মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩২ এম
বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম-সেবা) অর্জন করায় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. আশিক সাঈদ-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক মোঃ শাহিন।
এক অভিনন্দন বার্তায় 'দৈনিক ঘোষণা' পত্রিকার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহিন বলেন, “রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) অর্জন ডিআইজি মহোদয়ের অসামান্য দায়িত্বশীলতা, পেশাগত দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও মেধার এক সমুজ্জ্বল স্বীকৃতি। রাজশাহী রেঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব পুলিশ বাহিনীকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করেছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই গৌরবময় স্বীকৃতি তাঁর পেশাগত জীবনে আরও নব উদ্যম, উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে। একই সাথে সাধারণ মানুষের সেবা প্রদানে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব রাজশাহী রেঞ্জকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
বার্তা শেষে সাংবাদিক মোঃ শাহিন ডিআইজি মো. আশিক সাঈদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তাঁর ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের লাশ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর তাঁদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, "চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। অনুমতি পেলে মিডিয়াকে জানাবো কোন তারিখে লাশ উত্তোলন করবো।"
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। যদিও তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, পরে বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার মুখোমুখি হয়ে গণপিটুনিতে নিহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাঁদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'শাপলা মিডিয়া'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।
সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, এলাকায় প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা যায়। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, "আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৫ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. আনোয়ার হোসেনকেও এই সংবর্ধনায় সম্মানিত করা হয়। স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও মানবিক সংগঠন “পজিটিভ সরাইল”এর উদ্যোগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও বিদ্যালয়ভিত্তিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মীর কামরুজ্জামান কবির। প্রধান সমন্বয়ক জহিরুল ইসলাম রিপনের সঞ্চালনায় সভাটি শুরু হয়, যেখানে সম্পাদক আব্দুল করিম স্বাগত বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, লেখক গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব খান, প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুব খান, রুহুল আমীন রুবেল, সাংবাদিক মো. পারভেজ আলম এবং আলমগীর হোসেন।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, "শুধু ভাল ফলাফল পড়ালেখা করে সকলকে ভাল মানুষ হওয়াটাই প্রকৃত অর্জন।" তাই শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তার সরকারের বাড়ি থেকে নিলুরকুড়া ব্রিজ পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। বিভিন্ন সময় মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তাটি পাকা করার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। মাঝে মধ্যে রাস্তায় রাবিশ বা মাটি ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় ৬-৭ মাস আগে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রাস্তাটির জন্য বাজেট অনুমোদন হয়েছে বলে জানানো হয়। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত পাকাকরণের কাজ শুরু হয়নি।
বর্তমানে রাস্তাটি ভেঙে বিভিন্ন স্থানে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগীবাহী ভ্যান, অটোরিকশা ও সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানি জমে পরিস্থিতি আরও দুর্ভোগপূর্ণ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস পেলেও বাস্তবে কাজ না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ অবস্থায় আব্দুস সাত্তার সরকারের বাড়ি থেকে নিলুরকুড়া ব্রিজ পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তাটি দ্রুত পাকা করে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরতের শেষের দিকে শীতের ছোঁয়া অনুভূত হতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের জেলা বগুড়ায়, যা শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। এই সময়টাতে স্থানীয় কৃষকেরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, চড়া দাম ও বাড়তি লাভের আশায়। মাঠগুলো এখন শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলার সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং গত মৌসুমের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুন করে স্বপ্ন বুনছেন বগুড়ার চাষিরা।
আশ্বিন মাসের শুরু থেকেই বগুড়ার শাজাহানপুর, শিবগঞ্জ, শেরপুর, গাবতলী ও কাহালু উপজেলার বিভিন্ন মাঠে কৃষকদের ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। কেউ ক্ষেতে পরিচর্যা করছেন, কেউ পোকামাকড় দমনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আবার অনেকে ইতোমধ্যে উৎপাদিত সবজি তুলতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাজারের জন্য। আগাম বাজারে সবজির চাহিদা বেশি থাকে, ফলে দামও দ্বিগুণ পাওয়া যায়। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবার ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে আগাম সবজির আবাদ।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, জেলাটি দেশের অন্যতম প্রধান সবজি উৎপাদন অঞ্চল। ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ দেশের বড় পাইকারি বাজারে বগুড়ার সবজির বিশেষ চাহিদা রয়েছে। প্রতি বছর শীত মৌসুমের মূল সবজি বাজারে আসার আগেই আগাম সবজি আবাদ করে লাভবান হন এ অঞ্চলের চাষিরা। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম সবজি চাষে ঝুঁকি যেমন থাকে, তেমনি লাভের পরিমাণও বেশি। বৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় অনেক কৃষক উঁচু জমিতে বা বিশেষ পলিথিন শেড (পলিহাউস) ব্যবহার করে চারা তৈরি ও রোপণ করেছেন। শিবগঞ্জ উপজেলার সবজিচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, "অন্যান্য ফসলের তুলনায় আগাম সবজিতে কিছুটা বাড়তি খরচ ও মেহনত বেশি করতে হয়। তবে যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে, তবে এই বাড়তি সবজি দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব। গত বছর অতিবৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতি হলেও এবার আবহাওয়া বেশ ভালো রয়েছে।" মহাস্থান হাটের আড়তদাররা জানান, বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড়, মহীপুর ও চণ্ডীহারা হাটে আগাম শিম, লালশাক, পালংশাক, মূলা ও কড়লা আসতে শুরু করেছে। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি শিম ও ফুলকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চাষিরা পাইকারি দর ভালো পাওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে বগুড়ার হাটগুলোতে ডেরা বেঁধেছেন ভালো মানের সবজি সংগ্রহ করার জন্য।
জেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সঠিক সময়ে মানসম্পন্ন বীজ, সার ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিষমুক্ত বা জৈব উপায়ে সবজি উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভোক্তারা নিরাপদ সবজি পেতে পারেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বনিক তদারকি করছেন যাতে পোকামাকড় বা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটলে চলতি মৌসুমে বগুড়ার কৃষকেরা আগাম সবজি থেকে কোটি টাকার ব্যবসা করবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে দেশের বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্যে সবজি পৌঁছে দিতে এই উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের ভূমিকা অপরিসীম। সব মিলিয়ে, আগাম সবজির ভালো ফলন ও ন্যায্য মূল্য পাওয়ার মধ্য দিয়ে বগুড়ার হাজারো কৃষক পরিবার এখন নতুন আশার আলো দেখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ