ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কেসিসির ৬০১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে


কেসিসির ৬০১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে

 

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ ৭ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে বাজেটটি ঘোষণা করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

 

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টি ঝুঁকিপূর্ণ

নতুন বাজেটের আকার গত অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ১১৭ কোটি ৭১ লাখ ২৯ হাজার টাকা কম। তবে বরাদ্দের এই হ্রাসের চেয়ে বড় একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে পূর্ববর্তী বাজেটের বাস্তবায়ন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭১৯ কোটি ৫০ লাখ ৩৬ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা ৩৩৮ কোটি ৯৭ লাখ ২১ হাজার টাকায় নেমে আসে। অর্থাৎ প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৭ দশমিক ১২ শতাংশ।

 

বাজেট ঘোষণার সময় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু জানান, গত অর্থবছরে রাজস্ব তহবিল থেকে আয় অর্জনের হার ছিল ৭১ দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে উন্নয়ন তহবিলের অর্জন ছিল মাত্র ৩৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর ফলে সামগ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও নিচে আটকে যায়।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং কিছু প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এবার বাজেটের আকার কমেছে।এছাড়া, নিজস্ব আয় বাড়িয়ে করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: নরসিংদী বেলাবোতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা

নতুন বাজেটে রাজস্ব তহবিল থেকে আয় ধরা হয়েছে ২২১ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৪৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারি অনুদান ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং বিশেষ প্রকল্প অনুদান ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে বাজেটের মোট আয়-ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ ৭ হাজার টাকা।

এবার নতুন কোনো কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়নি। বকেয়া কর আদায়, নতুন নির্মিত স্থাপনা করের আওতায় আনা এবং বাজার, দোকান ও নতুন স্থাপনা থেকে নিজস্ব আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জিয়া হল কমপ্লেক্স নির্মাণ ও নগরের বিভিন্ন পার্ক আধুনিকায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

নিজস্ব তহবিল থেকে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৫৫ কোটি ২৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয় হবে গণপূর্ত, অবকাঠামো, সড়কবাতি, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, সামাজিক কল্যাণ, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ ও পরিচ্ছন্নতা খাতে। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে রাখা হয়েছে ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা।

এডিপির আওতায় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে গণপূর্তে ৯২ কোটি ৮৭ লাখ, জরুরি পানি সরবরাহে ২ কোটি, প্রাণিসম্পদে দেড় কোটি, জনস্বাস্থ্যে ২০ কোটি ৫০ লাখ এবং পরিচ্ছন্নতায় ৩৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভৈরবে কাপড় ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে পরকীয়ার নাটক সাজানোর মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কারাগারে

জাতীয় এডিপির তিন প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। মহানগরীর ড্রেনেজ উন্নয়নে ১২ কোটি ৫০ লাখ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৬ হাজার টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে বর্জ্যব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৯৩ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বিশ্বব্যাংক, এডিবি, কেএফডব্লিউ, এসএনভি ও জিআইজেডসহ উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পে বরাদ্দ রয়েছে ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে শলুয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রিত ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলায় সড়ক, ড্রেন, কালভার্ট ও নিম্নআয়ের বসতিতে উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। ইউনিসেফের সহায়তায় বাস্তুহারা এলাকায় ১০টি ক্ষুদ্র বর্জ্যপানি শোধনাগার এবং রাজবাঁধ-২ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পাশে মেডিক্যাল বর্জ্যব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক হামিম মল্লিক নিহত

নগরে প্রায় ৫০ হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, জনসচেতনতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের কথা জানিয়েছে কেসিসি। পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের মাধ্যমে প্রচারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।কেসিসির সামনে রয়েছে দুটি বড় প্রকল্প।

মন্ত্রণালয়ের সভায় অনুমোদন পাওয়া নগরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ২ হাজার ২৫৫ কোটি ১ লাখ ২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে জিয়া হল কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১৮ কোটি টাকা। প্রকল্প দুটি শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

বাজেট ঘোষণায় প্রশাসক নিয়মিত কর পরিশোধ, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং বাড়িঘরের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কেসিসির নিজস্ব আয় বাড়ানো এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এসময় খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) সদস্য মো. ইকবাল হোসেনসহ নাগরিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ।

আরও পড়ুন: লাখাইয়ে ডোবা থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে বন্ধু গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩

নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ১৬ শিক্ষার্থী। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে ফাতেমা বেগম (১২), নিপা আক্তার (১২), মেহেরাব উদ্দিন (১১), ফারহানা আক্তার (১২), জামেলা বেগম (১৪), সুরাইয়া আক্তার (১৩) ও পারভিন আক্তার (১৫)। তাদের সবার বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়টির নিয়মিত পাঠদান শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর হঠাৎ সপ্তম শ্রেণির চারজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলে তারা সুস্থ হয়ে উঠে। এর কিছুক্ষণ পর দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীসহ ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির আরও ১৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিন বলেন,  মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এখন সুস্থ রয়েছে। স্যালাইন শেষ হলে তারা বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে কোনো ঝাঁজালো গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাশ্মীর নিয়ে ভারতের ‘তথাকথিত’ মানচিত্র ও একতরফা দাবি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


কাশ্মীর নিয়ে ভারতের ‘তথাকথিত’ মানচিত্র ও একতরফা দাবি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

পাকিস্তান ভারতের ‘তথাকথিত’ আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং একতরফা স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের একতরফা পদক্ষেপ বা দখলদারিত্ব এই অঞ্চলের বিতর্কিত মর্যাদা পরিবর্তন করতে সক্ষম নয়।

সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক

বিবৃতিতে

বক্তব্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে থাকা অন্যতম পুরোনো বিরোধ। তিনি বলেন, একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে এর মর্যাদা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, কাশ্মীর বিরোধের সমাধান জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনা এবং কাশ্মীরি জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে হতে হবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের দাবিও পাকিস্তান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর দাবি করেছে, জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক মানচিত্রগুলোতে জম্মু ও কাশ্মীরকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তাদের মতে, এসব মানচিত্রে অঞ্চলটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত অবস্থাই প্রতিফলিত হয়েছে।

ভারতের তথাকথিত আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং স্বায়ত্তশাসন-সংক্রান্ত একতরফা দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও মন্তব্য করেছে পাকিস্তান। দেশটির দাবি, এসব পদক্ষেপ কাশ্মীরের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত চরিত্র পরিবর্তন করতে পারে না। তথ্যসূত্র: সামা টিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোম্পানি আইন যুগোপযোগী করতে উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


কোম্পানি আইন যুগোপযোগী করতে উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর

সরকার প্রায় তিন দশক পুরোনো কোম্পানি আইনকে নতুন প্রজন্মের চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ও আধুনিক করার জন্য সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের ব্যবসায়ীদের সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এ আহ্বানটি সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে দ্য ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) কর্তৃক আয়োজিত ‘কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর খসড়া সংশোধনী’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রকাশ পায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনে পূর্বে মাত্র দুটি ছোট সংশোধনী করা হয়েছিল। তবে বর্তমান বিশ্ব ও নতুন প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষাপটে একটি পূর্ণাঙ্গ ও যুগোপযোগী আইন প্রয়োজন।

বিশ্বের অন্যান্য সফল ও কার্যকর অর্থনীতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের মতো দেশে যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ, সেগুলোকে বেঞ্চমার্ক হিসেবে ধরে আইনটি সহজীকরণের কাজ চলছে।

আইন বাস্তবায়নের সুফল ব্যবসায়ীদের জন্য উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার নিজে প্রাইভেট কোম্পানি গঠন করে ব্যবসা করবে না। অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো বেসরকারি খাত, তাই ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সহজে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও আধুনিক উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ তৈরি করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।

খসড়া প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য ব্যবসায়ীদের সময়ের দাবির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ৩০ দিন, প্রয়োজনে ৬০ দিন পর্যন্ত সময় নিতে পারেন খসড়াটি ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করার জন্য। ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্পন্ন পরামর্শ পাওয়ার পরই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশ বর্তমানে একটি ট্রানজিশন পিরিয়ড বা পরিবর্তনকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো বড় আর্থিক সারপ্লাস বা পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ পায়নি এবং বেসরকারি খাতও প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে। তাই এই সময়ে সবাইকে মাথা ঠান্ডা রেখে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগামী তিন বছরে বেশকিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, বাণিজ্য সহজীকরণে গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। মতবিনিময় সভায় বাণিজ্য সংগঠনের প্রধান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা ৯৯৭ জন। 

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬০ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৫৬ জন।

 গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনশিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৮৯৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%