বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে, প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, যা না পরলে তাদের জন্য আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন। এই বিষয়ের সত্যতা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, হৃদয় মিয়া ওরফে মাইন উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম এবং শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের সময় সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ছোট সাদিপুর এলাকা, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের ওপর রিলাক্স কিং পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
এই তল্লাশির সময় শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ, হৃদয় মিয়া ওরফে মাইন উদ্দিন এবং সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক ওজন ছিল চার কেজি ৬০০ গ্রাম এবং এর বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
এই ঘটনায় সোনারগাঁ থানার এসআই মো. ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিন আসামির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, রায়প্রাপ্তদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি হৃদয় মিয়া ওরফে মাইন উদ্দিন এবং সাইফুল ইসলাম আদালতের রায়ে দণ্ডিত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান যে, সংবিধানের বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সংশোধিত বিধান অনুযায়ী আগামীতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৩৫ বছর পরে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী রয়েছে, সরকারি দলের পক্ষ থেকেও রয়েছে। এর আগে অনেকবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়েছে, তবে গণতান্ত্রিক ধারায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে নির্বাচন হওয়া উচিত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চা দেখতে পাবে এবং এর মাধ্যমে আমাদের গণতন্ত্রে আবার নতুন সূচনা হবে।
বিরোধী দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে সংসদীয় কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্যরা এখনও যোগদান করেননি। আগামীতে সংবিধানের যে সংশোধনী আসবে, সেখানে ৭০ ধারায়ও পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি জানান এবং তা জুলাইয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে হয়েছে।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এই সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলমান এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে এ অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : প্রতিদ্বন্দ্বীদের সতর্ক করে আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা বলেছেন, তিনি প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দলটিকে বিশ্বের সেরা ক্লাব হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
আসন্ন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা কভেন্ট্রির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টানা দ্বিতীয় ইংলিশ শিরোপা জয়ের অভিযান শুরু করবে আর্তেতার দল।
২২ বছর পরে প্রথমবারের মতো গানার্সরা প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে। আর্তেতা এই অবস্থান ধরে রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একইসাথে তিনি আর্সেনালের বেশ langfristige আধিপত্যের যুগ গড়ে তুলতে চান।
পেপ গার্দিওলা গত মৌসুমের শেষে পদত্যাগ করায় ম্যানচেস্টার সিটির সোনালি যুগের সম্ভাব্য অবসানের পর আর্সেনালের সামনে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের সময় উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গার্দিওলার অধীনে সিটিজেনরা ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে। ২০১৯ সালে আর্সেনালের দায়িত্ব নেওয়ার আগে স্প্যানিশ এই কোচের অধীনে সিটিতে কাজ করা আর্তেতার নিজের খেলোয়াড়দেরকেও সেই আধিপত্যের ধারার পুনরাবৃত্তি করার চ্যালেঞ্জ দিতে কোনো দ্বিধা নেই।
স্কাই স্পোর্টসকে তিনি বলেন, “বিশ্বের সেরা ক্লাব হওয়াই নিঃসন্দেহে ক্লাব ও মালিকদের উচ্চাকাঙ্খা। এটি করতে হলে আপনার সেরা সুযোগ-সুবিধা, সেরা স্টেডিয়াম, সেরা সমর্থক এবং বিশ্বের সেরা স্কোয়াড ও সেরা খেলোয়াড়দের প্রয়োজন।”
“বর্তমানে আমাদের যে খেলোয়াড়রা আছে এবং যাদের আমরা দলে আনতে চাই, তাদের নিয়ে আমরা সেটিই গড়ে তোলার চেষ্টা করছি, যাতে তারা আর্সেনালের জন্য পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।”
১৯৩০-এর দশকের পর থেকে টানা দুই মৌসুম ইংলিশ লিগ শিরোপা জিততে পারেনি আর্সেনাল। এমনকি আর্সেন ওয়েঙ্গারের ‘অপ্রতিরোধ্য’ দলও এই কীর্তি গড়তে পারেনি। ওয়েঙ্গারের সেই দলই ছিল আর্তেতার দলের আগে আর্সেনালের সর্বশেষ লিগ চ্যাম্পিয়ন।
আর্তেতা এই লক্ষ্যকে দলের জন্য অনুপ্রেরণার মন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। গত মৌসুমে পিএসজির কাছে পেনাল্টি শুটআউটে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে হারের যন্ত্রণা স্প্যানিশ কোচের প্রেরণাকে আরও উসকে দিয়েছে।
তিনি বলেন, “এটা খুব কঠিন। আপনাকে প্রতিটি দিক থেকেই নিজেদের মান আরও উঁচুতে তুলতে হবে। আমি যখন আমার খেলোয়াড়দের চোখের দিকে তাকাই, তখন সেখানে সেই আগুন, সেই আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিদিন আরও ভালো হওয়ার ইচ্ছা দেখতে পাই।”
প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা এখনও আর্তেতার দলের অন্যতম বড় আকাঙ্খা। তবে তার প্রধান লক্ষ্য ঘরোয়া ফুটবলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।
শিরোপা জয়ের জন্য বাজির বাজারে ফেবারিট হিসেবে বিবেচিত আর্সেনাল রোববার কমিউনিটি শিল্ডে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রমাণ করেছে, ট্রফি জেতার ক্ষুধা এখনও মেটেনি।
নিউক্যাসল থেকে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস এবং ক্লাব ব্রুজ থেকে গ্রিক উইঙ্গার ক্রিস্তোস জোলিসকে দলে ভেড়ানোর পর আর্সেনালকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী মনে হয়েছে। কমিউনিটি শিল্ডে তারা সিটিকে রীতিমতো ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, আর্তেতার দলবদলের ব্যয় এখনও শেষ হয়নি। অ্যাস্টন ভিলার ডিফেন্ডার এজরি কনসাকে দলে ভেড়ানোর প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে। এছাড়া এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের স্ট্রাইকার জুলিয়ান আলভারেজের সঙ্গেও আর্সেনালের যোগাযোগের খবর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চেস্টারের সুবারু পার্কে একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠের লড়াইয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়নি ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন ও ইন্টার মায়ামি। তবে ২-২ ড্রয়ের এই ম্যাচটি বেশ ঘটনাবহুলও হয়েছে।
ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে এক মারামারি ঘটে। যোগ করা সময়ে ১২ মিনিটের মাথায় দ্বন্দ্বে জড়ান ইয়ানিক ব্রাইট ও কাভান সুলিভান। এ ঘটনায় দুজনই লাল কার্ড দেখেন। কিন্তু ঘটনার শুরু হয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভানের বড় ভাই কুইন সুলিভানের সঙ্গে মায়ামির ইয়ান ফ্রের বাদানুবাদের মাধ্যমে। তাদের এই বাগবিতণ্ডার ফলে ব্রাইট ও কাভান ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হয়ে যান, ফলে রেফারি তাদের দুজনকেই লাল কার্ড দেখান। অপরদিকে কুইন একটি হলুদ কার্ড পান।
এর আগে কুইন লিওনেল মেসির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়াতে পেরে ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার যখন মেসির বুকে আলতো স্পর্শ করেন, তখন আর্জেন্টিনার তারকা মেসি কুইনকে চড় মারেন। পরক্ষণে কুইন মেসির দিকে তেড়ে যান এবং দুজনের মধ্যে মাথা ঠুকাঠুকি ও তর্কাতর্কি শুরু হয়। তখন রেফারি এসে দুজনকে আলাদা করেন। তবে এই বাদানুবাদের কারণ এখনও জানা যায়নি।
এই ম্যাচের ১১ মিনিট আগে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে ফিলাডেলফিয়া একটি গোলের এগিয়ে যায়। ২১ মিনিটে মেসির সহায়তায় দানিয়েল পিন্টার গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান। মাত্র ৫ মিনিট পরে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি আসে, যখন ফিলাডেলফিয়ার বক্সে মার্কিংয়ের একজনকে কাটিয়ে বাঁয়ের পায়ের বাঁকানো শট দিয়ে গোল করেন মেসি। এরপর তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বাবাকে স্মরণ করেন। কার্যক্রমটি ৫৮ মিনিটে নিল পিয়েরের গোলে ফিলাডেলফিয়ার সমতায় ফেরার মাধ্যমে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কারণ, জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পর্কে যে ঐকমত্য হয়েছিল, তা থেকে সরে আসা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতির পদ অলংকারিক হলেও রাষ্ট্রপতির জাতীয় সংকট এবং জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি সার্বজনীন ঐক্য ও আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট বিরাজমান, তার অন্যতম কারণ হলো দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে মুক্তির জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে বিএনপিরও কোন নোট অব ডিসেন্ট ছিল না। ইসলামী আন্দোলন প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদে প্রতিষ্ঠিত ঐকমত্য অনুযায়ী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। তবে তা না হওয়ায় নির্বাচনে ভোট দেওয়া দলটির পক্ষে সমীচীন মনে হচ্ছে না।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদে ঐকমত্যের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ‘রাষ্ট্রপতি’ শিরোনামে ধারা-১০-এ উল্লেখ রয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। এ বিষয়ে বিএনপিও একমত ছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, ধারা-২৮-এ জাতীয় সংসদে দলটির বিরুদ্ধে ভোটদানের প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থাভোট ছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন বলে উল্লেখ রয়েছে। এই বিষয়েও বিএনপিসহ সবাই একমত ছিল এবং কোন নোট অব ডিসেন্ট ছিল না।
তবে গাজী আতাউর রহমান অভিযোগ করেন যে, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ