১০:০৬ পি.এম
তালতলী শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
চারদিন পর শুক্রবার দুপুরে তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফাড়িতে আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা নৌ-ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র।
এমন ঘটনায় তিন পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। একমাত্র ছেলে আসাদুলকে হারিয়ে দিশেহারা মা মরিয়ম বেগম। জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
গত সোমবার তালতলীতে তার এক ভগ্নিপতির বাড়ীতে বেড়াতে যায় আসাদুল। পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ, শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনে যায়। ওইদিন দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে।
এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনার চারদিন পর শুক্রবার দুপুরে নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ ডিসি পয়েন্টের চরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা নৌ পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়।
আসাদুল আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। আগামী ২০ জুলাই তার ফল প্রকাশিত হবে। অপর দিকে একই দিনে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ১৮ জন জেলেসহ সাগরে ইলিশ শিকার করতে যায়।
আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।
ওইদিন বিকেলে ট্রলার দুইটি সাগরে ডুবে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ বুধবার সকালে ডুবে যাওয়া ১৮ জেলের মধ্যে ১৬ জনকে একটি ফিসিং ট্রলার উদ্ধার করে কিনারে নিয়ে আসে। কিন্তু কালাম পাইকার ও শহীদুল খাঁন নামের দুই জেলেকে উদ্ধার করতে পারেনি।
শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের এখন খোজ মিলেনি বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ট কন্টিনেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম বলেন, চারদিন ধরে নিখোঁজ দুই জেলের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। কিন্তু এখনো তাদের কোন খোঁজ মিলেনি।
তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ফাড়িতে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন: মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে কাউনিয়ায় পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন