০৭:৪১ পি.এম
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আর ফিরে না আসা ১৮ শিক্ষকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা ছিল প্রায় ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৩ টাকা ইতোমধ্যে আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে বকেয়া রয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮ হাজার ১৩০ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসব শিক্ষকের মধ্যে কেউ পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন, আবার কেউ কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন করে কয়েকজনের পাওনা আদায়ের জন্য চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমানে পর্যন্ত চাকরি ছেড়েছেন ৪৪ জন শিক্ষক। তাঁদের মধ্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেননি ১৭ জন। উল্লেখ্য, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. মো. মশিউর রহমান ২০১৯ সালে বিদেশ থেকে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেও ২০২৩ সালে চাকরি ছেড়ে দেন। ফলে শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর ফেরেননি এমন শিক্ষকের সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে ইউজিসি
চলতি বছরের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নথি অনুযায়ী, নয় শিক্ষকের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল আলমের কাছে ৪১ লাখ ৯২ হাজার ৩০৮ টাকা, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেনের কাছে ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬১৮ টাকা এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকারের কাছে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা পাওনা রয়েছে।
এছাড়া সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমানের কাছে মোট পাওনা ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ২৬ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ১২ লাখ ৩০ হাজার ২৬ টাকা। পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপা রানী দাসের কাছে পাওনা ১৫ লাখ ৪ হাজার ৬০২ টাকা।
সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জাকির হোসাইনের কাছে মোট পাওনা ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৬ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৬ টাকা। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাদিয়া সারওয়ারের কাছে মোট পাওনা ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬৫ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ২২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯৮ টাকা।
এছাড়া লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. মো. মশিউর রহমানের কাছে ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪ টাকা এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাসনিমা আক্তারের কাছে ২৮ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪ টাকা পাওনা রয়েছে। তাসনিমা আক্তারের বর্তমান বকেয়া ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৮ টাকা।
আরও পড়ুন: ভোলায় শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক সম্মেলন
বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, একপর্যায়ে ১৮ শিক্ষকের কাছে মোট পাওনা ছিল ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬১ লাখ ৯২ হাজার ১১৫ টাকা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ কোটি ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮৭ টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৮ লাখ ৬১ হাজার ৯৭২ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৫৯ টাকা আদায় করা হয়।
চার অর্থবছরে মোট ৩ কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩৩ টাকা আদায় হয়েছে। ফলে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অবশিষ্ট পাওনা ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা।
তবে ২৪ আগস্টের পর আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকার তাঁর পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা জমা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাঁকে চিঠি দেওয়া হলে তিনি সুদ মওকুফের আবেদন করে চিঠির জবাব দেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় সুদ ছাড়া বাকি অর্থ পরিশোধের সিদ্ধান্ত দিলে তিনি গত ৭ সেপ্টেম্বর সেই অর্থ পাঠিয়েছেন। তিনি তাঁর সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করেছেন।’
আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে মৌলিক এআই কোর্সের সুখবর
তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের পর বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হয়। ওরভিলা সরকার সেটি না দেওয়ায় তাঁর অর্থ পরিশোধের বিষয়টি অফিসিয়াল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।
ওরভিলা সরকারের অর্থ পরিশোধের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আদায়কৃত অর্থ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৩ টাকা এবং বর্তমান পাওনা ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮ হাজার ১৩০ টাকা।
সাত শিক্ষক পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন
নথি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি নেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে সাতজন তাঁদের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধ করেছেন। তাঁদের মধ্যে পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৭ টাকা, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসাইন ৫২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯২ টাকা, আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ফিদা হাসান ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫২ টাকা, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাহিদ শাহ ১৯ লাখ ৯১ হাজার ১৬৯ টাকা, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা হক ৪৭ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬১ টাকা এবং সিএসই বিভাগের প্রভাষক মো. কামরুল হাসান মজুমদার ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫৩ টাকা পরিশোধ করেছেন।
আরও পড়ুন: ১৬৯০ ইবতেদায়ি শিক্ষকের অনুদান ছাড়ের দাবি জানাল শিক্ষক কল্যাণ কমিটি
এর সঙ্গে আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকারের পরিশোধ করা ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা যোগ করলে সাত শিক্ষকের পরিশোধ করা অর্থের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪ টাকা।
ছয় শিক্ষককে নতুন করে চিঠি
গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসাইন চৌধুরীসহ আরো পাঁচ শিক্ষককে পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
অন্য পাঁচজন হলেন মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাসনিমা আক্তার, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপা রানী দাস এবং রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন। তবে শেষ তিনজনের পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা ও ময়মনসিংহ বোর্ডের এসএসসি বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘কামাল হোসাইন চৌধুরীসহ আরো পাঁচজন শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
শিক্ষকদের বক্তব্য
প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই করতে পাওনা থাকা নয় শিক্ষকের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন জবাব দিয়েছেন। বাকি ছয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁরা কোনো জবাব দেননি।
ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য তিনি ব্যাংক হিসাব নম্বর চেয়ে আসছিলেন। গত সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারীর কাছ থেকে হিসাব নম্বর পেয়েছেন। শিগগিরই সেখানে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।
আরও পড়ুন: শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা নিয়ে ঢাবিতে সেমিনার ২২ নভেম্বর
রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনুমোদিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রার দপ্তরে পদত্যাগপত্র দিয়ে পাওনা অর্থ নির্ধারণের অনুরোধ করেন। পরে ২১ মে তাঁকে পাওনা অর্থের পরিমাণ জানানো হয়। ১৬ জুন এক বছরের মধ্যে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। পরে ১৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চার কিস্তিতে এক বছরের মধ্যে অর্থ পরিশোধের অনুমতি দেয়। সে অনুযায়ী ১৯ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম কিস্তি পরিশোধ করবেন বলে জানান তিনি।
দেবাশীষ সেন বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক দায় এড়িয়ে যাইনি, বরং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’
বিধিতে যা আছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাছুটির নীতিমালার ৯.১ ধারায় বলা হয়েছে, পূর্ণ বেতনে শিক্ষাছুটি নেওয়া শিক্ষককে ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে ছুটির সমপরিমাণ সময় চাকরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে চাকরি ছেড়ে দিলে বা প্রয়োজনীয় সময় পূর্ণ না করলে শিক্ষাছুটির সময়ে পাওয়া বেতন-ভাতা ব্যাংক সুদসহ ফেরত দিতে হবে। কেউ আংশিক সময় চাকরি করলে অনুপাতে পাওনা নির্ধারণের বিধানও রয়েছে।
পাওনা অর্থ পরিশোধ না করলে জামিনদারের কাছ থেকেও তা আদায় করা যেতে পারে বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের সংখ্যা ও পদ্ধতি নির্ধারণের ক্ষমতা সিন্ডিকেটের হাতে রাখা হয়েছে।
পাওনা আদায়ের বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘পাওনা আদায়ের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এবারের সিন্ডিকেট সভায় ছয়জন শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা সুদ মওকুফ বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের আবেদন করতে পারেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেয়।’
তিনি বলেন, ‘কেউ পাওনা অর্থ পরিশোধে রাজি না হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন, সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দূতাবাসের মাধ্যমে পাওনা অর্থ আদায়ে সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন বলেন, চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া কিংবা নির্ধারিত সময়ের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ না দেওয়া শিক্ষকদের কাছ থেকে পাওনা অর্থ আদায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেক সময় পাওনার পরিমাণ বেশি হওয়ায় একবারে তা পরিশোধ করা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো পাওনা অর্থ ফেরত আনা।
কোষাধ্যক্ষ আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের উদ্যোগের পরও কেউ অর্থ পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক যে দেশেই থাকুন না কেন, বিশ্ববিদ্যালয় ওই দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। দূতাবাস ওই শিক্ষক যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ উদ্ধারে সহযোগিতা করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ পদ্ধতি অনুসরণ করার প্রয়োজন হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন