মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ পি.এম
নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিধ্বংসী পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম এলাকায় দিন-রাত একটানা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন নেপালের প্রথম নারী হেলিকপ্টার ক্যাপ্টেন প্রিয়া অধিকারী। ৪১ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ পাইলট মাত্র ৬ দিনে প্রায় ১০০টিরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ধার মিশন সম্পন্ন করেছেন। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রসুয়া জেলার তিমুরে এলাকায় তিনি ক্রমাগত হেলিকপ্টার উড্ডয়ন করে জীবিতদের উদ্ধার ও মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের অ্যান্ডারসন কুপারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রিয়া অধিকারী এই উদ্ধার কাজকে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের চেয়েও এই দুর্যোগ মোকাবেলা করা বেশি জটিল হয়ে পড়েছে, কারণ ধ্বংসযজ্ঞের বড় একটি অংশ নদীর সংকীর্ণ উপত্যকায় সীমাবদ্ধ।
পরিবেশ বিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষে, প্রিয়া প্রথমে ক্যাবিন ক্রু হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে একটি হেলিকপ্টার জয়রাইড তার মনে বৈমানিক হওয়ার স্বপ্ন জাগায়, যা তাঁকে ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহিত করে। প্রয়োজনীয় ফ্লাইং আওয়ার সম্পন্ন করে ২০১৭ সালে তিনি পূর্ণকালীন পাইলট হন এবং পরবর্তীতে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে উদ্ধার অভিযানে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি প্রায় ৬২০০ মিটার উচ্চতা থেকেও আহত পর্বতারোহীদের নিরাপদে উদ্ধার করেছেন।
বর্তমানে তিঙ্কুরে এলাকায় প্রায় ২০টি হেলিকপ্টার অত্যন্ত অল্প আকাশসীমায় একযোগে কাজ করছে। কোনো কোনো সময় ৫ থেকে ৬টি হেলিকপ্টারকে একসাথে ল্যান্ড করতে হয়, যার জন্য পাইলটদের রেডিও বার্তার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে হচ্ছে। পাহাড়ের কাদা ও মাটির ওপর থেকে স্থানগুলোকে স্বাভাবিক মনে হলেও নিচে প্রকাণ্ড কাদা-ঝুঁকি থেকে যায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাদা এতই অস্থিতিশীল যে ইঞ্জিনের ক্ষমতা চালু রেখেই ক্ষিপ্রতার সাথে জীবিতদের বিমানে তুলতে হচ্ছে।
আকাশ থেকে দেখা ভয়াবহ দৃশ্য সম্পর্কে প্রিয়া বলেন, চারপাশে লাশের স্তূপের মাঝেই অনেককে বাঁচার আকুতি নিয়ে হাত নাড়তে দেখেছেন। প্রথম দুই দিনেই তিমুরে এলাকা থেকে ২০০ জনের বেশি মানুষকে নেপাল সেনাবাহিনীর অগাস্টা হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রিয়া বলেন, প্রতিবার যখন আমি অবতরণ করি এবং মানুষজনকে হাত নাড়তে দেখি, আমি শুধু তাদের বলি; আপনারা বেঁচে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়, যার মধ্যে ছিল র্যালি, বৃক্ষরোপণ এবং আলোচনা সভার মতো বিভিন্ন কর্মসূচি।
কর্মসূচির শুরুতে গাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান এবং সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের (সিরডাপ) মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখর কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদ চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন।
এরপর অনুষদীয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে র্যালিটি বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। র্যালির সময় শিক্ষার্থীরা গ্রামীণ জনজীবন ও পল্লি উন্নয়ন বিষয়ক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে ধারণ করে।
র্যালি শেষে বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরডাপের মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখর।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহিদুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ, রেজিস্ট্রার মো. আবদুল্লাহ্ মৃধা, সিরডাপের মানবসম্পদ ও প্রশাসন শাখা প্রধান এফ.এ.এম জাকিরুল হক, গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. মনিরা পারভীন মুন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করেন উপাচার্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মাউড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে শ্রী সন্ধ্যা রানী (১৩) নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। এখনো তার খোঁজ মিলেনি। সে মাউড়া এলাকার শ্রী পরেশ ও শ্রী কুসুলী দম্পতির ৩ মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে তৃতীয় সন্তান। নিখোঁজ শ্রী সন্ধ্যা রানী স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এবিষয়ে সন্ধ্যার বাবা পহেলা সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে নকলা থানায় একটি সাধারন ডায়েরি (জিডি) করেছেন, জিডি নং: ২০। জিডি সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার গায়ের রং ফর্সা, উচ্চতা ৪ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন প্রায় ৩৮ কেজি। হারানোর সময় তার গায়ে সাদা রঙের জামা, কালো রঙের পাজামা ও গাঢ় নীল রঙের ওড়না ছিলো।
মঙ্গলবার সরজমিনে দেখাযায় সন্ধ্যা রানীর বাবা-মা সন্তান হারানোর বেদনায় কাতর। কথা বলতে গিয়ে তারা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। পরিবার, সূত্রে জানা গেছে, শ্রী সন্ধ্যা রানী মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গরমের কারনে পড়ার টেবিল থেকে উঠে ঘরের বাহিরে বের হয়। এরপরে ঘরে ফিরতে দেড়ি দেখে তার মা সন্ধ্যার নাম ধরে ডাকতে থাকেন। ডাকের সাড়া না পেয়ে পরিবারের সবাই তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য সকল জায়গায় সারা রাত খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় নিখোঁজ হওয়ার জিডি করেন সন্ধ্যার বাবা পরেশ।
এবিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট নকলা উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী নয়ন চন্দ্র শীল জানান, আমরা বিষয়টি রাতে শুনেছি এবং রাতেই নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বাবা-মাসহ পরিবারের সবার সাথে দেখা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর ভরসা করার পরামর্শ দিয়েছি। বিষয়টি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেওয়ার পরে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের পক্ষ থেকে হারানো বিষয়ক একটি জিডি করা হয়েছে। স্কুল পড়ুয়া সম্পূর্ণভাবে সুস্থ্য-সবল একটি মেয়ে হারানোর ঘটনাটি অপহরণ না-কি প্রেম সংশ্লিষ্ট কোন বিষয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। ঘটনাটি অপহরণ বিষয়ক হলে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুতই শিক্ষার্থী শ্রী সন্ধ্যা রানীকে উদ্ধার করাসহ অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাছাড়া প্রেম সংশ্লিষ্টতার কারনে স্বেচ্ছায় পালিয়ে গিয়ে থাকলেও মেয়ে অপ্রাপ্ত হওয়াতে প্রচলিত আইন বহির্ভুত হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চয়ই নিখোঁজ সন্ধ্যাকে উদ্ধার করবেন। এক্ষেত্রে সন্তান হারানো পরিবারকে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শমূলক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।’
এবিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ.এম রেজাউল করিম জানান, শ্রী সন্ধ্যা রানী অষ্টম শ্রেণির একজন নিয়েমিত শিক্ষার্থী ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে। তবে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সে স্কুলে আসেনি বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।
থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মাউড়া এলাকার শ্রী পরেশের মেয়ে শ্রী সন্ধ্যা রানী (১৩) নিজ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মঙ্গলবার থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারে ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়ে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানীয় ভাবেও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রটি জানায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কেইংলেটের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের বারিধারায় কূটনৈতিক এলাকায় ফিলিপাইন দূতাবাসে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তাইয়েবা তাসনীম সিরাজ এ তথ্য জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি গুণগত শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে টেকনিক্যাল, হেলথকেয়ার ও ট্যুরিজম এডুকেশনে ফিলিপাইনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে বিশেষ করে ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপিন্সের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে তাঁদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নার্সিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিপাক্ষিক বিনিময় কর্মসূচি চালু এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ফিলিপাইনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে স্কলারশিপ বা বৃত্তির ব্যবস্থা সম্প্রসারণের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত। এছাড়া হেলথকেয়ার, নার্সিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, আইসিটি ও পর্যটন খাতে ফিলিপাইনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ প্রশিক্ষণ ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালুর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
সাক্ষাৎকালে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কার কার্যক্রম ও একাডেমিক পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে ফিলিপাইনের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময় আমাদের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল একাডেমিক নেটওয়ার্ক এবং দেশের শিক্ষা বিস্তারে এর ভূমিকার প্রশংসা করেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত। শিক্ষা ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সহযোগিতায় ফিলিপাইন সরকার পাশে থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেমসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং ফিলিপাইন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার শেষে উভয় পক্ষ পরস্পরের হাতে স্মারক সম্মাননা তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (গ্রস) বর্তমানে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
আজকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ ৩২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার হিসাবে গণনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ