ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধোনি কবে অবসর নেবেন, প্রশ্নের জবাবে বললেন সৌরভ গাঙ্গুলী


ধোনি কবে অবসর নেবেন, প্রশ্নের জবাবে বললেন সৌরভ গাঙ্গুলী

মহেন্দ্র সিং ধোনির সম্ভাব্য অবসর সম্পর্কে সৌরভ গাঙ্গুলী মন্তব্য করেছেন। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএল ২০২৬-এর পর ধোনি খেলা ছাড়বেন কিনা, এই প্রশ্নটি বর্তমানে অনেকের মনে উঁকি দিচ্ছে। সৌরভের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত সহজ ও স্পষ্ট।

আইপিএলের আগের দিন এক অনুষ্ঠানে সৌরভ এই প্রশ্নের সম্মুখীন হন। ধোনির অবসর নিয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, খুব শিগগিরই ধোনির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। সৌরভ বলেন, ‘কী করা উচিত তা আমি ধোনিকে বলব, সংবাদমাধ্যমকে নয়।’

৪৪ বছর বয়সী ধোনি এবার আইপিএলে খেলতে নামছেন তার ১৯তম মৌসুমে। ভারতের হয়ে শেষবার খেলার পর প্রায় সাত বছর কেটে গেছে। তবুও, চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে তিনি এখনও মাঠে নামছেন।

আরও পড়ুন: ডুলির লক্ষ্য, সব ম্যাচে জয় নিশ্চিত করা

অন্যদিকে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তার মতে, ২৮ মার্চ শুরু হতে যাওয়া আইপিএল ২০২৬-ই হতে পারে ধোনির শেষ মৌসুম। তিনি মনে করেন, সঞ্জু স্যামসন এখন ধোনির স্থানে আসার জন্য প্রস্তুত।

চোপড়া আরও বলেন, যদি ধোনি শুধুমাত্র ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হিসেবে খেলা চালিয়ে যান, তাহলে তার অবসরের বিষয়টি ভাবা উচিত।

জিওহটস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ডাগআউট থেকে দল চালানো যায় না, এটা ফুটবল নয়। ক্রিকেটে মাঠে থাকতে হয়, আর ধোনির সবচেয়ে বড় গুণ হলো খেলাটা অন্য সবার চেয়ে ভালো বুঝতে পারা। এই স্পষ্টতা আর দৃঢ়তাই তাকে আলাদা করে তোলে। যাই হোক, আমার মনে হয় এটাই তার শেষ মৌসুম হতে পারে।’

চোপড়া যোগ করেন, ‘তার উত্তরসূরি এখন তৈরি। সঞ্জু স্যামসন একসময় গ্লাভস হাতে নেবেন, হয়তো এই মৌসুমেই তা ঘটতে পারে। তবে এটি ধোনির ফিটনেস ও হাঁটুর অবস্থার ওপর নির্ভর করবে। কিন্তু তিনি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে থাকতে পারেন না। যদি তিনি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে খেলেন, তাহলে বুট জোড়া তুলে রাখার সময় এসে গেছে বলে আমি মনে করি।’

আরও পড়ুন: ১০৪ বছর পর ইতালিয়ান লিগে উচ্চারিত মুসোলিনির নাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার দিনে যে সময়ে দোয়া করলে কবুল হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


জুমার দিনে যে সময়ে দোয়া করলে কবুল হয়

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ। এই দিনে ইবাদত-বন্দেগির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আল্লাহ তাআলা জুমার দিনে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দুনিয়াবি কাজ থেকে বিরত হয়ে ইবাদতে মনোনিবেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِي لِلصَّلاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ

‘হে মুমিনগণ! যখন জুম‘আর দিন সালাতের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ব্যবসা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বুঝ।’ (জুমা ৬২/৯)

জুমার দিনের গুরুত্ব বোঝাতে রাসূল (সা.) বলেন, لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ وَدْعِهِمُ الْجُمُعَاتِ، أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ، ثُمَّ لَيَكُونُنَّ مِنَ الْغَافِلِينَ

‘লোকেরা যেন জুমা ত্যাগ করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকে; নচেৎ আল্লাহ অবশ্যই তাদের অন্তরে মোহর লাগিয়ে দেবেন, তারপর তারা অবশ্যই উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়বে।’

জুমার দিনের এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কল্যাণের কিছু চাইলে তার দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। তবে হাদিসে ওই সময়টি নির্দিষ্ট করে একটিমাত্র সময় বলা হয়নি। এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে একাধিক মত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দুটি সময় হলো—ইমাম খুতবার জন্য মিম্বরে বসা থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এবং আছরের পর সূর্যাস্তের আগের সময়।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, কোনো মুসলিম সে সময়ে আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন।’ এরপর তিনি বলেন, সময়টি খুবই অল্প। (সহিহ মুসলিম: ৮৫২)

খুতবা থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

একটি মত অনুযায়ী, ইমাম খুতবার জন্য মিম্বরে বসার পর থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়টি দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের দোয়া কবুলের সময় সম্পর্কে বলেছেন, ‘ইমাম বসার পর থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত।’ (সহিহ মুসলিম: ৮৫৩; সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৯)

অর্থাৎ খতিব খুতবার জন্য মিম্বরে বসার পর থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়কে এ ফজিলতের সময় হিসেবে ধরা হয়েছে। এ সময়ে মুসল্লিদের মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা এবং ইবাদতে মনোযোগী থাকা উচিত। বিশেষ করে খুতবার সময় নীরব থাকার বিষয়টি ইসলামে গুরুত্বের সঙ্গে বলা হয়েছে।

আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত

অন্যদিকে আরেকটি শক্তিশালী মত হলো, জুমার দিনের বিশেষ সময়টি আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘জুমার দিন বারো ঘণ্টা। এর মধ্যে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন। তোমরা তা দিনের শেষ সময়ে আছরের পর অনুসন্ধান করো।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৮)

এই হাদিসের ভিত্তিতে অনেক আলেম আছরের পর সূর্যাস্তের আগের সময়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণে জুমার দিনের শেষ ভাগে দোয়া, জিকির ও ইবাদতে বেশি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দোয়া কবুলের বিশেষ সময় নির্ধারণে আলেমদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও খুতবার সময় থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এবং আছরের পর সূর্যাস্তের আগের সময়—এই দুটি মতই সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। তাই একজন মুসলিম শুধু একটি সময়ের ওপর নির্ভর না করে উভয় সময়েই আন্তরিকভাবে দোয়া করতে পারেন।

ইমাম ইবনে আবদুল বার (রহ.) বলেন, দোয়া কবুলের আশায় প্রত্যেক মুসলিমের উচিত উল্লিখিত দুই সময়ে দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা। (আততামহিদ: ১৯/২৪)

বিশেষ করে আছরের পরের সময়টি দোয়া ও ইবাদতে কাটানো যেতে পারে। মাগরিবের অপেক্ষায় মসজিদে অবস্থান করে নিজের প্রয়োজন ও কল্যাণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার সুযোগও রয়েছে।

হাদিসে ‘নামাজরত অবস্থায়’ দোয়া করার যে কথা এসেছে, এর ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেছেন, নামাজের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিও নামাজের হুকুমের মধ্যে থাকেন। সে হিসেবে মাগরিবের অপেক্ষায় থেকে দোয়া করাও এ ফজিলতের আওতায় আসতে পারে।

জুমার দিন এত ফযীলতপূর্ণ একটি দিন যে, এই দিনে পাঁচটি আমল করতে পারলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতবাসী হিসাবে গণ্য করবেন। রাসূল (সা.) বলেন, خَمْسٌ مَنْ عَمِلَهُنَّ فِي يَوْمٍ كَتَبَهُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ: مَنْ عَادَ مَرِيضًا، وَشَهِدَ جَنَازَةً، وَصَامَ يَوْمًا، وَرَاحَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَأَعْتَقَ رَقَبَةً

‘পাঁচটি আমল যে একই দিনে করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার নাম জান্নাতবাসীদের মধ্যে লিখে দিবেন। ১. যে রোগীর সেবা করল, ২. যে কারো জানাযায় উপস্থিত হলো, ৩. যে সিয়াম পালন করল, ৪. জুম‘আর দিনে মসজিদে গেল এবং ৫. একজন দাস মুক্ত করল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতার দলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ করল ভারতের ইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


মমতার দলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ করল ভারতের ইসি

ভারতের নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নির্বাচনি প্রতীক জোড়াফুলকে আপাতত কোনো পক্ষের জন্য স্বীকৃতি দেয়নি। এর ফলে, আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপ-নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির শিবির এবং ঋতব্রত ব্যানার্জি শিবিরকে জোড়াফুল প্রতীক ছাড়াই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। পাশাপাশি, আপাতত কোনো পক্ষই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম ব্যবহার করতে পারবে না।

১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে জোড়াফুল প্রতীকটি দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে আছে। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, মমতা ব্যানার্জি নিজেই এই প্রতীকের নকশা তৈরি করেছিলেন। তবে, সম্প্রতি এই প্রতীকের নকশা নিয়ে ভিন্ন দাবিও সামনে এসেছে। ফলে, এই প্রতীক নিয়ে বিতর্ক এখন শুধুমাত্র নির্বাচনি চিহ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং দলের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রশ্নও এতে জড়িয়ে পড়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী- উভয়ই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসাবে দাবি করছে। দলীয় নাম, প্রতীক, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছে। কমিশন উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি বিভিন্ন নথিও চেয়েছে।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের সময়সীমা সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। দুই শিবিরই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এহতেশামুল হক। রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী শেখ সফিউজ্জামান। এখন প্রশ্ন হলো, প্রতীক ছাড়া দুই শিবির কোন নামে এবং কোন নির্বাচনি চিহ্নে ভোটের মাঠে নামবে।

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, উভয় পক্ষকেই সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। নামের ক্ষেত্রেও পৃথক পরিচয় ব্যবহার করতে হবে। তবে, এই ব্যবস্থা স্থায়ী নয়। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। ফলে, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন এখন শুধুমাত্র দুটি বিধানসভা আসনের লড়াই নয়, বরং তৃণমূলের দুই শিবিরের সাংগঠনিক শক্তি, জনসমর্থন এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের পরীক্ষাও হতে চলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি সংকটে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


জ্বালানি সংকটে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ফলে পাকিস্তানের সাধারণ জনগণের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় এবং সরকারি ব্যয় হ্রাসের জন্য একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বাজার দ্রুত বন্ধ করা থেকে শুরু করে সরকারি গাড়িতে জ্বালানি বরাদ্দ কমানোর মতো বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশটির দৈনন্দিন জীবনযাত্রা পরিবর্তিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তান সরকার প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪.১০ পাকিস্তানি রুপি এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম ৬.৪১ রুপি বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে প্রতি লিটার পেট্রলের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮৪.৩৪ রুপি এবং ডিজেলের দাম ৪১৫.৮৩ রুপি।

দাম বৃদ্ধির চাপ কিছুটা কমানোর উদ্দেশ্যে বুধবার থেকে সরকার জ্বালানি ভর্তুকি চালু করেছে। তবে সাধারণ জনগণ ভর্তুকি পেতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। গাড়ি ও মোটরসাইকেল মালিকদের আগে নিবন্ধন করতে হচ্ছে, কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে কাজ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

করাচির বাসিন্দা মোহাম্মদ মুশাররফ জানিয়েছেন, মোটরসাইকেল ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর নিবন্ধন করতে তিনি কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করেও সফল হননি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "এত জটিল নিয়ম থাকলে অশিক্ষিত মানুষ কীভাবে এই সুবিধা পাবেন?"

জ্বালানি সংকট এবং বাড়তি খরচ মোকাবেলা করতে পাকিস্তান সরকার এবার জ্বালানি ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে—

জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পাকিস্তান এর আগেও এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও দেশটি জ্বালানি ব্যবহার কমানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির কট্টর ডানপন্থীদের নিয়ে ক্লপের বিস্ফোরক মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


জার্মানির কট্টর ডানপন্থীদের নিয়ে ক্লপের বিস্ফোরক মন্তব্য

এর আগে তিনি বহুবার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন। তবে এবারের সংবাদ সম্মেলনটি কিছুটা ভিন্ন। জার্মানির নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ জাতীয় দলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো দল ঘোষণা করতে এসেছিলেন।

এটি স্মরণীয় হয়ে রইল একটি বিশেষ কারণে। বর্তমানে খেলোয়াড় এবং কোচদের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা দেখা যায় না। সেখানে তিনি পরে এলেন একটি ক্যাপ পরে, যেখানে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল। এরপর সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বেও তিনি রীতিমতো বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

সাবেক লিভারপুল কোচ কালো একটি ক্যাপ পরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন। ক্যাপটিতে লেখা ছিল, আইনের ভন ৮৩ মিলিওনেস। এর অর্থ হলো, ৮ কোটি ৩০ লাখ মানুষের একজন।

তিনি উল্লেখ করেন, জার্মানির ফুটবল দল দেশের জনগণের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে, যাতে জাতীয় গর্ব ভুল মানুষের হাতে চলে না যায়। সম্প্রতি অভিবাসনবিরোধী কট্টর ডানপন্থী দল এএফডি একটি রাজ্য নির্বাচনে বড় জয় লাভ করেছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গত ৬ সেপ্টেম্বর পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যে প্রায় চুয়াল্লিশ শতাংশ ভোট পেয়েছে এএফডি। এখানেই শেষ নয়। আগামী রোববার বার্লিন এবং মেকলেনবুর্গ-ভরপমার্ন রাজ্যের নির্বাচনে তাদের ভালো ফল পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গত জুলাই মাসে জার্মানির দায়িত্ব গ্রহণ করেন ক্লপ। এর আগে চারবারের বিশ্বকাপজয়ী দলটি টানা তৃতীয়বার বড় টুর্নামেন্ট থেকে তাড়াতাড়ি বিদায় নিয়েছিল। ঊনষাট বছর বয়সী এই কোচ লিভারপুল, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এবং মাইনৎসের দায়িত্বে থাকার সময়ও সামাজিক নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।

তিনি সরাসরি এএফডির নাম না নিয়ে যা বলেছেন, তা রীতিমতো বিস্ফোরক। তিনি ‘ভুল মানুষ’ বলে আখ্যা দেন স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যে বিজয়ী এএফডিকে। তিনি বলেন, ‘আমি চাই না জাতীয় গর্ব ভুল মানুষের হাতে চলে যাক। খুব বেশি দিন আগে নয়, অনেক কিছু ঘটেছে। একটি ভোট হয়েছে, যা হয়তো কারও কাছে ঠিক মনে হয়েছে, কিন্তু অন্যরা হয়তো ভেবেছেন, হায় ঈশ্বর, এখানে কী হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন খেলাধুলার মানুষ হিসেবে আমি চাই, আমাদের পতাকাটা আবার ফিরিয়ে নিতে। যখন আমরা এই পতাকা নাড়াই, তখন কেউ যেন না ভাবে তোমার কী হয়েছে। বরং তারা যেন ভাবে, তুমি খুশি, এবং তুমি বোঝো কতটা ভাগ্যবান যে এই সুন্দর দেশে জন্মেছ, অথবা এখানে এসে থাকছ।’

জাতীয় গর্বের প্রসঙ্গে ক্লপ বলেন, তিনি নিশ্চিত নন যে এই শব্দটি এখনো ভুল বোঝাবুঝি ছাড়া ব্যবহার করা যায় কিনা, বা করার অনুমতি আছে কিনা। তিনি বলেন, ‘আমি জার্মান হওয়ার কারণে গর্বিত হতে পারি, আবার একই সঙ্গে খোলা মনের, বৈচিত্র্যময়, সদয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণও হতে পারি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%