০৮:৪১ এম
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের জন্য আকুর বিল পরিশোধের পর ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৮৫৫ দশমিক ৮১ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: গভর্নরের নির্দেশ: উদ্যোক্তাদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন প্যাকেজের সুবিধা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ হাজার ৯৮৫ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১.৫১ বিলিয়ন ডলার।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
আকু কী?
আরও পড়ুন: এআই নিয়ে শঙ্কা, বিশ্ব শেয়ারবাজারে বড় ধস
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধের ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে অবস্থিত। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন