বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভেকিনগরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রয়েল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে যাওয়ার ঘটনায় অন্তত ২৫ যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভেকিনগর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী রয়েল পরিবহনের বাসটি একটি আটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে ব্রেক করলে সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের মাঝখানে উল্টে যায়। এতে বাসে থাকা ৪৮ জন যাত্রী আটকে পড়েন। যাত্রীদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে হাইওয়ে পুলিশ ও দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের গাড়ির ভেতর থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়।
আহত ২৫ জন যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৌরীপুর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তাঁদের মধ্যে মারাত্মকভাবে আহত তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া থেকে রায়পুর পর্যন্ত দীর্ঘ আট কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বাসটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমদাস রায় জানান, বাসটি সড়কের মাঝপথে উল্টে গেলেও যাত্রীদের তেমন ক্ষতি হয়নি।
আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনজন গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁদের ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাসটি উদ্ধার করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ প্রকল্পের আওতায় কলকাতায় প্রায় ৩১ কোটি রুপি মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার ফেনসিডিলের বোতল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার চালিয়ে ফেনসিডিলগুলো ধ্বংস করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) সহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের মাধ্যমে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এই ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করে ‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায়।
কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্কে ‘নেশামুক্তি’ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে কলকাতা পুলিশের জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল নিষিদ্ধ কফ সিরাপ রাখা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রোড রোলারের চালকের আসনে বসে সেগুলো ধ্বংস করেন।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। সেখানেও সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে বালুরঘাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে রোড রোলার চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ধ্বংস করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না।’ তিনি সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখার কথা বলেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা এবং রাজ্যকে মাদকমুক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘এটি নেশামুক্তি অভিযানের দ্বিতীয় বড় কর্মসূচি। কেন্দ্রের নেশামুক্ত ভারত অভিযান পশ্চিমবঙ্গের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি দাবি করেন, মাদকের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কারণে নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবৈধ মাদকের কারণে অনেক পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাদকমুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানে বিএসএফ ও পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে। এর আগে বালুরঘাটেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে।’
শুভেন্দু বলেন, ‘কলকাতায় এই অভিযানের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে প্রতিদিন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।’ পুলিশ কর্মকর্তা জাভেদ শামিমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইয়াবা উদ্ধারের ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য এসেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মাদারীপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকেও সতর্ক নজর দিতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৭২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলে এলাহী বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেঙ্গুর প্রজননস্থলমুক্ত রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জুয়েল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলে এলাহীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু মন্তব্য করেছেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পরিবহন ও আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধি একটি বাস্তবতা। তবে, জনগণের ওপর একসঙ্গে এই চাপ চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে, ধাপে ধাপে ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে মূল্য সমন্বয় করা সম্ভব ছিল। কিন্তু জনস্বার্থের প্রতি অগ্রাহ্য করে ৭ মাসের মধ্যে ২ বার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সরকারের দেউলিয়াত্বের প্রকাশ ঘটিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিজয়নগরস্থ এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং এর জনস্বার্থ ও অর্থনীতির ওপর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন দলের চেয়ারম্যান।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানির প্রভাব নিয়ে মূল বক্তব্য প্রদান করেন দলের ছায়া সরকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান। দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, মোঃ আলতাফ হোসাইন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান।
মজিবুর রহমান মঞ্জু উল্লেখ করেন, সরকার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর মধ্যে ডিজেলের দাম ১১৫ থেকে ১৩৫ টাকায় পৌঁছেছে। কৃষি, সেচ, গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহনে ডিজেলের ব্যবহার ব্যাপক হওয়ায়, এই মূল্যবৃদ্ধির বহুমাত্রিক প্রভাব কৃষক, শ্রমিক, পরিবহন খাত এবং সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়বে। আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা সরকারকে মোকাবিলা করতে হবে। তবে, জনগণের ওপর একবারে চাপিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা উচিত নয়। আমাদের প্রয়োজন price shock নয়, price adjustment।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সেচ পাম্প, পাওয়ার টিলার, হারভেস্টার এবং অন্যান্য কৃষিযন্ত্রের পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে। সামনে বোরো মৌসুম আসছে, তাই এর প্রভাব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ ছিল। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে।
মঞ্জু বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাব পরিবহন ব্যয় থেকে পাইকারি ও খুচরা বাজারে গিয়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়ে। শুধু প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে, এইভাবে দেখলে বাস্তব অর্থনীতির পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে পরিবহন খরচ বাড়ে, এরপর পণ্যের দামও বাড়ে, উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানির প্রভাব নিয়ে মূল বক্তব্যে ছায়া সরকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান বলেন, সরকার জানিয়েছে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বেশি দামে জ্বালানি কিনে কম দামে বিক্রি করায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। এই চাপ বাস্তব হলেও, আন্তর্জাতিক বাজারদর, freight, insurance, exchange rate, tax, handling ও distribution cost এবং BPC-এর প্রকৃত ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সংকটকালীন সময়ে আমদানি শুল্ক ও কর সাময়িকভাবে সমন্বয়, BPC-এর দক্ষতা বৃদ্ধি, অপচয় ও জ্বালানি চুরি বন্ধের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
এবি পার্টির এই নেতা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
১. কৃষি, সেচ, গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ডিজেলের ওপর চাপ কমাতে পৃথক মূল্যনীতি গ্রহণ;
২. একবারে বড় মূল্যবৃদ্ধির পরিবর্তে ধাপে ধাপে মূল্য সমন্বয়;
৩. আন্তর্জাতিক বাজার, freight, exchange rate, import cost ও করের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও formula-based pricing mechanism কার্যকর এবং দাম কমলে জনগণকে সুফল দেওয়া;
৪. সংকটকালে আমদানি শুল্ক ও কর সাময়িকভাবে সমন্বয়ের বিষয় বিবেচনা;
৫. প্রকৃত কৃষক ও কৃষিযন্ত্রের জন্য targeted diesel support চালু;
৬. জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির সুযোগে অযৌক্তিক পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ঠেকাতে কার্যকর ভাড়া সমন্বয় ব্যবস্থা;
৭. BPC-এর আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ, procurement, system loss ও জ্বালানি চুরির ওপর স্বাধীন পূর্ণাঙ্গ অডিট;
৮. সীমান্তপথে জ্বালানি পাচার বন্ধে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা;
৯. সংকট মোকাবিলায় Strategic Fuel Emergency Fund গঠন;
১০. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অডিট ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা;
১১. দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
ব্যারিস্টার নোমান আরও বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উৎপাদন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে নীতি গ্রহণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা মেনে নিয়েও জনগণের ওপর এককালীন বড় মূল্য-শক এড়ানো সম্ভব। সরকারের রাজস্ব বাড়াতে হবে, তবে মানুষের পকেট কেটে নয়। কর ফাঁকি বন্ধ, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ এবং progressive revenue mobilisation-এর মাধ্যমে রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের প্রয়োজন price shock নয়, price adjustment; প্রয়োজন এককালীন চাপ নয়, বরং স্বচ্ছ, পূর্বানুমানযোগ্য ও ন্যায়সংগত জ্বালানি মূল্যনীতি, বলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সালমান রহমান পল্লব কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে সালমান রহমান পল্লবের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তিনি বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী। অনুষ্ঠানে গোহালাকান্দা ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩৬ জন, জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১০ জন এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৩১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সালমান রহমান পল্লব কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে তাদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতেও পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটানোর আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি বলেন, “গোহালাকান্দা ইউনিয়নের শিক্ষার্থীদের মেধা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন।”
শিক্ষার্থীদের এমন সংবর্ধনা দেওয়ায় আয়োজক সালমান রহমান পল্লবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা বলেন, “কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার জন্য উৎসাহ জোগাবে।”
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ