০৫:৫৬ পি.এম
জুলাই মাসে সংঘটিত অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী বছরের (২০২৭ সাল) ৫ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ প্রদান করে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই সাংবাদিক হলেন- একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।
আরও পড়ুন: কালকিনিতে গৃহবধূকে গোপনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ
রোববার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের পক্ষে দুই মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তিনি উল্লেখ করেন, মামলায় মোট তিনজন আসামি রয়েছেন এবং তারা সকলেই গ্রেপ্তার। রোববার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল। তবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরো দুই মাস সময়ের প্রয়োজন। আদালত পরে আবেদনটি মঞ্জুর করে আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করে।
এর পূর্বে গত ২৪ আগস্ট, এই তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। একইসাথে, আজকের দিনটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন কিছু সাংবাদিক প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে মন্তব্য করেন। প্রসিকিউশনের দাবি, সাংবাদিকদের এসব উসকানি ও প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে জুলাই-আগস্টে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়।
আরও পড়ুন: অর্থ বিভাগের সচিব পদে ড. খায়েরুজ্জামানকে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন