বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩০ পি.এম
বাংলাদেশ ভুটানের গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) প্রকল্পে জনশক্তি রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশ এ প্রকল্পে সহযোগিতা করতে চায়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে, ভুটানের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ভুটানের গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়নে অবদান রাখতে আগ্রহী। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে এ প্রকল্পে সহযোগিতা করা যেতে পারে।
এ সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার উদ্যোগের কথা স্মরণ করে সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সার্ক পুনরুজ্জীবিত হলে এ অঞ্চলের দেশ ও জনগণ সম্মিলিতভাবে উপকৃত হবে।
সাক্ষাৎকালে ভুটানের রাষ্ট্রদূত গত ২৬ আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ওই সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ভুটানের রাজাকে অভ্যর্থনা জানান।
এ ছাড়া বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভুটানের রাষ্ট্রদূত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ সুদানের একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৬০ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই শ্রমিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। মঙ্গলবার পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের এল-নাহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে একের পর এক খনির সুড়ঙ্গ ধসে পড়তে শুরু করে। পরদিন সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিখোঁজ শ্রমিকদের অনেকেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বেঁচে যাওয়া শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা এএফপিকে জানান, তারা রাতভর সহকর্মী শ্রমিকদের সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন। খনি থেকে সোনা উত্তোলনে যে সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেগুলো দিয়েই তারা উদ্ধারকাজ চালান।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ বা জীবিত কাউকে উদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। তবে পাথর ও মাটি সরানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতে দুই পক্ষের যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের একটি বড় অংশ সোনা শিল্প থেকে আসে। পাশাপাশি তারা বিদেশি সহায়তাও পেয়ে থাকে।
দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত সুদানের আগে থেকেই দুর্বল অর্থনীতিকে আরো বিপর্যস্ত করেছে। দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনেকেই জীবিকার সন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সোনা উত্তোলনের কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। সুদান থেকে পাচার বা রপ্তানি হওয়া সোনার প্রায় পুরোটাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আরএসএফকে ব্যাপকভাবে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউএই।
আল-জারার মতো পরিত্যক্ত খনি বা অনানুষ্ঠানিক এলাকায় স্থানীয় ও ক্ষুদ্র পরিসরে সোনা উত্তোলনের কাজ হয়। দেশটিতে উত্তোলন করা সোনার বেশিরভাগই এই ধরনের ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনি থেকে আসে।
আল-জারা খনির বাইরে মঙ্গলবার কাজ করছিলেন আরেক শ্রমিক আল-আমিন সুলাইমান। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এখানকার সবগুলো খনির সুড়ঙ্গ একে অপরের খুব কাছাকাছি। একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে পাশের সুড়ঙ্গগুলোও ধসে পড়ে।’
তিনি বলেন, ‘এখানেও সেটিই ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গতকাল থেকে আরো অনেকে মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন। তারা বেঁচে আছেন বলে আমার মনে হয় না।’
পশ্চিম কর্দোফান বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর পাশের দারফুর অঞ্চলও আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে সেখানে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আরএসএফ একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পশ্চিম সুদানের মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মূলত মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।
যুদ্ধের কারণে সুদানের প্রায় ২ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়ার আগেও দেশটির ক্ষুদ্র পরিসরের সোনা খনি শিল্পে ২০ লাখের বেশি মানুষ কাজ করতেন বলে শিল্পসংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে। আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ সুদান মহাদেশের অন্যতম প্রধান সোনা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি জানিয়েছে, গত বছর সুদানে ৭০ টন সোনা উৎপাদিত হয়েছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সিগারেট উৎপাদনে ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে।
গাজীপুরের কাউলতিয়ায় অবস্থিত ভার্গো টোব্যাকো লিমিটেডের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে এই ফাঁকির তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানের সময় প্রায় ৫০ লাখ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাও ধরা পড়ে।
গত ২ সেপ্টেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার একটি প্রতিরোধী দল কারখানাটিতে অভিযান চালায়। একই সময়ে কারখানা ও কাছের একটি গুদামে দুটি দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকারী দল গিয়ে দেখতে পায়, বাইরে থেকে গেট বন্ধ রেখে ভেতরে সিগারেট উৎপাদন চলছে। বারবার গেট খুলতে বলা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। পরে কর্মকর্তারা দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল ও জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি এগুলো ধ্বংসের অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরে প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপক লিখিতভাবে প্রায় ৫০ লাখ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পোড়া ব্যান্ডরোলের অবশিষ্টাংশ জব্দ করা হয়।
তল্লাশির সময় কারখানা ও সংলগ্ন গুদাম থেকে ব্যবহৃত স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল, সিগারেট তৈরির কাঁচামাল এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। কিছু বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেটের নমুনা ও খালি প্যাকেটও পাওয়া যায়।
জব্দ করা মোবাইল ফোনের বার্তা, বিক্রির তথ্য ও হিসাবের ছবি বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা দেখতে পান, উৎপাদিত সিগারেটের একটি বড় অংশ ভ্যাট চালান বা মূসক-৬.৩ ছাড়াই বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসব তথ্য মূল হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রাথমিক হিসাবে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বাবদ প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৭/২০২৬। জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাফা কবিরের শোবিজে পথচলা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। তিনি ছোট পর্দায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজের ব্যস্ততা কমিয়ে এখন বেছে বেছে পর্দায় উপস্থিত হচ্ছেন এই অভিনেত্রী।
নারী হিসেবে নিজের সাফল্য ও পথচলার স্বীকৃতি পেয়েছেন সাফা। সম্প্রতি তিনি ‘সম্পূর্ণা পুরস্কার ২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এই স্বীকৃতি পেয়ে তিনি আনন্দিত। পুরস্কার গ্রহণের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি অন্য নারীদেরও নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সাফা উল্লেখ করেছেন, ‘প্রতিটি নারীকে আজ শুধু একটা কথাই বলতে চাই—তুমি যথেষ্ট। তুমি নিজেই সম্পূর্ণ। নিজের শক্তিকে চিনে নাও, নিজের জায়গা তৈরি করো, আর নিজের পৃথিবীটা জয় করো।’
পুরস্কার পাওয়ার আগে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাফা। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি স্বীকৃতিই আমার কাছে বিশেষ, কারণ এগুলো আমাকে আরো পরিশ্রম করতে এবং সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।’
সর্বশেষ কোরবানির ঈদে সাফা কবিরকে পর্দায় দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে প্রচারিত একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকগুলো দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসেছেন এই অভিনেত্রী। দেশে ফিরলেও নতুন কোনো কাজের ঘোষণা এখনো দেননি তিনি। আপাতত কাজ থেকে কিছুটা দূরে থেকে নিজেকে সময় দিচ্ছেন সাফা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জন্য এই রেকর্ডটি ছিল অত্যন্ত বিব্রতকর। ভারতের কাছে টানা ৯ টি-টোয়েন্টি হারের রেকর্ডটি বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে যৌথভাবে ছিল।
কিন্তু গতকাল (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আফগানিস্তান বাংলাদেশকে এই বিব্রতকর রেকর্ড থেকে মুক্তি দিয়েছে। ভারতের কাছে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি হারিয়ে এখন এককভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের অধিকারী আফগানরা।
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারত আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে শ্রেয়াস আইয়ারের দল সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে, এক ম্যাচ বাকি রেখেই। একই সঙ্গে আফগানদের বিপক্ষে ভারতীয়দের টানা টি-টোয়েন্টি জয়ের সংখ্যা ১০-এ পৌঁছেছে।
আফগানিস্তানের এই পরাজয়ের শুরু ২০১০ সালে। এরপর থেকে ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই তারা পরাজিত হয়েছে। ২০২৪ সালের বেঙ্গালুরুতে একটি ম্যাচ টাই হয়েছিল, তবে দুই সুপার ওভারে গড়ানো সেই ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ভারতই জিতেছিল।
ভারতের কাছে বাংলাদেশের টানা ৯ টি-টোয়েন্টি হারের ধারাটি ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ছিল। ২০১৯ সালে দিল্লিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে গত বছরের এশিয়া কাপ পর্যন্ত তারা টানা ৯ ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।
ভারতের কাছে টানা ৮ টি-টোয়েন্টি হেরে তালিকার তিনে অবস্থান করছে জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা এবং ব্লেসিং মুজারাবানিরা গত দুই বছরের মধ্যে এতগুলো ম্যাচ হেরেছে।
ভারতের কাছে টি-টোয়েন্টিতে টানা হার
আফগানিস্তান ১০ ম্যাচ (২০১০-২০২৬)
বাংলাদেশ ৯ ম্যাচ (২০১৯-২০২৫)
জিম্বাবুয়ে ৮ ম্যাচ (২০২৪-২০২৬)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ