মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৯ এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে সংগঠনটি দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া-মোনাজাত, রক্তদান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, আলোচনাসভা, র্যালি ও সমাবেশ। পাশাপাশি, দেশব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম দিন আজ সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
কর্মসূচিতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।
একই দিন দুপুর ১২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় রক্তদান কর্মসূচি ও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হবে।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে আলোচনাসভা, র্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ নানা সামাজিক কর্মসূচি পালন করা হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো নিজেদের নির্ধারিত সময়ে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
ঘোষিত কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ২৮ অক্টোবর উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও অধস্তন ইউনিটগুলো নিজ নিজ সুবিধাজনক সময়ে এসব কর্মসূচি পালন করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজকের দিনটি মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩, ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৩টা ৪৬ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৫টা ২৬ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৬টা ৪০ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৪৯ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৫টা ২৬ মিনিট এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৬টা ২ মিনিটে হবে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় ৪৫ দিনের এক নবজাতককে কোলে নিয়ে বিশেষ কৌশলে হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের ভেতর লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক ওজন ৭৫০ গ্রাম।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতি হলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাঁচুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চরনারান্দিয়া গ্রামের জাফর সরদার ও রেখা পারভীনের মেয়ে সারমিন খানম (২৫) এবং একই উপজেলার টোনাপাড়া গ্রামের রুস্তম মৃধার ছেলে সোহাগ মৃধা (৩১)। সারমিনের স্বামী সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১-এর আহম্মদনগর এলাকায় বসবাস করছিলেন।
ডিএনসি বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তর জানতে পারে, এক দম্পতি কোলে থাকা নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ কৌশলে মাদকের একটি বড় চালান পরিবহন করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে উপপরিচালক মোহাঃ জিললুর রহমানের নেতৃত্বে ডিএনসির একটি দল শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরে ঢাকা থেকে বগুড়াগামী ‘আর কে ট্রাভেলস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসটির এফ-১ ও এফ-২ নম্বর আসনে বসে থাকা ওই দম্পতিকে আটক করা হয়। পরে সারমিনের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে বিশেষ কায়দায় স্কচটেপ দিয়ে পেঁচানো অ্যাংলেটের ভেতর থেকে ৩৯টি পলিপ্যাকেটে রাখা ৭ হাজার ৮০০ পিস কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক কারবারে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাঃ শামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।
ডিএনসি জানিয়েছে, ইয়াবার এই চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার, জাপানের রাজধানী টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে একটি দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় টোকিওর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কান্তেইয়ে’ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানিয়েছেন, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিভিন্ন খাতে জাপানের সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে গত সোমবার সকালে টোকিও পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান জাপানের নাকাসোনে ইয়াসুতাকা।
উপ-প্রেসসচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন। এরপর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
এছাড়া, প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের তৃতীয় রাষ্ট্রীয় সফর। এর আগে তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া ও চীন গিয়েছিলেন। এছাড়া, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পার্লামেন্ট নির্বাচন। দেশটির প্রধান দুই নির্বাচনি জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটের ফল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে, যিনি দেশের সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় আছেন। ইসরাইলে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৭৩ লাখ। ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০ আসনে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের আইন অনুযায়ী ভোটাররা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দেন না। তারা পছন্দের রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। প্রতিটি দল নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের একটি তালিকা প্রকাশ করে। আসন বণ্টন প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে হয়। নেসেটে প্রবেশের জন্য কোনো দলকে অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়।
যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহু তার দল লিকুদকে নিয়ে ডানপন্থি ও ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী শিবিরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ শরিক কট্টর ডানপন্থি ইতামার বেন-গভিরের জিউইশ পাওয়ার ও বেজালেল স্মোত্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিজম। বেন-গভির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী এবং স্মোত্রিচ অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অতি রক্ষণশীল ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমও নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য মিত্র।
অপরদিকে, ইয়াশার, টুগেদার, ইসরাইল বেইতেনু ও ডেমোক্র্যাটসদের নিয়ে বিরোধী শিবির গঠিত হয়েছে। এই শিবির জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সাবেক সেনাপ্রধান ও ইয়াশারের নেতা গাদি আইজেনকটকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও টুগেদারের নেতা হিসেবে দাবিদার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদও সরকারের প্রধান হওয়ার দাবিদার।
গত শুক্রবারের এক জরিপ অনুযায়ী, লিকুদ ও ইয়াশার ২২টি করে, টুগেদার ১৪টি এবং ডেমোক্র্যাটস ও জয়েন্ট লিস্ট ৯টি করে আসন পেতে পারে। জিউইশ পাওয়ার, শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ৮টি, ইসরাইল বেইতেনু ও রিলিজিয়াস জায়োনিজম ৭টি করে এবং রা’আম ৫টি আসন পেতে পারে।
এভাবে নেতানিয়াহুর শিবিরের ৫৩ এবং বিরোধী শিবিরের ৫২টি করে আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মানে হলো, কোনো জোটেরই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব দলগুলোর সমর্থন সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তবে আইজেনকটসহ অধিকাংশ বিরোধী নেতা তাদের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। সমঝোতা না হলে আবার নির্বাচন হতে পারে। ততদিন তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু এ পর্যন্ত ছয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আবার সরকার গড়তে পারলে এটি হবে তার সপ্তম মেয়াদ।
ইসরাইলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলার পর এটিই প্রথম নির্বাচন। নিরাপত্তাব্যর্থতার দায় ও স্বাধীন তদন্তের দাবি ভোটের বড় বিষয়। নেতানিয়াহু দায় নিতে অস্বীকৃতি জানালেও বিরোধীরা জবাবদিহি চাইছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি এবং রাষ্ট্র ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়েও ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
গাজার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়ান আলজাজিরাকে বলেছেন, "নেতানিয়াহুর হারলেও ইসরাইলের নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। তারপরও আমি নেতানিয়াহুর পরাজয় চাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ