বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৭ পি.এম
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ আঁধারমানিক গ্রামের খালের ওপর নির্মিত কালভার্টটি, যার ব্যয় তিন লাখ টাকা, স্থানীয় কৃষকদের জন্য কার্যকরী হচ্ছে না। সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে কৃষকরা এটি ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে, খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে যাতায়াত ও ফসল আনা-নেওয়ার জন্য এখনও জমির সরু আইলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কালভার্টটির নির্মাণে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেসার্স আয়ান এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করে। তবে প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র কালভার্ট নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও সংযোগ সড়কের জন্য কোনো অর্থ রাখা হয়নি। এই কারণে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি কৃষকদের কতটা উপকারে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় কৃষক জাফর হোসেন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আঁধারমানিক খালের ওপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে কৃষিজমিতে যাতায়াত করতেন। যদিও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে ওঠার জন্য কোনো সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে যাতায়াতের সমস্যার সমাধান হয়নি। তিনি মনে করেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে এলাকার অনেক কৃষক উপকৃত হতেন।
আরেক কৃষক আবদুল মোতালেব জানান, কালভার্টটির প্রায় ১০ ফুট নিচে জমির একটি সরু আইল রয়েছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কালভার্টে উঠতে হলে মই ব্যবহার করতে হবে। এই কারণে এটি কৃষকদের জন্য কোনো কার্যকারিতা রাখছে না।
ফেনী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ এ বিষয়ে বলেন, তিন লাখ টাকা বরাদ্দের প্রকল্পে সড়ক নির্মাণের সুযোগ নেই। প্রকল্পটি মূলত খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে যাতায়াতের সুবিধার জন্য নেওয়া হয়েছিল। এটি গাড়ি চলাচলের সড়ক নয়, তাই সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ছিল না।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ সাধারণত ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, রাস্তা তৈরি করে না। এই কালভার্টের ক্ষেত্রেও সংযোগ সড়ক নির্মাণের সুযোগ নেই। স্থানীয়রা চাইলে সরকারের অন্য কোনো দপ্তর থেকে আলাদা বরাদ্দের চেষ্টা করতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার উত্তর গোবিন্দল এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের ফলে সংঘটিত ত্রিপল হত্যা মামলায় পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে, এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে আদালতের পক্ষ থেকে।
এছাড়া, মামলার অন্যান্য সাত আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং চারজনকে খালাস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে সিংগাইর উপজেলার উত্তর গোবিন্দল এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনাস্থলে আজিজ মোল্লা, নান্নু মোল্লা ওরফে টেনডল মোল্লা নিহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করিম মোল্লার মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় নিহত আজিজ মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নূরতাজ আলম বাহার জানিয়েছেন, মামলায় মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়। আদালত ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড, আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, দুজনকে পাঁচ বছর, একজনকে এক বছর, দুজনকে ছয় মাস এবং দুজনকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের নিষ্পত্তি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এই আবেদনটি করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন জানিয়েছেন, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বেসরকারি টিভি ডিবিসি নিউজের কার্যালয় থেকে পুলিশ ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান অপরাধ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন।
গ্রেপ্তারের পর ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগের ডিসি আকতার হোসেন বলেছিলেন, “একটি খবর প্রচারকে কেন্দ্র করে ডিবিসিতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজিব ঘোষকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।”
তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। রাতে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দাপ্রধান শফিকুল ইসলাম।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় লর্ড হার্ডিঞ্জ ফাযিল মাদরাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র আরিফের চোখে গুলি লাগে। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় আরিফের বাবা ইউসুফ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ৫৩ নম্বর আসামি হিসেবে ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৮ম অধিবেশন উপলক্ষে রাজধানীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৯ নভেম্বর রবিবার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে এবং অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৮ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে সংসদ ভবন ও তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সের ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে নিষেধাজ্ঞাটি জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এলাকাগুলো হলো— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত। বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত। পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে আসাদগেট পর্যন্ত। এছাড়া খামারবাড়ি থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এসব সীমানার মধ্যে অবস্থিত সড়ক ও গলিপথও নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময় থেকে এসব এলাকায় কোনো ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনও নিষিদ্ধ থাকবে। সংসদের ৮ম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বর এলাকায় সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্টেশন। যাত্রী ওঠানামার জন্য সড়কের ওপর যত্রতত্র অটোরিকশা দাঁড় করানোর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এর পাশাপাশি, বেপরোয়া চলাচল ও নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্টেশন পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বরসংলগ্ন সড়কের একটি অংশ দখল করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এসব গাড়ির জন্য একটি নিজস্ব সিরিয়াল ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই সিরিয়াল নির্দিষ্ট চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে। টাকা দিয়ে সিরিয়াল না পেলে বৈধ কাগজপত্র থাকা অন্য অটোরিকশাও সেখানে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ পায় না। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা কিছু অটোরিকশাও সিরিয়ালের মাধ্যমে চলাচল করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের ওপর এভাবে অটোরিকশা স্টেশন গড়ে ওঠায় টানেলমুখী ও আনোয়ারাগামী যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে একদিকে যানজট, অন্যদিকে বেপরোয়া অটোরিকশার চলাচল পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে টানেল মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে তিনজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন। দুর্ঘটনায় আটটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পরও টানেলসংলগ্ন এলাকায় সড়ক দখল, অব্যবস্থাপনা ও যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। স্থানীয়দের দাবি, প্রায়ই এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
সচেতন মহলের দাবি, কর্ণফুলী টানেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রবেশমুখে এ ধরনের অবৈধ স্টেশন ও বিশৃঙ্খল যান চলাচল কোনোভাবেই কাম্য নয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্টেশন উচ্ছেদ, চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র যাচাই এবং কথিত সিরিয়াল ব্যবস্থার আড়ালে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করা জরুরি। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে চাতরী চৌমুহনী বাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আশিকুর রহমান বলেন, "সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে গাড়ি জব্দ করি। কিন্তু অভিযান শেষে আবারও সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন গড়ে ওঠে। আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা মাত্র পাঁচজন। এর মধ্যে চাতরী চৌমুহনী বাজারের যানজট নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ