প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেহেরপুর জেলা ডিবি পুলিশ এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের যৌথ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতারক চক্রের ৭ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজারের চকরিয়ার মো. তালিপ (২০), পেকুয়ার মো. জয়নাল (৩৪), রামুর মোহাম্মদ কাউছার (২৭), কক্সবাজার সদরের মো. মিরুয়ান (২৫), নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর আবুল কালাম (৬৭), টেকনাফের নুরুল আবছার (৩৩) এবং কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. ইসমাইল মীর (২৪)।
মেহেরপুর ডিবি ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সানা বাসস’কে জানান, সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন, ব্রিগেডিয়ার এবং কর্নেল পরিচয়ে ত্রাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তালিপ ও জয়নালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে কাউছার ও মিরুয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে জালিয়াতি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আবুল কালাম, নুরুল আবছার ও ইসমাইল মীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি প্রতারণার মামলা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তিন দিনব্যাপী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতারকদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ৭ জনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সরকারি বা ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয়ে কেউ ফোন করে ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য কিংবা গোপন পিন চাইলে সতর্ক থাকতে হবে। সন্দেহজনক কল বা মেসেজ পেলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন