ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজশাহীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন


রাজশাহীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন

মহানগরীতে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে।

এখন চলতি সংকটের প্রেক্ষাপটে, আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলো প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‌্যালির পর রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক করণীয় বিষয় নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: নড়াইলে মাদকাসক্ত ছেলের বটির কোপে কৃষক বাবা নিহত, ছেলে পলাতক

এ আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, একটি সভ্য, অমানবিকতামুক্ত এবং উন্নত সমাজের প্রধান পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা। নারী এবং শিশুরা কেবল একটি পরিবারের সদস্য নয়, তারা রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় তিনি নারী ও শিশুসহ সকল মানুষের ওপর সহিংসতা রোধ এবং বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইসরাত জাহান। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়স যাচাইয়ে ব্যর্থ বিশ্বের প্রথম আইন প্রণয়নকারী দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়স যাচাইয়ে ব্যর্থ বিশ্বের প্রথম আইন প্রণয়নকারী দেশ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের উপর বিশ্বের প্রথম আইন কার্যকর করা দেশ অস্ট্রেলিয়া এ দেশে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করার আইন চালু করলেও, ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের প্রাথমিক পর্যায়েই বড় ধরনের দুর্বলতা ধরা পড়েছে।

ফলে, ১৬ বছরের নিচের শিশু-কিশোরদের জন্য আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে, বলছে এক গবেষণা।

সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পরামর্শ দেওয়া গবেষক দলের পরিচালিত ঐ গবেষণার তথ্যমতে, আইন চালুর পর খোলা ৫০টি পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটিতেও বয়সের প্রমাণ চাওয়া হয়নি। যদিও সব অ্যাকাউন্টেই বলা হয়েছিল ব্যবহারকারীর বয়স ১৬ বছর।

গত ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া আইনে ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ১৬ বছরের নিচে বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খুলতে না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স নিশ্চিত করতে ‘যৌক্তিক ব্যবস্থা’ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি সরকার একাধিক পদ্ধতিতে বয়স যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে।

তবে বিভিন্ন গবেষণা দেখাচ্ছে, অধিকাংশ ১৬ বছরের নিচে বয়সী ব্যবহারকারী এখনো এই সকল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারছে। এ অবস্থায়, গত মাসে অস্ট্রেলিয়া আইন লঙ্ঘনের সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ করেছে এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আদালতের মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

২০২৫ সালে এক হাজারের বেশি অস্ট্রেলিয়ানের ওপর বয়স যাচাই প্রযুক্তি পরীক্ষার প্রতিষ্ঠান কেজেআরের পরিচালক অ্যান্ড্রু হ্যামন্ড রয়টার্সকে জানান, ‘আমাদের বয়স প্রমাণ করতে বলা উচিত ছিল। কিন্তু পরিস্থিতিতে আমাদের একবারও বয়স যাচাই বা কোনও বয়স নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়নি।’

গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টগুলো মেটার ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউবসহ বয়সসীমার আওতাভুক্ত ১০টির মধ্যে ৯টি প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় রয়েছে।

হ্যামন্ড জানান, কিছু অ্যাকাউন্টে কিশোরদের জন্য ব্যাংকিং সার্ভিসের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছে, যা indicates করে যে প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীর সম্ভাব্য বয়স সম্পর্কে ধারণা পেয়েছে।

অন্যদিকে, এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ১৬ বছর বয়স উল্লেখ করে খোলা একটি পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট দেখা গেছে।

তবে, ব্যবহারকারী যদি সরাসরি নিজের বয়স ১৬ বছরের নিচে উল্লেখ করেন তাহলে কোন প্ল্যাটফর্মই তাকে অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি। একমাত্র অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক লাইভ-স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘কিক’ বয়সের প্রমাণ ছাড়া অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি।

স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটক এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি, গুগল ও এক্স কোন জবাব দেয়নি।

মেটার একজন মুখপত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘পরীক্ষামূলক এই গবেষণাটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ, যদি কোনো ব্যবহারকারীর আচরণে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় অথবা অ্যাকাউন্টটি রিপোর্ট করা হয়, তাহলে তখনই আনুষ্ঠানিক বয়স যাচাইয়ের ধাপে যাওয়ার কথা।’

অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা এখনো বিশ্বাস করে যে প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সক্ষমতা রয়েছে।

এদিকে গবেষণার উপদেষ্টারা জানাচ্ছেন, তারা শুরু থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে বাস্তবে শিশু-কিশোররা ভুয়া জন্মতারিখ ব্যবহার করে সহজেই নিয়ম এড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু সেই বিষয়টি মতামতের আওতায় আনা হয়নি।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেনের অস্ট্রেলিয়া প্রধান কোলম গ্যানন বলছেন, ‘আমরা শুরু থেকেই নিয়ম এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল পরীক্ষা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বারবার বলা হয়েছিল, এটি গবেষণার অংশ নয়। এখন দেখা যাচ্ছে, ভুয়া তথ্য দিয়ে নিয়ম ভঙ্গ করা কিশোরদের প্রধান উপায় হয়ে উঠেছে।’

অন্যদিকে যুব ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞ আমান্ডা থার্ড রয়টার্সকে জানান, ‘শুরুতে প্ল্যাটফর্মগুলো স্বঘোষিত অপ্রাপ্তবয়স্ক অ্যাকাউন্ট শনাক্তকরণের দিকে মনোনিবেশ করছে। বছরের মাঝামাঝি থেকে যদি আরও উন্নত বয়স অনুমান প্রযুক্তি চালু হয়, তবে ভবিষ্যতে ফলাফল আরও কার্যকর হতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে ‘ক্লাইমেট’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


শরীয়তপুরে ‘ক্লাইমেট’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, অভিযোজন এবং পরিবেশগত সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে অংশীজনের সঙ্গে ‘ক্লাইমেট’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সভাটি আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (এসডিএস) নির্বাহী পরিচালক রাবেয়া বেগম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম বলেন, ‘আপনারা যখন কোনো কাজ করবেন, জেলা প্রশাসনকে জানাবেন। তখন জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তর আপনাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারবে। শরীয়তপুরে এসডিএস দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করে যাচ্ছে। এটি সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

সভায় শিশু ও তরুণদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সম্পৃক্ত করা, স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত সহনশীলতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা Barnfonden Insamlingsstiftelse এর অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাসেবী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসডিএস এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি অবহিতকরণ সভা পরিচালিত হয়।

এ সভায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদীভাঙন, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজনমূলক উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি, শিশু ও তরুণদের সম্পৃক্তসহ নদীভাঙন প্রবণ এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতি রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইনে মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে দক্ষিণ কোরিয়ার সংশোধিত আইন কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


অনলাইনে মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে দক্ষিণ কোরিয়ার সংশোধিত আইন কার্যকর

দক্ষিণ কোরিয়ার সংশোধিত আইন মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়ে গেছে, যা অনলাইনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে। এতে বারবার অপরাধে জড়িতদের জন্য আরও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশিত হচ্ছে।

নতুন আইন অনুযায়ী, দেশটির বড় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য নতুন ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশটিতে বিভ্রান্তিকর ডিজিটাল তথ্যের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়াতে এ আইন কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে তারকাদের জড়িয়ে আলোচিত কিছু ঘটনাও রয়েছে।

এ বিষয়ে সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি নিশ্চিত করেছে।

তবে বিরোধী রাজনীতিক, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং গণমাধ্যমের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এ আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করতে সক্ষম হতে পারে। একই সাথে, সরকারের প্রভাবাধীন সেন্সরশিপের পথও তৈরি হতে পারে।

এর আগে, দক্ষিণ কোরিয়ায় মিথ্যা তথ্য মোকাবিলার জন্য সাধারণ মানহানি আইন ও দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের বিধান ব্যবহৃত হত। তবে, তথাকথিত 'ভুয়া খবর' মোকাবিলায় বিশেষ করে আইনি কাঠামো ছিল না।

তথ্য ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আইনের সংশোধনের মাধ্যমে, দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে সেইসব দেশের কাতারে যোগ দিল, যারা বাস্তব জীবনে গুরুতর প্রভাব ফেলতে সক্ষম এমন অনলাইনে মিথ্যা তথ্যের গতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করছে।

নতুন আইনের অধীনে, ইচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় আদালত ক্ষতির পরিমাণের সর্বোচ্চ পাঁচ গুণ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে।

এ ছাড়া, যাদের প্রকাশিত তথ্য আদালত অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন, তাদের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ কোটি ওয়ন (৬ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা আরোপিত হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার নেভার ও কাকাও এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুগল ও মেটাসহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীদের জন্য কথিত মিথ্যা বা বিকৃত তথ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পাশাপাশি, প্রতি ছয় মাসে অভিযোগের সংখ্যা এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা অন্তর্ভুক্ত করে স্বচ্ছতা প্রতিবেদন প্রকাশে বাধ্যতামূলক করা হবে।

২০২৪ সালে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির চেষ্টার পর, দক্ষিণ কোরিয়ায় অনলাইনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

সাম্প্রতিক এক প্রসিদ্ধ ঘটনায়, একজন ডানপন্থি ইউটিউবারের বিরুদ্ধে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি অডিও ব্যবহার করে অভিনেতা কিম সু-হিউনের বিরুদ্ধে মিথ্যা দাবি ছড়ানোর অভিযোগে অভিযোগপত্র তৈরি হয়েছে।

ফলে, কিম সু-হিউন জনসমক্ষে উপস্থিতি স্থগিত করতে বাধ্য হন। তার একটি বড় প্রকল্পও অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায়।

সংশোধিত আইনের সমালোচকদের মতে, 'মিথ্যা' বা 'বিকৃত' তথ্যের জন্য কোনো স্পষ্ট আইনি সংজ্ঞা না থাকার কারণে আইনের প্রয়োগে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে। এতে অতিরিক্ত বিস্তৃতভাবে আইন প্রয়োগের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

প্রধান বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) বারবার এ সংশোধনের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। দলটির দাবি, সরকারের সঙ্গে বিরোধ এড়াতে প্ল্যাটফর্মগুলো নিজেদের বিভিন্ন কনটেন্ট সরিয়ে ফেলবে। একই সাথে, ব্যবহারকারীরা নিজেদের মত প্রকাশ থেকে প্রত্যাহার হতে পারেন।

জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অব কোরিয়াও জনস্বার্থে সংবাদ পরিবেশন ও তথ্য সংগ্রহে বাধা না আসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হামলায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হামলায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আলী হোসেন (৪৮) নামে একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত উত্তরা ব্যাংক পিএলসির গোপীনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম (৪৫) মারা গেছেন।

এটি ঘটনার সময়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এর আগের দিন, সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায়, আনুমানিক দুপুর ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোপীনাথপুর বাজারের গ্রিন হেলথ হাসপাতালের সামনে আলী হোসেনের হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. আরিফুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পিংলু পূর্বপাড়া গ্রামের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, তিনি নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

অভিযুক্ত আলী হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের নোয়ামুড়া গ্রামের যোহর আলীর পুত্র।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসির গোপীনাথপুর শাখার সেকেন্ড অফিসার লোকমান হোসেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, পূর্ব বিরোধের কারণে আলী হোসেন ধারাল অস্ত্র ব্যবহার করে মো. আরিফুল ইসলামের মাথা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জরুরীভাবে স্থানীয় লোকজন ও ব্যাংকের সহকর্মীরা তাঁকে আগে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে। বর্তমানে এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%