০৫:১৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত ‘স্মৃতি অম্লান’ নামের জাদুঘরটি পরিদর্শন করেন। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে তিনি মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথার এই স্মারকটির পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় তিনি সেখানে সংরক্ষিত মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজ হাতে লেখা জেড ফোর্সের অপারেশনাল অর্ডার এবং ১৯৭১ সালের ২৩ ও ২৪ মার্চ ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ১৯৬৭ মডেলের টয়োটা ক্রাউন গাড়িটি গভীর আগ্রহ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পরিদর্শন করেন।
তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে জানান, স্বাধীনতার জন্য পরিচালিত সশস্ত্র সংগ্রামের দুর্বার সাহস, অদম্য দেশপ্রেম এবং আত্মোৎসর্গের এক অনন্য সাক্ষ্য বহন করে এই নিদর্শন। তিনি গভীর অনুভূতি প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন
অপরদিকে, তিনি জাদুঘরে সংরক্ষিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল এবং নিদর্শন, পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানিক কার্যক্রম ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ইতিহাস ও সাফল্য ঘুরে দেখে তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
এ সময় তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তা, আত্মমর্যাদা ও অদম্য মনোবলের একটি অবিনাশী মহাকাব্য।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অতুলনীয় আত্মত্যাগ, বীরত্ব, দেশপ্রেম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামসহ চট্টগ্রামের এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান ও সাফল্যের নিদর্শনসমূহকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সম্যকভাবে অবহিত করতে উত্তরোত্তর নিদর্শনসমূহের সংরক্ষণ ও গবেষণার উপরে গুরুত্ব আরোপ করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এই পরিদর্শনকালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ‘স্মৃতি অম্লান’ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও চট্টগ্রাম সেনানিবাসের গৌরবদীপ্ত ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী
জাদুঘর কমপ্লেক্সটি ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে স্থাপিত হয় এবং সম্প্রতি সংস্কার ও পরিমার্জন করে গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নতুন ভবনে পুনঃস্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন