মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার চীন সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, এই সফরের সময় তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি এর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রেক্ষাপটে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার বেইজিংয়ে ওয়াং ই ও আরাগচির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। চীন ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের অবসানে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।
গত সপ্তাহে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে ওয়াং ই ও আরাগচি অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তাদেরকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আলাপ করতে দেখা যায়।
এছাড়া, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীন বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করে থাকে। হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের অবরোধ এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে চীনের অর্থনীতির ওপর চাপ পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নাগরিকদের ওপর আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো চীনা নাগরিক বিদেশে গিয়ে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বা স্বার্থের ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে দেশে ফেরার পর সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করলেও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা রয়েছে।
চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্যই এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, বিদেশে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বেইজিং এই ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারে। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক টম কেলগের মতে, সরকারের সমালোচনা ঠেকাতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অনেকের পাসপোর্ট আটকে রাখছে।
অন্যদিকে, সরকারি সংস্থাগুলোর দাবি, অবৈধ জুয়া, সাইবার জালিয়াতি ও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার হাত থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতেই এসব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চীনা নাগরিকদের একটি অংশ অঘোষিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ করে আসছেন। ‘পিপি’ নামে পরিচিত এক তরুণ জানান, ২০১৯ সালের হংকংয়ের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর ২০২৩ সালে তাঁর পাসপোর্টের আবেদন বাতিল করা হয়। তাঁকে কোনো লিখিত কারণ জানানো হয়নি। কর্মকর্তারা শুধু মৌখিকভাবে জানান, তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও জেলে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি শেষ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে জানান। অনেক নাগরিকের অভিযোগ, তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি না, তা আগে থেকে জানার কোনো সুযোগ নেই। পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা বা বিমানবন্দরে যাওয়ার পরই অনেক ক্ষেত্রে তারা জানতে পারেন যে, তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা সেফগার্ড ডিফেন্ডার্সের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনে নাগরিকদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৬ সালে চীনের সর্বোচ্চ আদালতের নথিতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার মাত্র ৮৯টি রেকর্ড ছিল। গত বছর সেই সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সীমান্ত কর্মকর্তাদের আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সরকারি চাকরিজীবী ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অনেক আগে থেকেই পাসপোর্ট জমা রাখতে হয় এবং বিদেশ ভ্রমণের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশ ভ্রমণে এসব ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অধীনে চীনে বাড়তে থাকা কঠোর মতাদর্শিক নিয়ন্ত্রণেরই প্রতিফলন। তাঁদের মতে, এর ফলে মাও সে তুংয়ের আমলে বিশ্বের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা চীনের সেই সময়ের স্মৃতি আবারও সামনে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অফিসকক্ষের ছাদের ওপর একটি টিনের ছাপরা নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে ঠাসাঠাসি করে বসে পাঠ নিচ্ছে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। তীব্র গরমের কারণে তাদের হাঁসফাঁস অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি এলে ভিজতে হচ্ছে তাদের। অথচ ২০ লাখ টাকায় নির্মিত নতুন ভবনের সব শ্রেণিকক্ষ দোকানঘর হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট মাতাব্বরনগর দারুচ্ছুনাত ফাজিল মাদরাসার।
মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে উপজেলার মাতাব্বরহাট এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে ২০১৩ সালে মেঘনা নদীর ভাঙনে প্রতিষ্ঠানটি ফজুমিয়ারহাট এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে ২৮ জন শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
সূত্র জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহায়তায় ২০ লাখ টাকায় ছয় শ্রেণিকক্ষ বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর ওই ছয়টি শ্রেণিকক্ষসহ মোট ৯টি কক্ষ মাসিক তিন হাজার টাকা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে তিন বছরে প্রায় ১০ লাখ টাকা ভাড়া ওঠে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুরনো বাঁশ, কাঠ ও টিন দিয়ে ছাদে ঠাসাঠাসি করে শিক্ষার্থীদের বসিয়ে তিন ক্লাসের পাঠদান চলছে। ষষ্ঠ শ্রেণির ক, খ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান চলছে ছাদে ছাপড়ার নিচে। তিন ক্লাসের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পাঠ নিচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, রোদের তীব্রতায় ছাদে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে যায়। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে ক্লাস বন্ধ করে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। নইলে ভিজতে হয়। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এলাকার অভিভাবক ও বিশিষ্টজনদের না জানিয়ে গোপনে নিজের পছন্দের লোক নিয়ে গভর্নিং বডি গঠন করেছেন অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোছাইন। তিনি মাদরাসার শ্রেণিকক্ষও ভাড়া দিয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ভাড়া ও মাদরাসার অভ্যন্তরীণ আয়ের কোনো টাকাই শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বা মাদরাসার উন্নয়নে ব্যয় করা হচ্ছে না বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
অভিভাবকরা বলছেন, ছাদে রোদের তাপে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ নেওয়া কঠিন। আবার বৃষ্টি হলে টিনের ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে। এতে দিনদিন শিক্ষার মান খারাপ হচ্ছে। বিগত কয়েক বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক না হওয়ায় অভিভাবকরা ছেলে-মেয়েদের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাচ্ছেন।
তাদের অভিযোগ, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে প্রতিষ্ঠানটি ডুবে যাচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও গভর্নিং বডির সভাপতির তদারকি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান দিনদিন খারাপ হচ্ছে।
অভিভাবক মো. আবদুর রব ও আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদরাসার নিজস্ব ভবনের শ্রেণিকক্ষ দোকান হিসেবে ভাড়া দিয়ে অধ্যক্ষ ওই টাকা কোন খাতে ব্যয় করছেন, তার কোনো হিসাব দিচ্ছেন না।
তাদের ভাষ্য, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শ্রেণিকক্ষ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। অথচ নিজস্ব ভবন থাকার পরও শিক্ষার্থীদের ছাদে ঠাসাঠাসি করে বসিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
এ ব্যাপারে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোছাইন বলেন, ‘এটা ঠিক যে, শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। ছাদের ওপর আরেক তলা করার জন্য প্রক্রিয়া চলছে। সেটা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে।’ নতুন ভবনের ৯টি কক্ষ ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
কমলনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি। তবে লক্ষ্মীপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘সরেজমিন গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা দেওয়া হবে।’
মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষ ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি জানতাম না। আপনার কাছে শুনলাম। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্যারিস সেন্ট জার্মেইর মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি চোট থেকে সেরে উঠেছেন এবং মাঠে ফিরতে প্রস্তুত। এটি পিএসজি শিবিরের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অলিম্পিক ডি মার্শেইর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচে প্রথম থেকে একাদশে দেখা যেতে পারে এই তারকা রাইট-ব্যাককে।
গত সপ্তাহে ব্রেস্টের বিপক্ষে লিগ ১-এর ম্যাচে খেলার সময় ৩৯তম মিনিটে তিনি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অলিম্পিক ডি মার্শেইর বিপক্ষে ম্যাচের জন্য সতর্কতামূলকভাবে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপের তথ্য অনুযায়ী, হাকিমি ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী সপ্তাহে নঁতের বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ২৬তম রাউন্ডের ম্যাচে মাঠে ফিরতে প্রস্তুত।
তবে পিএসজি গত সোমবার জানিয়েছে, তার ডান উরুতে কেবল সামান্য টান লেগেছে। আগামী দুই দিন চিকিৎসা নেবেন হাকিমি।
ফরাসি লিগে পিএসজি মার্সেইয়ের চেয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। মার্সেই আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে গ্রীষ্মকালীন দলবদলে নতুন খেলোয়াড় চুক্তিবদ্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
'ল্য ক্লাসিক' নামে পরিচিত পিএসজি এবং মার্সেইয়ের মধ্যকার ম্যাচটি ১৯৯০-এর দশকে খ্যাতি অর্জন করে। রুডি ভোলার এবং জর্জ উইয়ারের মতো তারকাদের আগমনে এক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সৃষ্টি হয়। ১৯৯৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা প্রথম ফরাসি দল মার্সেই, ২০১১ সালে কাতারি বিনিয়োগকারীদের দ্বারা পিএসজি অধিগ্রহণের পর থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তবে মাঠের ভেতরে ও বাইরে, উভয় ক্ষেত্রেই এই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখনো বিদ্যমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যা বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।" সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে ফ্রান্সের একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে স্পিকার এসব কথা বলেন। সাক্ষাতে ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সংসদীয় ককাস ও মৈত্রী গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠিত হলে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো ত্বরান্বিত হবে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতে ফরাসি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান ও খননে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এ সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, "বিগত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয় এবং তারা কখনো স্বৈরাচারী শাসনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি। দেশের মানুষ গণতন্ত্রের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার সমুন্নত রেখেছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের নাগরিক ও বুদ্ধিজীবী আন্দ্রে মারলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের কথা স্মরণ করে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাক্ষাৎকালে ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা স্পিকারসহ বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধি দলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ