০২:১৮ পি.এম
দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি উল্লেখ করেন, নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
সোমবার থেকেই দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে, যা ধাপে ধাপে পরিচালিত হবে। তবে, বর্তমানে চলাচলরত রিকশা মালিকদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বৈধ ও অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলতে থাকবে বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন: সরকারের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের রান্নাঘরে ভোগান্তি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
মীর শাহে আলম বলেন, দুজন যাত্রী ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮০০০ টাকা এবং নবায়ন ফি বাৎসরিক ৪০০০ টাকা। চারজন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ই-রিকশার জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা এবং বাৎসরিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা। ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রং চূড়ান্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বল্প গতির ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যেকোনো এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।
নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার স্থাপন করতে হবে। অনুমোদিত গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি হবে না বলেও তিনি জানান।
শাহে আলম বলেন, স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। প্রতিটি ই-রিকশার ইকোনোমিক লাইফ টাইম নিবন্ধনের থেকে ১২ বছর পর্যন্ত হবে। সোমবার থেকে ১৩টি সিটি এলাকায় নিবন্ধন কাজ শুরু হবে এবং এটি পর্যায়ক্রমে চলবে।
আরও পড়ুন: আদিবাসী শব্দের ব্যবহার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি আলোচনা
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চলাচলরত রিকশাগুলো এখনই বন্ধ করা হবে না। তবে, ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন থেকেই চার্জ করতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন