বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
বাগেরহাটের ফকিরহাটে অবস্থিত দেশের একমাত্র সরকারি মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি বর্তমানে জনবলের তীব্র সংকটে ভুগছে এবং কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ খামারে অনুমোদিত ৫২টি পদের মধ্যে ৪২টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে রাজস্ব খাতে মাত্র ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পরেও এখানে ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃষ্টি হয়নি।
সীমিত জনবল ও প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসাসেবা ছাড়াই চলছে এই খামারের কার্যক্রম, যা মহিষের স্বাস্থ্য ও প্রজনন কার্যক্রমের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রাণি সম্পদ বিভাগ জানায়, খুলনা-মোংলা জাতীয় মহাসড়কের পাশে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ এলাকায় ১৯৮৪-৮৫ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এই খামারটি ৯৫ একর জমির উপর অবস্থিত। সরকারের উদ্দেশ্য ছিল উন্নত জাতের মহিষের প্রজননের মাধ্যমে বাছুর উৎপাদন ও খামারিদের মধ্যে বিতরণের মাধ্যমে দেশের মহিষ খাতের উন্নয়ন করা।
প্রতিষ্ঠার সময় এখানে ১১১টি মহিষ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়, যেখানে দুইজন কর্মকর্তা ও ৪৮ জন কর্মচারী ছিলেন। প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যে রাজস্ব খাতে ৫২টি পদ সৃষ্টি করে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে মহিষের সংখ্যা বেড়ে ২৮০টিতে দাঁড়ালেও, সে অনুযায়ী রাজস্ব খাতে জনবল বাড়ানো হয়নি। ভেটেরিনারি সার্জনের পদ কখনোই সৃষ্টি করা হয়নি। বর্তমানে কর্মরত ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি ৪২টি পদ শূন্য রয়েছে, ফলে ২২ জন আউটসোর্সিং কর্মচারী দিয়ে খামারের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর সকালে মাঠে ঘাস খাওয়ার পর বিষক্রিয়ায় হঠাৎ কয়েকটি মহিষ ছটফট করতে করতে মারা যায়, যার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এই ঘটনায় জরুরি মুহূর্তে দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়। একসঙ্গে এতগুলো মহিষের মৃত্যুর ঘটনায় খামারে স্থায়ী ভেটেরিনারি চিকিৎসক না থাকার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়।
প্রায় দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও দেশের একমাত্র সরকারি মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটিতে এখনও রাজস্ব খাতে ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফকিরহাট মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক শেখ আল মামুন জানান, বর্তমানে খামারটিতে ২৮০টি মহিষ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি মহিষ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৩০ লিটার দুধ উৎপাদন হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দুধের ব্যাপক চাহিদা থাকায় প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে খামার থেকে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে প্রতি কেজি দুধ ৭০ টাকা দামে বিক্রি করা হয়।
এই ২৮০টি মহিষের জন্য প্রতিদিন গড়ে ৭০০ কেজি দানাদার খাবারের মিক্সচার প্রস্তুত করতে হয়। খামারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শুধু দুধ উৎপাদন নয়, উন্নত জাতের মহিষের প্রজনন, বংশবিস্তার এবং খামারিদের মধ্যে উৎপাদিত বাছুর বিতরণ করা। গত অর্থবছরে ১০১ জন খামারির মধ্যে ১৪১টি মহিষের বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খামারের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ভেটেরিনারি সার্জনের প্রয়োজন। এছাড়া, অনুমোদিত ৫২টি পদের মধ্যে ৪২টি শূন্য দ্রুত পূরণ করা, বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা সমাধানে একটি জেনারেটর, বাউন্ডারি ওয়াল সংস্কার ও উঁচু করাসহ নিচু এলাকায় মাটি ভরাট জরুরি হয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ছড়িয়ে দিতে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, দেশের প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে কোনো মানসিক স্বাস্থ্যসেবা না থাকাকে বড় ধরনের ঘাটতি আছে। তৃণমূলের এই সংকট দূর করতে ‘কমিউনিটি মেন্টাল হেলথ’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এর মাধ্যমে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়া হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আঁচল ফাউন্ডেশন এবং হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরডিসি) আয়োজিত ‘নীরবতা থেকে পদক্ষেপ: তরুণদের আত্মহত্যা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন৷
আত্মহত্যা রোধে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনগুলোকে শুধু প্রচার কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে এম এ মুহিত বলেন, এই আন্দোলনকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিয়ে জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। একইসঙ্গে সমাজের প্রত্যেক নাগরিককে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজের পাশাপাশি অন্যের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণের পিক সময় আসতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এইচআরডিসির প্রধান নির্বাহী মাহবুবুল হক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ফার্নেস অয়েল সংকটের কার্যকর বিকল্প সমাধান হিসেবে পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার একটি বড় পরিসরের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
তিনি বুধবার দুপুরে খুলনায় বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের প্রাঙ্গণে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে এই তথ্য জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানিয়েছেন, টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে অন্তত দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে।
বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকটের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কাটিয়ে প্রাকৃতিক শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যক্তিগত বাসাবাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতর ও কলকারখানার অব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থানগুলিতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় প্রথমবারের মতো নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা পরিষদের উদ্যোগে আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের মেইনে রোডে অবস্থিত মা ও শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে এ ডাকবাংলোর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম ওবায়দুল হক নাসির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, জেলা পরিষদের পুরাতন এ ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা এ ডাকবাংলোটি নতুন করে তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। এর ধারাবাহিকতায় আজ ১০ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন উদ্বোধন করা হলো। আগামী এক বছরে এ ডাকবাংলোর কাজ শেষ করা হবে।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদের আওতাধীন এ ডাকবাংলো নির্মাণের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি জেলার গুরুত্বপূর্ণ কাজে আগত অতিথিদের জন্যও এটি সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা রেড ক্রিসেন্ট এর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক শাহীনসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার তালতলীর বগীরদোন খালের ওপর নির্মিত লোহার সেতুটি আকস্মিকভাবে ভেঙে খালে পড়ে গেছে। এর ফলে তালুকদারপাড়া ও বড়াইতলী এলাকার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ফলে চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে।
এদিকে, সেতু ভেঙে পড়ার কারণে তালুকদারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তালুকদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মহাবিপাকে পড়েছে। তারা এখন ঝুঁকি নিয়ে ডিঙ্গি নৌকায় পারাপার হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা নতুন করে সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
তালতলী উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে তৎকালীন আমতলী উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বড়বগী ইউনিয়নের তালুকদারপাড়া এবং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বড়াইতলী গ্রামের সংযোগ স্থাপনের জন্য বগীরদোন খালের ওপর ৬০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফিট প্রস্থের একটি লোহার সেতু নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সংস্কারের অভাবে সেতুটি আকস্মিকভাবে ভেঙে খালে পড়ে যায়। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার ফলে মৌরভী, পাওয়াপাড়া, তালুকদারপাড়া, বড়াইতলীসহ চার গ্রামের হাজারো মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।
তালুকদারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতি, জাহিদ, রেহেনা আক্তার রানু বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সংস্কার না করায় গত ২ সেপ্টেম্বর সেতুটি ভেঙে আমাদের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা ছোট ডিঙি নৌকায় পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করছি।"
মৌরুভী পাড়ার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ একাধিক অভিভাবক জানান, "বাচ্চাদের একা স্কুলে পাঠাতে এখন ভয় লাগে, যেকোনো সময় নৌকা ডুবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত আমরা এখানে একটা সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।"
তালুকদারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের বলেন, "সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা সঠিক সময়ে স্কুলে আসতে পারছে না। প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের ছোট ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে খাল পারাপার হতে হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার যেমন কমেছে, তেমনি তাদের স্বাভাবিক পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।"
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, "ভেঙে যাওয়া সেতুটি অপসারণসহ নতুন একটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আপদকালীন একটি কাঠের সেতু নির্মাণের জন্য বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ