ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাউফলে পৌর প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে উত্তেজনা, হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ


বাউফলে পৌর প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে উত্তেজনা, হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ

পটুয়াখালীর বাউফলে পৌর নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার রিয়াজ হোসেন খানের বাউফলে আগমনের কারণে পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে আসন্ন পৌর নির্বাচনে রিয়াজ হোসেন খানের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরে তাঁর নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করা হয়।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় দুই ব্যক্তি, কার্তিক ও রুবেল, হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা দাবি করেন যে, কার্তিক ও রুবেল নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা। তারা যুবলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রিয়াজ হোসেনের পক্ষে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। তবে হামলার শিকার দুই ব্যক্তির দাবি, তারা কখনোই নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ বা ছাত্র লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে: রাসিক প্রশাসক

অন্যদিকে, রাত ৯টার দিকে পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র পাবলিক মাঠসহ চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বাউফলের একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিকট শব্দে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়েছেন। ককটেল বিস্ফোরণ, নাকি অন্য কোনো ঘটনা ঘটেছে—তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। পৌর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মারধরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"

আরও পড়ুন: ফেনসিডিল-ইয়াবার বদলে কুড়িগ্রামে আসছে এস্কাপ ও ট্যাপেন্টাডল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাথায় টুপি পরা নিয়ে ডা. জাকির নায়েকের বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ এম


মাথায় টুপি পরা নিয়ে ডা. জাকির নায়েকের বিশ্লেষণ

নামাজের সময় টুপি বা পাগড়ি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখা ইসলামি সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে, বিশেষ করে গালফ বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বসবাসকারী অথবা হজ থেকে ফিরে আসা অনেক মুসলমানকে দেখা যায় যে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে টুপি পরিধান না করে খালি মাথায় নামাজ আদায় করছেন। এই বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা সংশয় ও দ্বিমত সৃষ্টি করেছে।

মাথা ঢেকে রাখার গুরুত্ব একজন মুসলিমের জীবনে কতটুকু এবং খালি মাথায় নামাজ আদায়ের ব্যাপারে ইসলামের প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি কী— এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ডা. জাকির নায়েক একটি টিভি অনুষ্ঠানে। আসুন, তার বিশ্লেষণটি জানি।

টুপি ও পাগড়ি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখা কি সুন্নত?

ডা. জাকির নায়েক উল্লেখ করেন, অসংখ্য সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে, আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর মাথা সর্বদা আবৃত থাকত। তিনি টুপি, পাগড়ি অথবা যুদ্ধক্ষেত্রের শিরস্ত্রাণ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতেন। নবীজি (সা.)-এর প্রিয় সাহাবিদের মাথার পোশাকও সর্বদা আবৃত থাকত।

ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আরবিতে টুপিকে ‘কুফি’ বলা হয়, যা আমাদের উপমহাদেশে ‘টুপি’ হিসেবে পরিচিত। হাদিসের প্রমাণ অনুযায়ী—

চার মাজহাবের ইমামদের ঐক্যমত

ডা. জাকির নায়েক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, মাথা ঢেকে রাখার বিষয়ে চার মাজহাবের সম্মানিত ইমামগণ— ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম শাফেয়ি (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.) এবং ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.)-সহ তৎকালীন ও পরবর্তী প্রায় সকল বুজুর্গ ও আলেম একমত হয়েছেন।

ইমাম মালিক (রহ.) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ইসলামের শুভসূচনা থেকে আজ পর্যন্ত আলেম, সাহাবি ও সালাফদের যুগপরম্পরায় সর্বত্র এই টুপি বা পাগড়ি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখার সুন্দর রীতি চলে আসছে।’

খালি মাথায় নামাজ আদায়ের পেছনের মানসিকতা ও ভুল যুক্তি

ভারতীয় উপমহাদেশসহ অন্যান্য দেশের মসজিদে আগে প্রায় শতভাগ মানুষ টুপি পরে নামাজে দাঁড়াতেন। কিন্তু বর্তমানে অনেক জায়গায় দেখা যায় যে, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ খালি মাথায় নামাজ আদায় করছেন। এর মূল কারণ ও ভ্রান্ত যুক্তিগুলো নিচে আলোচনা করা হলো—

১. অসম্পূর্ণ জ্ঞানের প্রকাশ

বিদেশে বা গালফ দেশগুলোতে গিয়ে অনেকে জানতে পারেন যে, ‘নামাজ কবুল হওয়ার জন্য টুপি পরা ফরজ নয়, টুপি ছাড়াও নামাজ হয়ে যায়।’ এই প্রাথমিক ও অসম্পূর্ণ জ্ঞান পাওয়ার পর অনেকে নিজেদের জ্ঞান জাহির করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে টুপি পরা ছেড়ে দেন। অথচ টুপি পরা যে একটি ফজিলতপূর্ণ মুস্তাহাব ও সুন্নত কাজ, সেটি তারা এড়িয়ে যান।

২. ইহরামের সাথে সাধারণ সময়ের ভুল তুলনা

অনেকে যুক্তি দেখান— হজের সময় ইহরাম অবস্থায় খালি মাথায় নামাজ পড়া হয়, তাই সাধারণ অবস্থাতেও টুপি ছাড়া নামাজ পড়া যাবে। ডা. জাকির নায়েক এই যুক্তিটিকে সম্পূর্ণ ভুল ও অযৌক্তিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ—

নবীজি (সা.) ও সাহাবিদের আমল: হাদিসের আলোকে প্রমাণ

টুপি ও পাগড়ি দিয়ে মাথা ঢাকার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিসের উদ্ধৃতি নিচে প্রদান করা হলো—

১. মক্কা বিজয়ের দিন নবীজি (সা.)-এর মাথার পোশাক

হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে মক্কা বিজয়ের মহা আনন্দের দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মাথার পোশাকের বর্ণনা এসেছে এভাবে—

أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ

‘নবী করিম (সা.) মক্কা বিজয়ের দিন যখন মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন তার মাথায় একটি কালো রঙের পাগড়ি শোভা পাচ্ছিল।’ (মুসলিম ৩১৪৮)

২. নবীজি (সা.)-এর সাদা টুপি পরিধান

হজরত ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবীজি (সা.)-এর টুপি ব্যবহারের কথা স্পষ্টভাবে এসেছে—

‘মহানবী (সা.) সাদা রঙের টুপি পরিধান করতেন।’ (তাবরানি)

৩. সাহাবিদের মাথার পোশাক ও টুপির আমল

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পথ অনুসরণ করে তার প্রিয় সাহাবিগণও টুপি ব্যবহার করতেন। প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.)-এর আমল সম্পর্কে সহিহ বুখারিতে এসেছে—

وَكُوفِيَّةٌ: وَكَانَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَلْبَسُ الْكُوفِيَّةَ

‘হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) টুপি (কুফি) দিয়ে নিজের মাথা ঢেকে রাখতেন।’ (বুখারি ৫৮০২)

গালফ অঞ্চলের বিশিষ্ট আলেমদের আমল

ডা. জাকির নায়েক স্মরণ করিয়ে দেন যে, আধুনিককালের বিশ্বখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা আলবানি (রহ.) এবং সৌদি আরবের প্রখ্যাত গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ বিন বাজ (রহ.)-সহ গালফ অঞ্চলের সকল বড় বড় বরেণ্য আলেমরা সর্বদা টুপি বা রুমাল দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতেন। মিসরের কিছু আলেমের শিথিল ফতোয়া কিংবা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সাধারণ মানুষ আজ মহানবীর সুন্দর সুন্নত থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

নামাজ হলো আল্লাহর দরবারে বান্দার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ হাজিরা ও ইবাদত। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সময় পোশাকে শালীনতা ও সৌন্দর্য বজায় রাখা ইমানের দাবি। টুপি পরা ফরজ না হলেও, এটিকে অবহেলা করে খালি মাথায় নামাজে দাঁড়ানো নবীজির সুন্নত ও সালাফদের ধারার পরিপন্থি। তাই বিভ্রান্তি বা যুক্তির পেছনে না ছুটে, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভালোবাসায় টুপি বা পাগড়ি দিয়ে মাথা ঢেকে নামাজ আদায় করাই একজন সচেতন মুমিনের বৈশিষ্ট্য। এই ছোট আমলটি সওয়াব অর্জনের পাশাপাশি আমাদের প্রিয় নবীজির (সা.) সুন্নত জিন্দা করার এক মহান সুযোগ এনে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে এনসিপির জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৭ এম


রাজধানীতে এনসিপির জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজধানীতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। সোমবার রাতে ঢাকার বাংলামোটরে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশের পর একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পরীবাগ এলাকায় ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যের’ সামনে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে আরেকটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলামোটর মোড়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, "সরকার এরই মধ্যে কয়েকবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানিসংকট রয়েছে, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সেই সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা যে বিএনপি সরকারের নেই, সেটা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।"

নাসীরুদ্দীন মন্তব্য করেন যে, বিএনপি সরকার ইতোমধ্যে দেশের মানুষের সামনে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, "এই ব্যর্থ সরকারকে আমরা লংমার্চ থেকে বলেছি, তাদের সামনে একটাই পথ আছে—এক দফা দাবি। যদি সরকার মনে করে যে বিরোধী দল বা ১১–দলীয় জোট আমাদের কী করবে, আমরা বলব ১১–দলীয় জোট কিছু করবে না, আপনাদের জনগণ রাস্তায় আপনাদের ধাওয়া দেবে। কারণ, জনগণের পেটে আপনারা লাথি দিয়েছেন।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সরকারের আর দরকার নেই। নাসীরুদ্দীন বলেন, "এই সরকার জ্বালানিসংকট মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে, গণমাধ্যমের ওপর অবরোধ দিয়েছে।"

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের পর মিছিল শুরু হয়। মিছিলে এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার, সদস্যসচিব এস এম শাহরিয়ার, ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক নাবিলা তাসনিদ, যুব সংগঠন যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল, শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্যসচিব ঋআজ মোর্শেদসহ এনসিপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলটি পরীবাগ এলাকায় জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্য দেন এনসিপির ঢাকা দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার। তিনি বলেন, "বিএনপি সরকার ক্ষমতা দখলের পরই আমরা বুঝেছিলাম, এই সরকারের প্রত্যেকটা দিন কেমন যাবে। আজকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিএনপি প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এই বিএনপি ক্ষমতায় থাকার অধিকার হারিয়েছে। আজকে দেশে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ নেই।"

সরকারকে হুঁশিয়ার করে ইসহাক সরকার বলেন, "রোববার রাতের অন্ধকারে, তিনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) যখন বিদেশে যাবেন, তখন তেলের দাম বাড়িয়ে চলে গেলেন। জনগণের কথা বিবেচনা করলেন না। আজকে আমরা প্রতিবাদ করেছি। আগামীতে আর প্রতিবাদ নয়, এই সরকারকে প্রতিরোধের ডাক দেব, ইনশা আল্লাহ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআইজি মো. আশিক সাঈদকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ শাহিনের শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


ডিআইজি মো. আশিক সাঈদকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ শাহিনের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম-সেবা) অর্জন করায় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. আশিক সাঈদ-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক মোঃ শাহিন।

এক অভিনন্দন বার্তায় 'দৈনিক ঘোষণা' পত্রিকার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহিন বলেন, “রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) অর্জন ডিআইজি মহোদয়ের অসামান্য দায়িত্বশীলতা, পেশাগত দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও মেধার এক সমুজ্জ্বল স্বীকৃতি। রাজশাহী রেঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব পুলিশ বাহিনীকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করেছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই গৌরবময় স্বীকৃতি তাঁর পেশাগত জীবনে আরও নব উদ্যম, উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে। একই সাথে সাধারণ মানুষের সেবা প্রদানে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব রাজশাহী রেঞ্জকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বার্তা শেষে সাংবাদিক মোঃ শাহিন ডিআইজি মো. আশিক সাঈদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেলিম খান ও ছেলে শান্ত খানের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


সেলিম খান ও ছেলে শান্ত খানের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তাঁর ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের লাশ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর তাঁদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।

ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, "চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। অনুমতি পেলে মিডিয়াকে জানাবো কোন তারিখে লাশ উত্তোলন করবো।"

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। যদিও তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, পরে বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার মুখোমুখি হয়ে গণপিটুনিতে নিহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাঁদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'শাপলা মিডিয়া'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, এলাকায় প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা যায়। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, "আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%