প্রটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ (এনপিএম) ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ইউনিট নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু ও গুম প্রতিরোধে কাজ করবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রবর্তন) বিল পাস করে ২০০৯ সালের কমিশন আইন পুনর্বহাল এবং অন্তর্বর্তী সরকার জারি করা কমিশন-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে সরকার একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো প্রণয়ন করতে চায়।
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ গুমের অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে গুমকে আমলযোগ্য, অজামিনযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ, অপরাধের বিচার, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সুরক্ষায় আইনি কাঠামো তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে আদালতকে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল প্রমাণ গ্রহণ এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, হুইসেলব্লোয়ার ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার বিধানও রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার, ঘটনার প্রকৃত সত্য জানার এবং নিখোঁজ ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি সম্পর্কে জানার অধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আইনি সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সম্পদ থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায় করা হবে। তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র এ ব্যয় বহন করবে।
নিখোঁজ ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য তার সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির সুবিধার্থে নিখোঁজ ব্যক্তির সনদ দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।
বিলে গুমের ঘটনা নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ব্যবস্থার প্রস্তাব রয়েছে। তদন্ত ও বিচার—উভয় কার্যক্রম সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে প্রস্তাবিত আইনে গুমের ঘটনা তদন্তের জন্য কোনো স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থা গঠনের কথা বলা হয়নি। এ ধরনের মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপরই থাকবে।
অন্যদিকে, ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এ ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন করে আজীবন ভোগদখলের অধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং অন্যান্য যোগ্য দাতা নির্দিষ্ট রক্ত-সম্পর্কীয় ব্যক্তি বা স্বামী-স্ত্রীর কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করেও জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করার আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।
আইনমন্ত্রীর দেওয়া বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন ধরন থাকলেও দাতার আজীবন ভোগের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে নতুন ১২২এ ও ১২২বি ধারা সংযোজন করে আজীবন ভোগের অধিকার সংরক্ষণকারী দানকে সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি স্বতন্ত্র ধরন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিধান সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে।
সরকার জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থা প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের হেবা কিংবা আইনস্বীকৃত সম্পত্তি হস্তান্তরের অন্যান্য পদ্ধতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না এবং এসব বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে কোনো বিরোধও সৃষ্টি করবে না।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বেশ কয়েকটি অধ্যাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটেও এসব বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।
সংবিধান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদের অনুমোদন না পাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মানবাধিকার, গণভোট ও গুম প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২০টি অধ্যাদেশের আইনগত কার্যকারিতা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ