বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ এম
বরিশাল শিল্প ও বাণিজ্য মেলার শেষ হওয়ার প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীর মালামাল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে, মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর সবুজ অতিরিক্ত টাকা দাবি করছেন এবং টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে না। এ ধরনের অনিয়ম ও জুলুমের ফলে দুর্দশায় রয়েছেন প্রায় ২০০ স্টলের পাঁচ শতাধিক উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও কর্মচারী।
এছাড়া, প্রতিবাদ করায় কয়েকজন উদ্যোক্তার ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে, আঘাতপ্রাপ্তরা বুধবার (১৫ জুলাই) বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুন খন্দকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, মেলার শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও বিতর্ক চর্চিত হয়েছে। ব্যবসার জন্য নানা প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এখানে আনা হয়েছিল। উদ্যোক্তারা উল্লেখ করেছেন, গত ২৬ মে নগরীর পরেশসাগর মাঠে 'বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড'-এর উদ্যোগে এই শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলার অনুমোদনের মেয়াদ ছিল ২৬ জুন পর্যন্ত। পরে ব্যবসায়ীরা বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু সময় বৃদ্ধি না হলে তাদের মালামাল নিয়ে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়।
স্টল মালিক মো. সাগরসহ অনেকের অভিযোগ, মেলা শেষে মালামাল নিয়ে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র চাইলে আওয়ামী লীগের দোসর সবুজ অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। টাকা না দেওয়ার কারণে তাদের মালামাল বের করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের জানানো হয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে এবারের মেলায় আশানুরূপ বিক্রি হয়নি। তারা লোকসানে পড়েছেন, এরপরও চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত স্টল ভাড়া পরিশোধ করেছেন। অতিরিক্ত টাকা দাবি করা তাদের মতে অন্যায় ও অমানবিক।
ভুক্তভোগী উদ্যোক্তারা বুধবার সকালে এই টাকা দাবির প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত সবুজের নির্দেশে বহিরাগত লোকজন নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন উদ্যোক্তা আহত হন। পরে তারা বাধ্য হয়ে মেলা প্রাঙ্গণের বেড়া ভেঙে বেরিয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। তাদের দ্রুত মালামাল উদ্ধার ও বাড়ি ফেরার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত সবুজ, যিনি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দিন ইসলাম, মেলা কমিটির সদস্য, মালামাল আটকে রাখার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, “ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই ১৫ জুলাই থেকে চার দিনের জন্য মেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কাউকে জোর করে আটকে রাখা হয়নি।” মারধরের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে এবং তা স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হয়েছে।
এবায়দুল হক চাঁন, বরিশাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি, জানান, “মেলার সময় বৃদ্ধি করা হয়নি, কয়েকদিন আগে মেলা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্টল সংক্রান্ত অর্থনৈতিক বিষয় উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চুক্তিভিত্তিক হওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ভুক্তভোগী ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তারা এই অনিয়ম ও হয়রানির দ্রুত অবসান ঘটিয়ে নিরাপদে তাদের মালামাল নিয়ে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা চান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার বিখ্যাত ‘পাখি পল্লী’ খ্যাত গোপালপুর এলাকার প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কারের অভাবে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুরো রাস্তার জুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ এবং কাদার কারণে প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, চাষী এবং এখানে আসা দর্শনার্থীরা।
ভুক্তভোগী এলাকার বাসিন্দাদের মতে, এই রাস্তাটির সংস্কার কোনো বিলাসিতা নয়, বরং তাদের প্রকৃত এবং ন্যায্য অধিকার। একটি উন্নত এবং টেকসই রাস্তা শুধু যাতায়াতই সহজ করে না, বরং পুরো এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক এবং সামাজিক চিত্রকেও পরিবর্তন করে। রাস্তাটির করুণ অবস্থার কারণে এলাকার শিশু এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি জরুরি চিকিৎসার জন্য কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে বাজারে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারছেন না। ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাখি পল্লী দেখতে আসা পর্যটকেরা যাতায়াত সমস্যার কারণে বিমুখ হচ্ছেন।
এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত এবং জোর দাবি জানানো হয়েছে, যেন আর কোনো কালক্ষেপণ ছাড়া দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের চাকা সচল রাখতে এই সড়কটির দ্রুত মেরামত এখন সময়ের দাবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের বন্দি হওয়া ১২ ফিলিস্তিনি মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) কেরেম শালোম সীমান্তের মাধ্যমে তাদের গাজায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি তাদেরকে দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল নিয়ে যায়।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের স্বজনদের কাছে ফিরে যেতে দেখা যায়। দীর্ঘদিন পর একে অপরের কাছে ফিরে পেয়ে সবাই একে অপরকে বুকে জড়িয়ে আবেগে আপ্লুত হন।
মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের একজন, আবু রাইদ আল-তৌমি, দাবি করেন যে, ইসরায়েলের কারাগারে তিনি মৃত্যুর মতো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে মানবিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় তিনি দুই থেকে তিন দিন ধরে শুধু রুটি ও পনির খেয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পরেও তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না যে, অবশেষে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পেরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারী চাকরিজীবীদের বেতন বাড়াতে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আর দু-তিনটি সভা করে তারা সুপারিশ চূড়ান্ত করবে। পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার পরে সরকারের প্রস্তুতি চলছে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে নতুন বেতনকাঠামোর গেজেট প্রকাশের জন্য।
মহানগর ডেস্কের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
২০১৫ সালের অষ্টম বেতনকাঠামোর সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামোর মূল বেতন ও ভাতা যাতে দুই বছরে একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায়, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার ওপর ছেড়ে দিচ্ছে পর্যালোচনা কমিটি।
বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির সভাপতি ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এই কমিটির ষষ্ঠ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বেতন কমিশনের সুপারিশের বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগের বেতন কাঠামোর ঘাটতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
সভায় অংশ নেয়া পর্যালোচনা কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে আরও দুই থেকে তিনটি সভায় বসতে হবে। এখন প্রতিটি সভায় খুঁটিনাটি দিকগুলো পর্যালোচনা করছি। নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ যাতে না থাকে, সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অষ্টম বেতন কাঠামোতে বেশ কিছু ভুল ছিল জানিয়ে ওই সদস্য বলেন, নতুন বেতন কাঠামোতে যাতে কোন ধরনের ভুল না থাকে, সে বিষয়ে সাবধানতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। ২০১৫ সালে অষ্টম বেতন কাঠামো ঘোষণার পর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন কীভাবে বাড়বে, সে বিষয়ে কিছু বলা ছিল না। পরে বেতন বৈষম্য দূরীকরণ-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এসব বিষয়ের সমাধান করা হয়।
পর্যালোচনা কমিটি সূত্র জানায়, কমিটির সদস্যরা মূল বেতন এবং ভাতা কার্যকরের বিষয়ে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে একমত হয়েছেন। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত না করে মন্ত্রিসভা থেকে সিদ্ধান্ত চায় পর্যালোচনা কমিটি। নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার সম্মতি দিয়েছেন কমিটির বেশির ভাগ সদস্য। সব গ্রেডে সমান হারে বেতন না বাড়িয়ে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন তারা। মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। ওই কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন না করে নির্বাচিত সরকারের হাতে সেই ভার দিয়ে বিদায় নেয়।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় কমিটি গঠন করে সরকার।
একজন সদস্য বলেন, অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের দুই বছর ২১ দিন পরে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল। নবম বেতন কমিশন গঠনের ১১ মাস ২১ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে সরকারে পরিবর্তন এসেছে। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আগের কাঠামোতে বেতন পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই কমিটি দ্রুততার সঙ্গে পর্যালোচনার কাজ করছেন।
সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হচ্ছিল। তবে ২০১৫ সালের পর নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি। ফলে বেতন গ্রেডের শেষ ধাপে পৌঁছে যাওয়ায় অনেকের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন বেতন কাঠামোয় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির ধাপ বাড়ানো হতে পারে।
অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ থেকে কোন কোন বিষয়গুলোর রদবদল হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি পর্যালোচনা কমিটির সদস্যরা। একজন কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রিসভাতেই বেতন কাঠামো চূড়ান্ত হবে। এর ফলে বিষয়টি এতটাই গোপনীয় রাখা হয়েছে, পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকের অ্যাজেন্ডাও আগে নির্ধারণ করা হয় না।
বেতন কাঠামোর কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন বেতন কাঠামোর অনুযায়ী ভাতা নিয়ে বেশ কয়েকটি এসআরও জারি করতে হবে। এখন সেসব এসআরওর খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত হলে এসআরওগুলো হালনাগাদ করে রাখা হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসআরও জারি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় গোপালগঞ্জ লেকপাড়ে নির্মিতব্য জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।
এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় গোপালগঞ্জ সদর আসনের এমপি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, গোপালগঞ্জ পৌর প্রশাসক, জেলা সিভিল সার্জন অফিসসহ বিভিন্ন সংগঠন জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসব কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামানসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ