ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিনাইদহে কৃষক হত্যা মামলায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন সাজা


ঝিনাইদহে কৃষক হত্যা মামলায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন সাজা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কৃষক নায়েব আলী হত্যা মামলায় আদালত ছেলের জন্য মৃত্যুদণ্ড এবং তার বাবার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জেলা জজ মাসুদ আলী এ দণ্ডাদেশ দেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

দণ্ডিতরা হলেন- একই গ্রামের ইউনুছ আলী পাটোয়ারী (৫৬) এবং তার ছেলে আল-আমিন পাটোয়ারী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের কারণেই ২০২৫ সালের ২৮ মে কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট গ্রামের কৃষক নায়েব আলীকে পিটিয়ে হত্যা করেন প্রতিবেশী ইউনুছ আলী ও তার ছেলে আল-আমিন।

এই ঘটনার পরে নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে, অজ্ঞাত আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ আগস্ট ছেলে আল আমিন এবং পিতা ইউনুছ আলীকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার মাত্র সাত কার্যদিবসে ওই মামলায় ছেলে আল-আমিনকে ফাঁসি এবং বাবা ইউনুছ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ছেলের জন্য ৫০ হাজার এবং বাবার জন্য ২০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও বাড়াবে এমএসএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


বাংলাদেশে মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও বাড়াবে এমএসএফ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মেডিসিন্স স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) এর আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয় বাংলাদেশে এমএসএফ’র চলমান মানবিক ও চিকিৎসা কার্যক্রম, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সংকটে চিকিৎসা সহায়তা এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে।

বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশের মানবিক ও চিকিৎসাসেবা প্রদানে এমএসএফ’র ভূমিকার দীর্ঘস্থায়ী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মানবিক সংকটের সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে।

আলোচনায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে দুর্যোগ, বাস্তুচ্যুতি, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির জন্য কার্যকর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

এমএসএফ’র বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম এবং তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা, মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের কার্যক্রমের সম্ভাবনা সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করে।

বৈঠকে মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য ও মানবিক খাতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, জরুরি চিকিৎসাসেবায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

এমএসএফ’র আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইম বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম এবং মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংস্থাটির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে এমএসএফ’র আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইম, বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এলকো ব্রুমেলম্যান, মালয়েশিয়া মিশনের রিজিওনাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স লিড আনা আনসারি এবং বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাডভাইজার ইমামুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশে মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে এমএসএফ’র কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গভবন ছাড়লেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


বঙ্গভবন ছাড়লেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবন ত্যাগ করেন।

এই সময় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে বিদায় জানান।

বিদায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। এরপরে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিদায়ী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বঙ্গভবনে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে দেশের তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিবসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায় নেওয়ার আগে হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সরকারের সাফল্য কামনা করেন। পরে তিনি নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবন এলাকা ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান হাই কমিশনের বাইরের নিরাপত্তা স্থাপনা উচ্ছেদ করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


পাকিস্তান হাই কমিশনের বাইরের নিরাপত্তা স্থাপনা উচ্ছেদ করল ভারত

কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তান হাই কমিশনের বাইরে গড়ে ওঠা একাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। নিরাপত্তা বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি, মিশন প্রাঙ্গণের অনুমোদিত সীমানার বাইরে তৈরি করা অস্থায়ী কাঠামো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে সংশ্লিষ্ট মহল পাকিস্তানের সাম্প্রতিক এক পদক্ষেপের বিপরীতে ভারতের সরাসরি জবাব হিসেবেই দেখছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনিক সংস্থাগুলো একটি জেসিবি বুলডোজার নিয়ে পাকিস্তান হাই কমিশন এলাকায় অভিযানে নামে। তারা মিশনটির বাইরের সুরক্ষামূলক মেটাল ট্রাফিক বোলার্ড, ব্যারিকেড এবং বিশেষ করে ভিসা সেকশনের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর জন্য তৈরি কিউ-ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। অভিযানের পর পর দেখা যায়, হাই কমিশনের পেছনের ও পাশের গলি জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা ধাতব রিলিং, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ফ্রেম ও কংক্রিটের টুকরো। বেশ কিছু সেবামূলক জানালার পাশের প্ল্যাস্টার খসে পড়েছে এবং ঢাকা টিন ও তারের বেড়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। তবে পাকিস্তান হাই কমিশনের মূল গেট এবং তার ঐতিহ্যবাহী গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপত্য অক্ষত রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এর ঠিক তিন দিন আগে ইসলামাবাদে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের বাইরের সুরক্ষামূলক নিরাপত্তা ব্যারিকেড অপসারণ করেছিল পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। সেই ঘটনারই সরাসরি প্রতিক্রিয়ায় নয়াদিল্লি এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীর ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্য নিয়েও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর শ্রীনগর সফরকালে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আখ্যা দেন এবং স্থানীয় সার্বিক পরিস্থিতির প্রশংসা করেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্যে ইসলামাবাদ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। পরদিনই পাকিস্তান মার্কিন ভারপ্রাপ্ত চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকারকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ লিপি পাঠায়। কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সেই একই সময়ে ভারতীয় প্রশাসনিক সংস্থাগুলো পাকিস্তান হাই কমিশনের সীমানা বহির্ভূত বেষ্টনী ভাঙতে উদ্যোগ নেয়। যদিও ভারতের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একে শুধুই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বলে দাবি করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের পর ‘জঘন্য প্রচারণা’ ছড়ানো ব্যক্তিদের সমালোচনা আর্জেন্টিনা ফুটবল সভাপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


বিশ্বকাপের পর ‘জঘন্য প্রচারণা’ ছড়ানো ব্যক্তিদের সমালোচনা আর্জেন্টিনা ফুটবল সভাপতির

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা খোয়ানোর এক মাস পূর্ণ হয়েছে গতকাল (১৯ আগস্ট)। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্ল Claudio তাপিয়া ফাইনাল ম্যাচের পর জাতীয় দলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘জঘন্য প্রচারণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাপিয়া একই সঙ্গে মিথ্যা বয়ান প্রচার করা ব্যক্তিদের তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দায় স্বীকার করার আহ্বান করেছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক চিঠিতে তাপিয়া মূলত সেইসব বক্তব্যের সমালোচনা করেন, যেখানে ম্যাচে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তিনি বলেন, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের পর এমন একটি ‘ঘৃণ্য প্রচারণা’ চালানো হচ্ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল বোঝানো যে আর্জেন্টিনা ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচটি পরিত্যাগ করেছিল।

কয়েক দিন আগে ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনা মন্তব্য করেছিলেন, ফাইনালের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে এমনকি তার নিজের মা-ও তাকে প্রশ্ন করেছিলেন।

তাপিয়া অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তোলেন, যারা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে এসব বক্তব্য প্রচার করে গেছেন। তিনি লেখেন, ‘সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এক মাস পেরিয়ে গেলেও তাদের কেউ ক্ষমা চায়নি। কেউ এসে বলেনি, “আমরা ভুল করেছি।” নিজেদের দায় স্বীকার করার মতো সততা, মর্যাদা কিংবা নিছক সাহস কোনোটিই তাদের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, যখন আর্জেন্টিনা মাঠে বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলছিল, তখন মাঠের বাইরে ভিন্ন একটি বয়ান নির্মাণ করা হচ্ছিল। কিন্তু এই প্রসঙ্গে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

তাপিয়ার ভাষায়, ‘যখন আমাদের খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছিল, তখন বাইরে কেউ কেউ ঠিক তার বিপরীত কাজ করছে, ঘৃণা ছড়াচ্ছে, বিভাজন তৈরি করছে, অপমানজনক প্রচারণা চালাচ্ছে এবং এমন একটি জাতীয় দলের ভাবমূর্তি ধ্বংসের চেষ্টা করছে, যে দলটি লাখো মানুষের সম্মান অর্জন করেছে।’

আর্জেন্টাইন ফুটবলের উচ্চপদস্থ কর্তা জোর দিয়ে বলেন, সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এই বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত নয়। তিনি লেখেন, ‘শুধু নীরব থাকাই যথেষ্ট নয়। সময় পার হওয়ার অপেক্ষা করাও যথেষ্ট নয়। বিষয় পরিবর্তন করে এমন আচরণ করাও যথেষ্ট নয়, যেন কখনো কিছু বলা হয়ইনি।’

তিনি সতর্ক করে দেন, এসব অভিযোগের বাস্তব পরিণতিও রয়েছে।

তাপিয়ার বক্তব্যের সবচেয়ে কঠোর অংশগুলোর একটি ছিল খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলার পর আর পেছনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’ কোনো প্রমাণ ছাড়াই দলের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা ব্যক্তিদের কাছে তিনি ব্যাখ্যা দাবি করেন।

যারা এসব অভিযোগ তুলেছেন, তাদের মূল্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাপিয়া। তিনি বলেন, ‘এসব করার পর তারা কীভাবে বাড়ি ফেরে? কীভাবে নিজেদের সন্তানদের চোখের দিকে তাকিয়ে তাদের সততা, সম্মান ও মর্যাদার কথা বলে?’

সবশেষে বিশ্বকাপ ফাইনালে অংশগ্রহণকারী পুরো দল, কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফ এবং খেলোয়াড়দের প্রতি সমর্থন জানান তাপিয়া। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘যারা নিজেদের সবটুকু দিয়েছে, তাদের কিছুই ব্যাখ্যা করার নেই। যারা মিথ্যা বলেছে, ব্যাখ্যা তাদেরই দিতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%