ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, সর্বনিম্ন মাদ্রাসায়


পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, সর্বনিম্ন মাদ্রাসায়

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ পাসের হার রয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ। অপরদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিবালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর রাজশাহী বোর্ডে ৬৩.৬৭ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৬৬.২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬০.৩৫ শতাংশ, সিলেট ৫৮.৩৩ শতাংশ, দিনাজপুর ৫৮.০৫ শতাংশ, ময়মনসিংহ ৫৭.৩৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮.২০ শতাংশ।

আরও পড়ুন: গ্রেড ফোরে হিফজ সম্পন্ন করলো রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৫ শিক্ষার্থী

এবার পরীক্ষার গড় পাসের হার কমে ৬২.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ, এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

এছাড়া ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ। গত বছরের গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ, পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এ বছর ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় জরুরি অবতরণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে গেল, রোগীর মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
অস্ট্রেলিয়া

স্যুটকেসে ‘মৃতদেহ’ পেয়ে তদন্ত, পরে জানা গেল পুতুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৯ পি.এম


স্যুটকেসে ‘মৃতদেহ’ পেয়ে তদন্ত, পরে জানা গেল পুতুল

অস্ট্রেলিয়ায় স্যুটকেসের ভেতরে একটি ‘মৃতদেহ’ পাওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। তবে ফরেনসিক পরীক্ষার পর জানা যায়, সেটি মানুষের দেহ নয়, বরং একটি পুতুল।

সিডনির প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ওলেন গ্রামের কাছে একটি রাস্তায় দুই ব্যক্তি স্যুটকেসটি দেখতে পান। পরে ওই ব্যক্তি বিষয়টি পুলিশকে জানান। সোমবার পুলিশ তখন ঘটনার তদন্তকে হত্যা মামলা হিসেবে ঘোষণা করেন, যা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়ে বলা হয়, স্যুটকেসের ভেতরের বস্তুটি যে মানুষের দেহাবশেষ নয়।

হিউম পুলিশ ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট লিন্ডা ব্র্যাডবেরি বলেন, স্যুটকেসের ভেতরের বস্তুটি দেখতে এতটা বাস্তবসম্মত ছিল যে, প্রথমে সেটিকে মানুষের দেহাবশেষ বলে মনে হয়েছিল। পুলিস জানায়, পুতুলটির পরনে পোশাক ছিল, মাথায় চুল ছিল এবং নাকে একটি ফোঁড়ও ছিল। শরীরে কালশিটে ও ঘষা লাগার মতো দাগও দেখা গেছে।

ব্র্যাডবেরি বলেছেন, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও তদন্তকারীরা রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরীক্ষা এবং তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

সুপারিনটেনডেন্ট লিন্ডা ব্র্যাডবেরি আরো বলেন, অপরাধস্থলে পরিবেশ যতটা সম্ভব অক্ষত রাখা তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর ফলে ঘটনাস্থলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করা হয়নি। এর কয়েক ঘণ্টা আগে সাংবাদিকদের ব্র্যাডবেরি বলেছিলেন যে, স্যুটকেসটি পাওয়া দুই ব্যক্তির জন্য ঘটনার বিষয়টি ছিল বেশ ভীতিকর। ঘুরতে বেরিয়ে তারা বিশ্রামের জন্য রাস্তার পাশে থেমেছিল। সেখানেই তারা স্যুটকেসটি দেখতে পান।

ব্র্যাডবেরি বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে ওই দুই ব্যক্তি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। স্যুটকেসের ভেতরের বস্তুটি যে মানুষের দেহাবশেষ নয়, এ কথা জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও তিনি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত এখন সমাপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেখা হল না এক মাস বয়সি কন্যার মুখ, ভিন দেশে পুড়ে মরলেন শামীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


দেখা হল না এক মাস বয়সি কন্যার মুখ, ভিন দেশে পুড়ে মরলেন শামীম

সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে ৮ মাস আগে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। একজন সন্তানের জন্ম হয় ১ মাস আগে।

মৃত্যুর খবর শোনার পর স্ত্রীর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মিতু বেগম। পরিবারের অপেক্ষার প্রহর চলছে সন্তানকে দেখার জন্য।

নিহত শামীম হোসেনের বাসস্থান নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মো. জাকির হোসেন।

মাত্র ৫ বছর আগে পার্শ্ববর্তী হালতি খোলাবাড়িয়া এলাকায় মিতু নামে এক মেয়েকে বিয়ে করেন শামীম হোসেন। সন্তান না হওয়ায় অনেক ডাক্তার-কবিরাজ দেখানো হয়। দীর্ঘ চার বছর পর স্ত্রী সন্তানসম্ভবা হন।

সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে রেখে শামীম প্রবাস জীবনে যায়। কন্যার জন্মের আনন্দে বিদেশে আত্মহারা ছিল শামীম। দেশে ফিরে একমাত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে আদর করার অনেক স্বপ্ন ছিল তাঁর। কিন্তু এখন ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আর সেই আদর করার সুযোগ নেই।

নিহতের মা শাহীনুর বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছেন, "সরকারের কাছে আবেদন করছি, আমার সন্তানের লাশটা দ্রুত ফেরত দেন। অনেক আশা নিয়ে সৌদিতে গিয়েছিল। আমার এক মাস বয়সী নাতনি তার বাবার জীবিত মুখটা দেখতে পেল না। সরকার যেন তার ভবিষ্যতের জন্য কিছু করে দেয়।"

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান খান জানিয়েছেন, ঘটনার পর জেলা প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। নিহত পরিবারের সদস্যদের সমাবেদনা জানাতে তাদের বাড়িতে রওনা দেওয়া হয়েছে। নিহত পরিবারের যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা করা হবে। মরদেহগুলো পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার কাজ শুরু করেছে।

সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় কর্মরত অবস্থায় আগুনে পুড়ে নাটোরের নলডাঙ্গার তিন প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা ইউনিয়ন শ্রীপুরপাড়া গ্রামের মো. রাব্বানীর ছেলে সাব্বির হোসেন শুভ, দিঘীরপাড় এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে শামীম হোসেন এবং মহিষডাঙ্গা এলাকার আসলাম শেখের ছেলে রবিউল আউয়াল হৃদয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের শিখন-পাঠদান মনিটরিং হবে আইটি ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে : ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


প্রাথমিকের শিখন-পাঠদান মনিটরিং হবে আইটি ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে : ববি হাজ্জাজ

দেশের সমস্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের মানোন্নয়ন, শিখন ঘাটতি চিহ্নিতকরণ ও সার্বিক শিক্ষাদান কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে তদারকির উদ্দেশ্যে সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ ‘আইটি ইকোসিস্টেম’ চালু করতে যাচ্ছে।

এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ রূপরেখা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হবে। যার মাধ্যমে শিক্ষকরা ঠিকমতো পাঠদান করছেন কি না এবং শিক্ষার্থীরা কতটুকু বিষয়টি অনুধাবন করতে পারছে তার রিয়েল-টাইম মনিটরিং নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এমপি সচিবালয়ে তাঁর নিজ দফতরে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকারে তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, শতভাগ মানসম্পন্ন মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ, প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ, প্রাথমিকের বিষয়ভিত্তিক ভীতি দূরীকরণে কারিকুলাম পরিমার্জনের উদ্যোগ এবং নতুন শিক্ষক নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আইটি ইকোসিস্টেম ও ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের অকার্যকর ও বিচ্ছিন্ন কেনাকাটার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি বলতে কেবল ল্যাপটপ বা ট্যাব কেনার বিষয়টি নয়, বরং একটি সমন্বিত ডিজিটাল শিখন ও পাঠদান তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ ‘আইটি ইকোসিস্টেম’ তৈরি করছি, যেখানে প্রতিটি শিক্ষকের হাতে একটি করে ‘ট্যাব’ থাকবে। এটি একটি সুসংহত কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কোনো শ্রেণিকক্ষে সিলেবাস শেষ হতে সমস্যা হচ্ছে কি না কিংবা শিক্ষার্থীরা কোথায় বুঝতে পারছে না তা তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হবে।’

তিনি জানিয়ে দেন, শিগগিরই এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে এবং তা আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সারাদেশে সম্প্রাসারিত হবে।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে সরকারের প্রথম ১৮০ দিন বা ৬ মাস পূর্তি উপলক্ষে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারটি মূলত পাঁচ বছরের জন্য জনগণের কাছে দেওয়া একটি সামগ্রিক প্রতিশ্রুতি। তবে প্রথম ছয় মাসে যতটুকু কাজ শুরু এবং বাস্তবায়ন করা সম্ভব, তার সবই আমরা করেছি। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ৩৭টি ইশতেহার সংক্রান্ত বিষয়ের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পর্যালোচনায় দেখা গেছে- প্রতিশ্রুতির বেশিরভাগের অগ্রগতি ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফলাফল দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘একটি দক্ষ টিমের মাধ্যমে অত্যন্ত গতিশীলতার সঙ্গে কাজ চলছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ইশতেহারের মূল বিষয়গুলো শতভাগ অর্জন সম্ভব হবে।’

তিনি স্কুল মিড ডে মিল কর্মসূচির গুণগত মান নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে সারপ্রাইজ ভিজিট এবং ‘মাদারস কমিটি’ সক্রিয় করার মাধ্যমে খাবারের মান তদারকি করা হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে ‘জিরো ডিফেক্ট’ বা শতভাগ ত্রুটিমুক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ প্রকল্পের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার আশঙ্কাজনক নয়, বরং প্রাথমিক শেষ করে মাধ্যমিকে যাওয়ার সময় কিছু ঝরে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে যে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে, সেখানে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির হার পরিচিতভাবে বেড়েছে। ‘লার্নিং উইথ জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করায় অচিরেই প্রাথমিক স্তরে ‘ঝরে পড়া’ শব্দটির অস্তিত্বই থাকবে না। অর্থাৎ, প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সহজ কারিকুলাম ও আনন্দময় শিক্ষা সম্পর্কে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়ভিত্তিক ভীতি দূর করার জন্য বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কারিকুলামের কাঠিন্য দূর করার কাজ চলছে। মূল লার্নিং লক্ষ্যসমূহ অপরিবর্তিত রেখে শিক্ষাবিদ ও কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি শ্রেণিতে বিষয়ভিত্তিক কাঠিন্য দূর করে আনন্দময় পদ্ধতিতে পড়ার ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরে ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও নাগরিক শিক্ষাকে কারিকুলামের সঙ্গে ব্যাপকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা চলছে।

এছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট ও পদোন্নতির জটিলতা নিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি পে-স্কেল ও গ্রেড সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির বিষয়টি সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-এর এখতিয়ারভুক্ত। তিনি বলেন, আমরা ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছি। পিএসসি থেকে এই সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরই খালি হওয়া পদগুলোতে দ্রততম সময়ের মধ্যে নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ওপর উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোল উদযাপন করতে গিয়ে টানেলে পড়ে আহত ব্রাজিলিয়ান, ভাইরাল ভিডিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


গোল উদযাপন করতে গিয়ে টানেলে পড়ে আহত ব্রাজিলিয়ান, ভাইরাল ভিডিও

গোল করে সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন করতে গিয়ে স্টেডিয়ামের টানেলে পড়ে আহত হন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার জাসি মারানহাও। তবে চোটের কষ্টের সঙ্গে তার জন্য আরও বড় হতাশা এসেছে, কারণ অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে তার করা গোলটি।

ঘরের মাঠ কৌতো পেরেইরা স্টেডিয়ামে শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচে কোরিতিবার হয়ে খেলছিলেন জাসি মারানহাও। সেই ম্যাচে জাসি মারানহাও বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত হেডে গোল করে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে মাতান।

গোল করার পরপরই এই ডিফেন্ডার সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন করতে ছুটে যান। প্রথমে বলটি জার্সির ভেতর লুকিয়ে তিনি বিজ্ঞাপনী বোর্ডের দিকে এগিয়ে যান। তারপর বোর্ড টপকে মাঠের ওপারে যাওয়ার জন্য লাফ দেন। কিন্তু সেখানেই ঘটে বিপত্তি।

যেখানে লাফ দিয়েছিলেন, সেই জায়গায় স্টেডিয়ামের প্রবেশপথের একটি টানেল ছিল। ফলে মারানহাও মাটিতে না পড়ে সরাসরি টানেলের ভেতরে পড়ে যান। কয়েক সেকেন্ডের জন্য তিনি ক্যামেরার দৃষ্টির আড়ালে চলে যান। কী ঘটছে তা বুঝতে কাছাকাছি থাকা সবাইও ছুটে আসেন।

পরবর্তীতে মারানহাও নিজে চেষ্টার মাধ্যমে টানেল থেকে বেরিয়ে এলেও ব্যথায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। গোল উদযাপনের আনন্দ মুহূর্তের মধ্যেই দুশ্চিন্তায় পরিণত হয়।

তবে ম্যাচের পর তার জন্য অপেক্ষা করছিল আরও বড় ধাক্কা। ভিডিও রিভিউয়ের পর দেখা যায়, গোলের সময় মারানহাও অফসাইডে ছিলেন। ফলে তার গোলটি বাতিল করা হয়। অর্থাৎ যে গোল উদযাপন করতে গিয়ে তিনি চোট পান, শেষ পর্যন্ত সেই গোলের স্বীকৃতিও পাননি।

তথাপি, মারানহাওয়ের দল কোরিতিবা শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে। তবে গোল বাতিল হওয়া এবং অদ্ভুতভাবে চোট পাওয়ার ফলেই রাতটি ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের জন্য একটি দুঃস্বপ্নের অভিজ্ঞতার মতো হয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%