শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৫ পি.এম
বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায় বাজার, বাজারের সড়ক ও গলিপথ। ভারী বৃষ্টির ফলে কোথাও সেই পানি কোমরসমান হয়ে যায়। ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সরু নালা দিয়ে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচল করতে হয় দোকানের সামনে জমে থাকা নোংরা পানির মধ্য দিয়ে।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জনবহুল মোসলেমগঞ্জ বাজারে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর)-ও ভারী বৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের মতে, প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার মোসলেমগঞ্জ বাজারে হাট বসে। হাটের দিন মানুষের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। তারা জানান, কার্যকর ও পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বাজারের বিভিন্ন সড়ক, গলি ও দোকানের সামনে হাঁটুসমান পানি জমে যায়।
কোথাও পানি কোমর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। কাঁচাবাজার এবং মুদিদোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ে। ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়, বাজার-সদাই করতে গিয়ে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, বাজারটিতে দুই শতাধিক দোকান রয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ সেখানে কেনাকাটা করতে আসে। হাটের দিন ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি হয়ে যায়। কিন্তু বৃষ্টি হলে বাজারের প্রধান গলি, কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন দোকানের সামনে পানি জমে যাওয়ায় কেনাবেচা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে ড্রেন নির্মাণ করা হলেও সেগুলো অত্যন্ত সরু এবং অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরতে পারে না। নালা উপচে ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি বাজারে উঠে আসে। ভারি বৃষ্টির সময় সেই পানি দোকানের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। এতে ব্যবসায়ীদের পণ্য নষ্ট হয়, অন্যদিকে ক্রেতাদেরও বাজারে ঢুকতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
মুদিদোকানদার সাইফুল ইসলাম বলেন, "বৃষ্টি হলেই দোকানের সামনে পানি জমে যায়। ভারি বৃষ্টি হলে পানি দোকানের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। মালামাল উঁচু করে রাখতে হয়, তবুও সব সময় রক্ষা করা যায় না। পানি জমে থাকায় ক্রেতারাও দোকানে আসতে চান না। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।"
ব্যবসায়ী ওয়াসিম আহম্মেদ বলেন, "বাজারে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তা কোনো কাজে আসছে না। নালা খুবই সরু এবং ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। এ কারণে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নালার ময়লা-আবর্জনা বৃষ্টির পানির সঙ্গে বাজার ও সড়কে উঠে আসে। মুষলধারে বৃষ্টি হলে নালার নোংরা পানি পাশের দোকানগুলোতেও ঢুকে পড়ে। তখন সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।"
আরেক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, "বছরের পর বছর ধরে আমরা এমন দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। বাজারের ড্রেন সংস্কারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বাজারে পানি জমে থাকলে ব্যবসা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। ক্রেতারা পানির কারণে দোকানে আসতে চান না, ফলে বেচাকেনাও কমে যায়।"
ক্রেতা জুবায়ের হোসেন জানান, "বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে এসে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কোথায় সড়ক, আর কোথায় পানি জমে আছে- বোঝা কঠিন। বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের নিয়ে বাজারে আসা খুবই কষ্টকর। বাজারের পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার।"
ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাজারের পুরনো নালা ও ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় কোথাও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও নালা সরু হওয়ায় ভারি বৃষ্টির পানি ধারণ করতে পারে না। এর সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর আউটলেট না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত বের হতে না পেরে সড়ক ও দোকানের সামনে জমে থাকে।
উদয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নূরনবী বলেন, "দীর্ঘদিন ধরেই ড্রেন সংস্কার ও সম্প্রসারণের দাবি জানানো হলেও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থায়ী ড্রেন নির্মাণ প্রয়োজন।"
এ ব্যাপারে মোসলেমগঞ্জ বাজারের হাট ইজারাদার মো. মাজারুল ইসলাম বলেন, "মোসলেমগঞ্জ বাজারে এখনও সরকারি বরাদ্দ হয়নি। আর্থিক সংকটের কারণে বাজারের ড্রেন সংস্কার বা নির্মাণ করতে সময় লাগছে। এখন কোনো কাজ করলে তা নিজস্ব তহবিল থেকে করতে হবে। তবে চেষ্টা করব, যেন কিছুটা সংস্কার করে মানুষের ভোগান্তি দূর করা যায়।"
কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, "মোসলেমগঞ্জ বাজারের জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপেক) সম্মেলনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই সফরটি সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
পুতিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "আমি এ কাজের অংশ হতে আগ্রহী। তবে আবারও স্পষ্ট করে বলছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার ভেতরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শীর্ষ সম্মেলন ক্রেমলিন প্রধানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ হতে পারে। তবে, নিজ দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সফরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চোখের সামনেই মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেল একটি জীবন। আমড়া পারতে গাছে উঠেছিলেন স্বামী আর নিচে দাঁড়িয়ে কুড়িয়ে নিচ্ছিলেন স্ত্রী। কিন্তু এক নিমেষেই সব আনন্দ ও ব্যস্ততা বিষাদে রূপ নিল। গাছ থেকে নিচে পড়ে স্ত্রীর চোখের সামনেই মৃত্যুবরণ করলেন স্বামী।
শনিবার সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। নিহত যুবক গারুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ হাওলাদারের ছেলে তৈয়ব আলী হাওলাদার (৩৫)।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে তৈয়ব আলী বাড়ির পাশে একটি আমড়া গাছে ওঠেন। নিচে অবস্থান করছিলেন তাঁর স্ত্রী।আকস্মিকভাবে হাত পা পিছলে তিনি গাছ থেকে মাটিতে পড়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্ত্রী স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
চোখের সামনে প্রিয় মানুষের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও মর্মান্তিক বিদায় মেনে নিতে পারছেন না স্ত্রী। তাঁর হৃদয়বিদারক আহাজারি ও বিলাপে ভারী হয়ে যায় আকাশ। এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মুহূর্তের মধ্যেই নিহতের পরিবারে তৈরি হলো অপূরণীয় শূন্যতা।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, গাছ থেকে পড়ে তৈয়ব আলী নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর-৩ সিংড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি বলেছেন, "ক্লীন ইমেজ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হবে।" বাকীদের বিভিন্ন পদ-পদবীতে সম্মানিত করা হবে। এজন্য সবাইকে ধৈর্য্য ধরতে হবে।
শনিবার দুপুরে পৌরসভা হলরুমে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সাংগঠনিক কার্যক্রম জেরদার ও দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কর্মী সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় পৌর বিএনপির আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে ও থানা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম বুলেট এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক শারফুল ইসলাম, কলম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, তাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন, সাবেক ভিপি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শামীম হোসেন, ইটালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বজলার রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সাইদুর রহমান, পৌর বিএনপির সদস্য মহিদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ডেইজি আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাদত হোসেন মিন্টু সহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এমপি আনু আরো বলেন, "দল ক্ষমতায় না থাকলে কি হয়।" সেই ফল বিগত ১৭ বছর ভোগ করেছি। জেল, জুলুম, নির্যাতন ও গুম, খুনের শিকার হয়েছি। কাজেই দলকে সুসংগঠিত করার কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন, "কোন মাস্তানি-সন্ত্রাসী বরদাস্ত করা হবে না।" মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। তাই আগে সন্ত্রাসী, লুটপাট, চাঁদাবাজি প্রতিহত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘বর্তমান সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন অপব্যবহার করবে না। তবে, অপতথ্য তৈরি ও প্রচার রোধে কার্যকর আইনি বিধান থাকা অপরিহার্য।’
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন ও গণমাধ্যমের প্রস্তাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি এই কথা বলেন।
আরো পড়ুন
মসজিদের মাইকের ব্যাটারি চুরি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনের বাইরে ক্ষমতা এককভাবে দখলে রেখে গণমাধ্যমের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করেছিল। বর্তমান সরকারের এমন কোনো অভিপ্রায় নেই। এই সরকার গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মিডিয়ার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে সরকারের কোনো লাভ নেই। এ ধরনের কাজ স্বৈরাচারী সরকারই করে। প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলেও বর্তমান সরকার তা আগের সরকারের মতো অপব্যবহার করবে না।’
তিনি জানান, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনটি এখনো প্রস্তাবিত পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্তভাবে পাস বা কার্যকর হয়নি। ফলে গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।’
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন, যা দেশের মানুষকে সুরক্ষা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’
আরো পড়ুন
মালজোড়া গান ও সাধক রসিদ উদ্দিন সরকার
তিনি আরও বলেন, ‘যদি গুজব, মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়ানো হয়, তাহলে একই আইনি কাঠামো সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ হওয়া উচিত। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষ-বিপক্ষ বিবেচনা না করে একই কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’
তবে আইনটির চূড়ান্ত রূপ যা-ই হোক না কেন, তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ