ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হকারদের অবস্থান পরিদর্শনে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম


হকারদের অবস্থান পরিদর্শনে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম

রাজধানীর ফুটপাত ও প্রধান সড়কগুলোতে পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম মিল্টন।

আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে তিনি উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার হকারদের অবস্থান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অননুমোদিতভাবে ফুটপাত ও সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক উচ্ছেদ অভিযানের নির্দেশ দেন।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাতে হকারদের কারণে পথচারীদের চলাচলের বিঘ্ন ঘটার খবর পেয়ে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম মিল্টন পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি লক্ষ্য করেন, করপোরেশন অনুমোদিত নির্দিষ্ট স্থান ছাড়াও বেশ কিছু পয়েন্টে হকাররা সড়ক ও পথচারীদের হাঁটার ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসিয়েছে।

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে মেট্রো রেলের বিশেষ সূচি ঘোষণা

অনুমোদিত জায়গার বাইরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব দোকানপাট দেখে ডিএনসিসি প্রশাসক তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সঙ্গেই তা উচ্ছেদ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, "কোনো অবস্থাতেই জনগণের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করতে দেওয়া হবে না।"

তিনি নির্দেশ দেন, কেউ যেন পুনরায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে অস্থায়ী দোকান বা পসরা বসাতে না পারে। এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি চালানোর পাশাপাশি কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। ফুটপাতকে স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রেখে সাধারণ নগরবাসীর স্বস্তি বজায় রাখতে এ ধরনের ঝটিকা পর্যবেক্ষণ ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ১ নভেম্বর থেকে ৬ রুটে চালু হচ্ছে ‘এক রুট এক কম্পানি’ বাস পরিষেবা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নতুন মুখ নেহা বোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নতুন মুখ নেহা বোরা

ভারতের বাংলায় বিজেপির ক্ষমতায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা এবং সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে চলা সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন নকশালপন্থি দল সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-এর ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসার সভাপতি নেহা বোরা। এই তথ্যটি বিবিসি থেকে জানা যায়।

নেহা বোরা চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে তার আন্দোলন শুরু করেন। ভারতে মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা 'নিট'-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি আরও একটি মুখ নজর কেড়েছিল। তিনি হলেন নেহা বোরা, যিনি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই প্রতিবাদের সমর্থনে তার কয়েকজন সঙ্গীর সঙ্গে অনশনে যোগ দিয়েছিলেন।

বিভিন্ন আন্দোলনে নেহা বোরার অংশগ্রহণ

নেহা বোরা যে মূল পার্টির ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেই সিপিআই (এমএল) লিবারেশন পার্টির ভারতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সংখ্যা ছয়। এর মধ্যে দুজন বিহারের এবং দুজন ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বিধায়ক। এছাড়া, আরও দুজন বিহারের কারাকাট ও আরা সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

যদিও ছাত্র সংগঠন আইসা দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় ছাত্র রাজনীতি করে থাকে।

সিজেপি আন্দোলনের পর ফের আলোচনায় আসেন নেহা বোরা, যখন তিনি ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে রাঁচিতে পৌঁছেছিলেন।

সেই সময়ে তার মুখে কালি ছুড়ে মারা হয়। তবে বোরা বলেন, "মুখে কালি ছুড়ে মারলে আমি ভয় পাওয়ার মানুষ নই। দিল্লির আন্দোলনের সময়ে আমি প্যালেট গান এবং লাঠিচার্জেরও মুখোমুখি হয়েছি।"

তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, "তারা কি মনে করেন, কালি ছুড়ে মেরে সারা দেশের ছাত্র-যুবদের ক্ষোভকে দমিয়ে রাখা যাবে?"

এরপর তিনি বিহারে গিয়ে সিজেপির বিক্ষোভের সময়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করেন। গত কয়েক বছর ধরে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় নেহা বোরা এখন দেশের চলমান যুব ও ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন।

তার দৃঢ় অবস্থান, স্পষ্টভাষী বক্তৃতা এবং লড়াকু মনোভাবের কারণে নেহা বোরা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তার বক্তৃতার একাধিক রিল ভাইরাল হয়েছে।

এখন নেহা বোরা আবার দিল্লিতে তার সমর্থকদের নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।

এবার তিনি এবং তার সমর্থকেরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মাঠে নেমেছেন। একাধিক বিরোধী দলের অভিযোগ, দেশে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের জন্য জ্ঞানেশ কুমার দায়ী এবং এর ফলে কোটি কোটি মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হারিয়েছেন।

সম্প্রতি ইংরেজি সংবাদপত্র 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' তাদের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল।

নেহার পথচলা

নেহা উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। তিনি প্রথমে দিল্লি ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে আম্বেদকর ইউনিভার্সিটি, দিল্লি থেকে এমএ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটিতে (জেএনইউ) পিএইচডি করছেন।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেএনইউ-তে বামপন্থি ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ নেহা বোরা। তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।

বর্তমানে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গণআন্দোলন ও বামপন্থি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে ক্রমশ উঠে আসছেন।

পথে নেমেই পথ চিনেছেন নেহা

গত মাসে ফ্রন্টলাইন পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বোরা বলেছিলেন, "যন্তর-মন্তরেও বিপুল সংখ্যক পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সেখানে লেখা ছিল, 'আপনারা গডসেকে বিশ্বাস করেন, আমরা ভগৎ সিংকে বিশ্বাস করি। এটাই আপনার এবং আমার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য, আর সেই কারণেই আপনাদের ক্ষমতা ছাড়তে হবে।' মানুষ বারবার বলছিল যে, যারা গডসেকে বিশ্বাস করে, তারা এই দেশ শাসন করবে না।"

তিনি আরও বলেছিলেন, "এখানে আরএসএস-এর সেই সংস্কৃতির কথা বলা হচ্ছিল, যা দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।"

নেহা বোরা এমন একটি পরিবারে জন্ম নিয়েছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সমর্থক। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, "আমার নিজের পরিবারেই বিজেপির কট্টর সমর্থক রয়েছেন এবং আমাদের বাড়িতে এ নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য ছিল। আমি যখন থেকে দিল্লিতে এসেছি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়েছি, তখন থেকেই বাড়িতে এই মতপার্থক্য চলছে।"

নেহা বোরা মনে করেন, সিজেপি আন্দোলনের গুরুত্ব শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণ প্রজন্ম এই আন্দোলন থেকে শিখেছে যে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর বদলে একে অপরের জন্য লড়লে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি চান, যন্তর-মন্তর আন্দোলন থেকে যে শক্তি ও উদ্দীপনার জন্ম হয়েছে, তা যেন এসআইআর, নির্বাচনক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন), শ্রমিকদের অধিকার এবং নারীদের সংরক্ষণের মতো অন্যান্য বিষয়ক আন্দোলনেও ছড়িয়ে পড়ে।

তার কাছে এই আন্দোলন গণতন্ত্র এবং দেশের গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো রক্ষার বৃহত্তর সংগ্রামের একটি অংশ।

গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে একটি আলোচনা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে নেহা বোরার তুলনা করে মানুষ বিতর্ক শুরু করেছেন, যে কে বেশি 'ম্যাচিউর'।

এক্স-এ এক ইউজার, অ্যামক, নেহা বোরার ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, "ম্যাচিউরিটি হলো, যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে নেহা বোরা অভিজিৎ দীপকের চেয়ে বেশি প্রতিভাবান। তিনি জেন-জি প্রজন্মের একেবারে আইকন, আর তার স্টাইল ও ব্যক্তিত্ব দুর্দান্ত।"

এই পোস্টটি পুনরায় শেয়ার করে অভিজিৎ দীপকে নিজেই লিখেছিলেন, "আমি এর সঙ্গে একমত।"

এই পোস্টের কিছুক্ষণ পরই নেহা এক্স-এ লিখেছিলেন, "তুলনা নয়, সংহতি। আমরা একসঙ্গে লড়ি।"

এর জবাবে অভিজিৎ লিখেছিলেন, "ইনকিলাব জিন্দাবাদ।"

সিজেপি-র আন্দোলনের সময়ে যন্তর-মন্তরে এক বিক্ষোভে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নেহা বোরা নিজেও বলেছিলেন যে দীপকে বিনয়ী, অন্যদের পরামর্শ গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকেন এবং তিনি আন্দোলনকারীদের এই উপলব্ধি করিয়েছেন যে, তিনিও তাদের মতোই এই সংগ্রামের এক ছাত্র ও সহযোদ্ধা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিপোর্ট- শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি,মাদারীপুর

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


কালকিনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরের কালকিনিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বেপারী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার খোকন জমাদার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ইউসিসিএ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামা প্রসাদ মিন্টু পালসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিআইডব্লিউটিএর নৌযান চলাচলে সতর্কতা, সেনাবাহিনী ফায়ারিং অনুশীলন করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


বিআইডব্লিউটিএর নৌযান চলাচলে সতর্কতা, সেনাবাহিনী ফায়ারিং অনুশীলন করবে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ও হালিশহর উপকূলীয় এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে পাঁচ দিনব্যাপী বিমানবিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন পরিচালনা করবে। ফায়ারিং চলাকালীন সময়ে নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে নৌযান চলাচলের জন্য সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এই তথ্য সোমবার (৫ অক্টোবর) বিআইডব্লিউটিএর নৌ-পথ শাখা থেকে প্রকাশিত নৌ-সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্কুল অব আর্মি এয়ার ডিফেন্সের পরিচালনায় ওবিসি (এডি)-৪০-এর প্রশিক্ষণার্থীরা আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফৌজদারহাট এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে বিমান বিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন করবেন।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, ফায়ারিংয়ের জন্য নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, পাহাড়তলী, আকবর শাহ ও হালিশহর থানার অন্তর্গত। ফায়ারিং এলাকার ব্যাপ্তি সমুদ্রের আকাশ বরাবর উত্তর ও দক্ষিণ সীমানা অনুযায়ী ১২ হাজার গজ বা ৬ দশমিক ৮ মাইল। বিপজ্জনক এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।

ফায়ারিং চলাকালে ওই নৌ-পথে চলাচলকারী সব নৌযানকে নির্ধারিত ফায়ারিং রেঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য বিআইডব্লিউটিএ অনুরোধ করেছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের পাইলট নিয়ে অধিকতর সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নির্ধারিত ড্রাফট নিয়ে কর্তৃপক্ষের পাইলটসহ বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনা করতে হবে। দক্ষ নাবিক বা ড্রাইভার দ্বারা নৌযান পরিচালনার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।

গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বিদ্যমান। বর্তমানে ডলারের দাম ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে এটি ১২২ টাকা ৯৭ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৭ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৯৭ পয়সা

ইউরো : ১৩৮ টাকা ৪৩ পয়সা

পাউন্ড : ১৬৩ টাকা ২০ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৫৪ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৮৫ পয়সা

চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৪ পয়সা

সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ২৬ পয়সা

ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৬ পয়সা

সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা

কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭১ পয়সা

কুয়েতি দিনার : ৩৯৫ টাকা ৮৯ পয়সা

আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৫ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।

আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের জন্য মাস খানেক আগে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%