ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস


সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস

সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের লক্ষ্যে আনা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। 

এ ধারাটি নিয়ে আগে সমালোচনা ছিল যে, এর মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় আনা ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায়ের মালিকানা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটির ওপর তাদের প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারীদের জন্য জরুরি সতর্কতা প্রকাশ করল দূতাবাস

বিলটি পাসের সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ, ওই ধারায় নির্ধারিত কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসেননি।

আমির খসরু বলেন, সংকটে পড়া তফসিলি ব্যাংক পুনর্গঠনে বাজারভিত্তিক বিকল্প কাঠামো দেওয়ার লক্ষ্যে মূলত ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট মোকাবিলা করা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন না করে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমানো।

তিনি বলেন, ব্যাংক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় শুধু যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৮(ক) ধারায় দুই পৃষ্ঠা জুড়ে কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছিল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তবে আইনটি প্রণয়নের পর থেকে কোনো শেয়ারহোল্ডার, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ওই ধারার সব শর্ত পূরণ করতে পারেনি। ফলে ধারাটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবে অর্জিত না হওয়ায় আমরা এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুন: মিশিগানে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ

সংসদীয় কার্যক্রমের সময় অর্থমন্ত্রী আইন প্রণয়নের মূল কাজের প্রতি কঠোরভাবে মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংসদের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের উদ্দেশ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিল অনুযায়ী, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিল করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার জারি করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন ও অনুমোদনের সময় ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন পাসের পর থেকেই ১৮(ক) ধারা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সমালোচকদের মতে, এ ধারার মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় থাকা ব্যাংকের সাবেক ও বিতর্কিত পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডারদের পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: অর্ধযুগেও শেষ হয়নি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ, ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা

ধারাটির আওতায় কোনো ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার অধীনে যাওয়ার আগে ওই ব্যাংকের শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকটির শেয়ার, সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারতেন।

এ ধারার অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও একই সুযোগ দিতে পারত।

পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ধারাটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসতে পারেন- এমন আশঙ্কা থেকে তখন উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে গভীর রাতে এলোপাতাড়ি গুলিতে যুবক নিহত, অপর যুবক আহত

সংশোধনী বিলের সঙ্গে সংযুক্ত উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ ধারায় নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ১৮(ক) ধারা বাতিল করা সমীচীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈঠার ছন্দে মুখর নিকলী হাওর, নৌকাবাইচ দেখতে মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


বৈঠার ছন্দে মুখর নিকলী হাওর, নৌকাবাইচ দেখতে মানুষের ঢল

কিশোরগঞ্জ, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, মাঝিদের হুঙ্কার আর ঢোলের তালে তালে মুখর পুরো হাওর। 

দূর থেকে ছুটে আসছে একের পর এক নৌকা। কে আগে যাবে, সেই প্রতিযোগিতায় মাঝিদের প্রাণপণ চেষ্টা। আর হাওরের দুই পাড়ে হাজারো মানুষের উচ্ছ্বাস। এমনই উৎসবমুখর পরিবেশে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ।

আজ বুধবার বিকেলে নিকলী সদরের চইল্লাতি হাওরে নিকলী নাগরিক সমাজের আয়োজনে বসে নৌকাবাইচের এ জমজমাট আসর।

দুপুর গড়াতেই হাওরের পাড়ে বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়। কেউ এসেছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউবা দলবেঁধে। হাওরের চারপাশ যেন পরিণত হয় মিলনমেলায়। নৌকাবাইচ দেখতে নিকলী ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন হাজারো দর্শক।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল।

প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১০টি নৌকা অংশ নেয়। তিন পর্বে চলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। পানির বুক চিরে দ্রুতগতিতে ছুটে চলে নৌকা। মাঝিদের বৈঠার টানে মুহূর্তেই বদলে যায় প্রতিযোগিতার দৃশ্যপট।

বড় নৌকার প্রতিযোগিতায় প্রথমস্থান অর্জন করেন নিকলী সদর ইউনিয়নের ইসরাফিল মাঝি। বিজয়ী হিসেবে তিনি পান একটি ফ্রিজ। দ্বিতীয় হন সিংপুরের ইটকলা সর্দার গ্রুপের মজিবুল্লাহ। পুরস্কার হিসেবে তিনি পান ৩২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন।

ছোট নৌকার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় পাচলীপাড়া দল। তারা পায় ২৪ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে নিকলীর গোবিন্দপুরের মোবারক দল। তাদের দেওয়া হয় একটি মোবাইল ফোন।

তবে পুরস্কারের চেয়েও যেন বড় ছিল অংশগ্রহণ আর আনন্দ। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি নৌকাকেই দেওয়া হয় বিভিন্ন সান্ত্বনা পুরস্কার।

আয়োজকদের ভাষ্য, নৌকাবাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি গ্রামবাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ। হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে মিশে থাকা এ আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই পুরোনো দিনের সংস্কৃতিকে তুলে ধরারও একটি মাধ্যম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. সাদ্দাম হোসেন সাদু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নিকলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. শরিফুল হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম তালুকদার হেলিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. কফিল উদ্দিন আহমেদ, নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-২-এর পিপি অ্যাডভোকেট এ এম সাজ্জাদুল হক, উপজেলা বিএনপির ১নং সহসভাপতি আবু সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ছান্দালী মেম্বার, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও হাওরের পাড় ছাড়েননি দর্শকরা। নৌকার গতি আর মাঝিদের বৈঠার ছন্দে মুহুর্মুহু করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।

একসময় যে নৌকাবাইচ ছিল গ্রামীণ জীবনের নিয়মিত উৎসব, আধুনিকতার ভিড়ে তা অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। 

নিকলীর চইল্লাতি হাওরে এমন আয়োজন যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সেই চিরচেনা গ্রামবাংলাকে। হাওরের ঢেউয়ে বৈঠার ছন্দে ফিরে এলো বাংলার সেই পুরোনো দিনের নৌকাবাইচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

CSF সেন্টার পরিদর্শন করলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


CSF সেন্টার পরিদর্শন করলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার আজ (০৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার CSF Centre (Centre for People with Disabilities) পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি CSF Centre-এর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, তাদের অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা, থেরাপি, পুনর্বাসন ও সার্বিক পরিচর্যার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মতবিনিময়কালে তিনি CSF Centre-এর সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের পরিকল্পনার কথা জানান। এই MoU-এর আওতায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা CSF Centre-এ তাদের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবে বলে তিনি উল্লে…

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবি ক্যাফেটেরিয়ায় মানসম্মত খাবার ও পরিচ্ছন্নতা নির্দেশ উপাচার্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


জবি ক্যাফেটেরিয়ায় মানসম্মত খাবার ও পরিচ্ছন্নতা নির্দেশ উপাচার্যের

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান, সেবার মান, খাবারের সঠিক পরিমাণ ও পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। 

আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্যাফেটেরিয়ায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।

এ সময় উপাচার্য শিক্ষার্থীদের কাছে ক্যাফেটেরিয়ায় পরিবেশিত খাবারের মান, খাবারের পরিমাণ, মূল্য অনুযায়ী সেবার মান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চান। শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার খাবার ও সেবা সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন মতামত ও অভিজ্ঞতা উপাচার্যের কাছে তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি ক্যাফেটেরিয়ার সার্বিক পরিবেশ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। ক্যাফেটেরিয়ায় স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় উপাচার্য ক্যাফেটেরিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্তদের খাবারের মান বজায় রাখা, নির্ধারিত ও সঠিক পরিমাণে খাবার পরিবেশন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ এবং সেবার মান উন্নত করার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে ক্যাফেটেরিয়ার রান্না ও খাবার পরিবেশনের স্থানসহ পুরো ক্যাফেটেরিয়া নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিসিবির জন্য ৯ হাজার টন ছোলা ক্রয়ের অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


টিসিবির জন্য ৯ হাজার টন ছোলা ক্রয়ের অনুমোদন

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মজুত শক্তিশালী করতে ৯ হাজার টন ছোলা এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)।

আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সিসিজিপির ৪৩তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবির ভর্তুকিমূল্যে ও খোলাবাজারে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসব পণ্য কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টস পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে ৯ হাজার টন ছোলা আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রতি কেজি ছোলার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।

এ ছাড়া স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (এলটিএম) ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই লিটারের পিইটি বোতলে এ তেল টিসিবিকে সরবরাহ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা। স্থানীয় চারটি প্রতিষ্ঠান এ তেল সরবরাহ করবে। 

গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড প্রত্যেকে ২০ লাখ লিটার করে, আর মজুমদার ব্র্যান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড প্রত্যেকে ৩০ লাখ লিটার করে সরবরাহ করবে।

এসব পণ্য কেনার ফলে টিসিবির প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত রাখা এবং বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%