বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ এম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পরিচালিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫৭৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্যসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ৫৭৭ জনের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৪২ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮০ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ১১৪ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৩ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৯ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪২ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন উদ্ধার করা হয়েছে দুইটি চাইনিজ কুড়াল, দুইটি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু, একটি ছুরি, ছয়টি ককটেল, ৩২ কেজি ৬৫৫ গ্রাম গাঁজা, ৬২৩ পিস ইয়াবা, সাত গ্রাম হেরোইন, দুইটি প্রাইভেটকার, একটি অটোরিক্সা, সাতটি ল্যাপটপ, ৬৭টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অপারেটরের ৪৮৪টি সীমকার্ড, ২৭টি ভিসা কার্ড এবং চারটি ইলেক্ট্রনিক্স চিপ।
পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গ্যাস সরবরাহ ২০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বগুড়া শহর এবং এর আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল)।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে পিজিসিএল।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বনানী থেকে তিনমাথা পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি টাই-ইন এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টা থেকে ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বগুড়া শহরের নেটওয়ার্কে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এর ফলে বগুড়া শহর এবং এর সংলগ্ন এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প-কারখানা, ক্যাপটিভ পাওয়ার এবং সিএনজি স্টেশনসহ সব শ্রেণির গ্রাহকরা এই সাময়িক সংকটের সম্মুখীন হবে।
পিজিসিএল কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ আরও জোরালো করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি কানাডা থেকে অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন এবং আরও কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছেন।
ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক বিরোধ শিগগিরই হ্রাস পাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
তিনি স্বীকার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে আনতে গেলে কানাডার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। তবে তার মতে, এর সুফল সেই ক্ষতির চেয়ে বেশিই হবে।
মঙ্গলবার রাতে জারি করা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে গদি বা ম্যাট্রেস, মোটরবোট ও গলফ কার্টও রয়েছে।
একই সময়ে জারি করা আরও কয়েকটি নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, দেশটি থেকে বিভিন্ন ধরনের অ্যালকোহলিক পানীয় ও কিছু দুগ্ধজাত পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে মঙ্গলবারই কানাডা পাল্টা শুল্ক কার্যকর করে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার) মূল্যের পণ্যের ওপর এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য এবং দুগ্ধজাত পণ্য রয়েছে।
ওয়াশিংটন ২২ আগস্ট নতুন শুল্ক ঘোষণা করার পর তার জবাবে কানাডা এই পদক্ষেপ নেয়।
এক ভিডিও বার্তায় কার্নি বলেন, কানাডার কাছে ‘ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই পরিবর্তনের জন্য মূল্য দিতে হবে। পদক্ষেপ নেওয়ার সব সময়ই একটা মূল্য আছে। তবে সেই মূল্য কোনোভাবেই স্থির হয়ে বসে থাকার ক্ষতির কাছাকাছি নয়।’
কানাডার নতুন পাল্টা শুল্কের জবাবে ট্রাম্প মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কানাডীয় কোম্পানিগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপের হুমকি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মার্কিন জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিএসএ) দীর্ঘমেয়াদি সরকারি চুক্তির তালিকা থেকে ‘কানাডায় তৈরি পণ্য সরিয়ে নিতে’ তিনি কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর জেলা ডিবি পুলিশ এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের যৌথ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতারক চক্রের ৭ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজারের চকরিয়ার মো. তালিপ (২০), পেকুয়ার মো. জয়নাল (৩৪), রামুর মোহাম্মদ কাউছার (২৭), কক্সবাজার সদরের মো. মিরুয়ান (২৫), নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর আবুল কালাম (৬৭), টেকনাফের নুরুল আবছার (৩৩) এবং কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. ইসমাইল মীর (২৪)।
মেহেরপুর ডিবি ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সানা বাসস’কে জানান, সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন, ব্রিগেডিয়ার এবং কর্নেল পরিচয়ে ত্রাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তালিপ ও জয়নালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে কাউছার ও মিরুয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে জালিয়াতি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আবুল কালাম, নুরুল আবছার ও ইসমাইল মীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি প্রতারণার মামলা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তিন দিনব্যাপী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতারকদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ৭ জনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সরকারি বা ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয়ে কেউ ফোন করে ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য কিংবা গোপন পিন চাইলে সতর্ক থাকতে হবে। সন্দেহজনক কল বা মেসেজ পেলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে অনলাইনে রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু রেলের টিকিট ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে সিলেট রেল স্টেশন এলাকায় জেলা প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মজলিসপুর এলাকার সঞ্জীব দাসের ছেলে সঞ্জয় দাস এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলিলপুর এলাকার মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. আবু তাহের। উভয়েই রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য বলে জানা গেছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম। এ সময় অভিযানে সহযোগিতা করেন রেলওয়ে থানা পুলিশ, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সিলেট রেল স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় টিকিট কালোবাজারির সক্রিয় দুই সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা অনলাইনে অবৈধভাবে রেলের টিকিট ক্রয় ও ডাউনলোড করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন।
আটকের সময় তাদের কাছে থাকা টিকিট এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানা যায়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম বাসস’কে জানিয়েছেন, রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সিলেটে রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারির ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ