ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নারী ও শিশু গুরুতর আহত, পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক


গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নারী ও শিশু গুরুতর আহত, পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক হামলার ফলে এক ফিলিস্তিনি নারী এবং একটি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এ তথ্য ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা 'ওয়াফা' (Wafa) নিশ্চিত করেছে।

বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, মধ্য গাজার আল-মাগাজি (Al-Maghazi) শরণার্থী শিবিরের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ওই নারী গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে (Al-Aqsa Martyrs Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা বর্তমানে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।

একটি পৃথক ঘটনার মধ্যে, মধ্য গাজার আল-বুরেজ (Al-Bureij) শরণার্থী শিবিরের ব্লক-৬ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী অতর্কিতভাবে গুলিবর্ষণ করে। এর ফলে এক শিশু গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়।

আরও পড়ুন: রোববার রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

এছাড়া, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ (Deir al-Balah) এলাকার আল-মাসদার কবরস্থানের পূর্ব দিকে একাধিক ইসরায়েলি সামরিক যান প্রবেশ করে এবং ওই অঞ্চলে তীব্র গোলাগুলি চালায় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদ মাধ্যমটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফওপিএল প্রণয়ন করার দাবিতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


এফওপিএল প্রণয়ন করার দাবিতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান

দেশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বি সম্পর্কে ভোক্তাদের জন্য সহজবোধ্য তথ্য প্রদানের দাবি জানিয়ে, ভোক্তার জানার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) প্রবিধান দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টর এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত “ইয়ুথ ভয়েস ফর ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং ডিবেট ফেস্টিভ্যাল ২০২৬” শিরোনামের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

এ বিতর্কে অংশগ্রহণ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলস, আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বিতর্কের মাধ্যমে প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও চর্বির স্বাস্থ্যঝুঁকি, ভোক্তার তথ্য জানার অধিকার, স্বাস্থ্যকর খাদ্য নির্বাচন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং কার্যকর খাদ্যনীতিতে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে যুক্তি ও তথ্য উপস্থাপন করেন।

বক্তারা উল্লেখ করেন, এফওপিএল নিয়ে নীতিগত উদ্যোগ ও প্রক্রিয়া এগিয়ে গেলেও এখন জরুরি দ্রুত কার্যকর প্রবিধান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা। একটি কার্যকর এফওপিএল ব্যবস্থা ভোক্তাদের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদকদের স্বাস্থ্যকর পণ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করবে এবং দেশের একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যপরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।

তরুণদের খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি, জনস্বাস্থ্য অ্যাডভোকেসিতে অর্থবহ অংশগ্রহণ, গণমাধ্যমের মনোযোগ তৈরি এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে তরুণদের মতামত তুলে ধরার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিতর্কের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আল মোজাদ্দেদী আলফেসানী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির নয়, বৃহত্তর সমাজে তথ্যভিত্তিক জনসচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিতর্কের মতো উদ্যোগ তরুণদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা এবং সামাজিক বিষয়ে দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, “খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তার কাছে যথাযথ তথ্য পৌঁছে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত লবন, চিনি, চর্বি জাতীয় খাবারের তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভোক্তাকে জানার সুযোগ প্রদান করার উপরে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।”

বক্তারা আরও বলেন, ‘তরুণরা জনস্বাস্থ্য, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং এফওপিএল প্রবিধান দ্রুত প্রণয়নের পক্ষে মানুষের মধ্যে জনমত ও জনচাহিদা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দ্রুত কার্যকর এফওপিএল প্রবিধান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।”

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (আইন ও নীতি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্য শিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে ৮ মাসে ৩৩৯৯ মামলা রুজু, গ্রেপ্তার ৩১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


কক্সবাজারে ৮ মাসে ৩৩৯৯ মামলা রুজু, গ্রেপ্তার ৩১৫

কক্সবাজারে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে থানাগুলোতে ৩ হাজার ৩৯৯টি মামলা রুজু করা হয়েছে বিভিন্ন অপরাধে। একই সময়ে, মাদক আইনে ৩৭ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে, ৩১৫ জনকে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য প্রদান করেন পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান।

এ সময়, তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের সাম্প্রতিক অভিযানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জেলা পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজারে মোট ৩ হাজার ৩৯৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে মামলা হয়েছিল ৩ হাজার ১১৭টি। এর ফলে, এক বছরের ব্যবধানে মামলা বেড়েছে ২৮২টি।

চলতি বছরের আট মাসে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত ঘটনায়। এ সময়ে মাদক আইনে ১ হাজার ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৫টি। মাদক মামলায় এ বছর ৫২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৩৭ লাখ ৩ হাজার ২৪১ পিস ইয়াবা, ৩ হাজার ৬৭ লিটার দেশীয় মদ, ৬২ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ৫৪ বোতল বিয়ার ও ১ কেজি ২৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ। এ ছাড়া, চোরাচালান মামলাও বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে চোরাচালানের ১০২টি মামলা হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪৯টি।

অন্যদিকে, এ সময়ে খুনের মামলা হয়েছে ৯৭টি, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯৯টি। ডাকাতির মামলা ১৬টি থেকে কমে ১৪টিতে দাঁড়িয়েছে এবং দস্যুতার মামলা ২৫টি থেকে কমে ২৩টিতে এসেছে। তবে চুরির মামলা ১৫৭টি থেকে বেড়ে ১৬০টি হয়েছে। অপহরণ মামলা ৫৫টি থেকে কমে ৪৭টিতে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষ অভিযানে ৩১৫ জন গ্রেপ্তার

পুলিশ সুপার জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ৩১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬৩ জন ছিনতাইকারী, ১০৪ জন মাদকসেবী এবং ৪৮ জন চোর রয়েছেন।

এসপি বলেন, চিহ্নিত ও পেশাদার ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চিহ্নিত অপরাধীদের জামিনের বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চান তিনি।

পুলিশ সুপার বলেন, অপহরণ, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনি সহায়তা দিয়ে দ্রুত জামিনে সহযোগিতা করা কিছু আইনজীবীর তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। পেশাদার অপরাধীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তাকারীদের বিষয়েও নজরদারি রয়েছে। অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সক্রিয় সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধেও সাম্প্রতিক অভিযানের তথ্য তুলে ধরেন এসপি। পুলিশের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের রং ও নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করে মহাসড়কে ডাকাতি করে থাকে। গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির গতিবিধি শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩০টির বেশি মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত বাদল ডাকাতসহ চক্রটির কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া চলতি বছরের প্রথম আট মাসে অস্ত্র আইনে ৬২টি মামলা হয়েছে এবং ৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১ হাজার ২২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোসাদের কাছে তথ্য, গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


মোসাদের কাছে তথ্য, গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড

ইরান, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার তথ্য মোসাদের কাছে সরবরাহের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিচার বিভাগের সূত্রে এই খবর জানা গেছে।

হোসেইন পেদারান নামের ওই ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা মিজান।

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও ইসরাইলের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে দেওয়া তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছিল।

মিজানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পেদারান ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনার তথ্য সরবরাহ করেছিল।

এই তথ্যের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে দাবি করেছে ইরানের বিচার বিভাগ।

ইরানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন।

এদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত চলাকালে সামরিক স্থাপনা ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

সেই সময় ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় নিহত ২০ হাজার শিশুর নাম সম্বলিত কাফনের কাপড়ের প্রদর্শন জাতিসংঘে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


গাজায় নিহত ২০ হাজার শিশুর নাম সম্বলিত কাফনের কাপড়ের প্রদর্শন জাতিসংঘে

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কের ‘ইউএন চার্চ সেন্টারে’ আন্তঃধর্মীয় অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন একটি বেদনাবিধুর ও অভূতপূর্ব প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় প্রাণ হারানো ২০ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর নাম হাতে লিখে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দীর্ঘ একটি শুভ্র কাফনের কাপড়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।

‘ডক্টরস এগেইনস্ট জেনোসাইড’, ‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড ইউএসএ’ এবং ‘জাস্টিস ফর অল’-সহ একাধিক যৌথ মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে এই স্মারক কাফনটি উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজার নিহত শিশুদের কেবল পরিসংখ্যান বা সংখ্যা হিসেবে না রেখে, তাদের নাম ও আত্মপরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।

তবে প্রদর্শনীতে তালিকাভুক্ত নামগুলো কোন উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি। যুদ্ধকবলিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের একটি দীর্ঘ তালিকা পরিচালনা করলেও সেখানে নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের আলাদা পরিসংখ্যান রাখা হয়নি।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া মোট ৭৩,৪০০ জন নিহতের পরিসংখ্যানটি মূলত সঠিক বলেই মনে করে তারা। আইডিএফ কর্মকর্তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, গাজায় নিহত প্রতিটি সশস্ত্র যোদ্ধার বিপরীতে গড়ে দুই থেকে তিনজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রদর্শনীটি গাজায় শিশু হত্যা ও চলমান ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে এক জোরালো প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%