প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কের ‘ইউএন চার্চ সেন্টারে’ আন্তঃধর্মীয় অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন একটি বেদনাবিধুর ও অভূতপূর্ব প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় প্রাণ হারানো ২০ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর নাম হাতে লিখে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দীর্ঘ একটি শুভ্র কাফনের কাপড়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।
‘ডক্টরস এগেইনস্ট জেনোসাইড’, ‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড ইউএসএ’ এবং ‘জাস্টিস ফর অল’-সহ একাধিক যৌথ মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে এই স্মারক কাফনটি উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজার নিহত শিশুদের কেবল পরিসংখ্যান বা সংখ্যা হিসেবে না রেখে, তাদের নাম ও আত্মপরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
তবে প্রদর্শনীতে তালিকাভুক্ত নামগুলো কোন উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি। যুদ্ধকবলিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের একটি দীর্ঘ তালিকা পরিচালনা করলেও সেখানে নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের আলাদা পরিসংখ্যান রাখা হয়নি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া মোট ৭৩,৪০০ জন নিহতের পরিসংখ্যানটি মূলত সঠিক বলেই মনে করে তারা। আইডিএফ কর্মকর্তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, গাজায় নিহত প্রতিটি সশস্ত্র যোদ্ধার বিপরীতে গড়ে দুই থেকে তিনজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রদর্শনীটি গাজায় শিশু হত্যা ও চলমান ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে এক জোরালো প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন