ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাজেকে পর্যটকদের জন্য নতুন যাতায়াত সময়সূচি ঘোষণা


সাজেকে পর্যটকদের জন্য নতুন যাতায়াত সময়সূচি ঘোষণা

রাঙামাটির সাজেকে পর্যটকদের যাতায়াতে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে সড়ক অবরোধের কারণে। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় একবার সরকারি নিরাপত্তা স্কর্ট চলবে, যা নিয়মিত দুইবারের পরিবর্তে। এই ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকেরা ফিরতে পারবেন এবং নতুন পর্যটকেরাও সেখানে যাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতি।

সমিতির দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক জানান, অবরোধের কারণে দুপুর ২টায় একবার স্কর্ট চলবে, যা নিয়মিত দুইবারের পরিবর্তে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ওই স্কর্টের মাধ্যমে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকেরা ফিরে আসতে পারবেন এবং নতুন পর্যটকেরাও সাজেকে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

রবিবার সকাল থেকে ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’-এর ডাকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে। এর ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের ফিরে আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: শশীভূষণে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধ সমর্থকেরা।

এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ অপরিসীম: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ অপরিসীম: মাহদী আমিন

প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্য ও অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ, ভালোবাসা, ধৈর্য এবং কঠিন সংগ্রামের গল্প রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তনে বক্তৃতা প্রদানকালে এ কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের অর্জনের পেছনে পরিবারের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর সমাবর্তনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জীবনে একটি বিশেষ মুহূর্ত আসে। এই দিনটি তারা চিরকাল মনে রাখবেন। সমাবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে নতুন পথে যাত্রা শুরু করছেন।

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের সামনে উচ্চশিক্ষা, মাস্টার্স এবং পিএইচডি অর্জনের সুযোগ রয়েছে, পাশাপাশি পেশাগত জীবনে প্রবেশ কিংবা নতুন উদ্ভাবনের মতো সম্ভাবনাও রয়েছে। কেউ বাংলাদেশে, কেউ বিদেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। আজকের অর্জিত ডিগ্রি তাদের সমৃদ্ধ ও আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়তে প্রস্তুত করবে।

তবে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি অতীতের পথচলার কথাও স্মরণ রাখার আহ্বান জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে শিক্ষার্থীদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে, পরীক্ষার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সামলাতে হয়েছে এবং গবেষণাগারে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব বাধা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে তাদের নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিবারের অবদানও রয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ভালোবাসা ও ত্যাগ জড়িয়ে থাকে। তাদের ধৈর্য, ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি এবং কঠিন সংগ্রাম সন্তানের অর্জনের পথ তৈরি করে দেয়। তাই পরিবারের সদস্যদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তাদের প্রতি হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে।

আইইউটির সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক দলের ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে আইইউটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এ কারণে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার আইইউটি ক্যাম্পাসে এসেছেন এবং সমাবর্তনে অংশ নিয়েছেন। তার বিশ্বাস, বিএনপি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আগামী দিনে একইভাবে এ ক্যাম্পাসে আসবেন।

সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে, যারা সমাজের কল্যাণে কাজ করবেন। মানুষের ক্ষমতায়ন, বিশেষ করে নারী, শিশু এবং তরুণদের ক্ষমতায়নে তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ দায়িত্ব থেকে কখনো পিছিয়ে আসা উচিত নয়।

শিক্ষক, পরিবার এবং শিক্ষার ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দিয়েছেন, পরিবার দিয়েছে শেকড় ও আত্মপরিচয়, আর শিক্ষা ও অর্জিত ডিগ্রি দিয়েছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ডানা। তবে কোন পথে এগিয়ে যাবেন, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদেরই নিতে হবে। নিজেদের মেধা ও সামর্থ্য কীভাবে কাজে লাগাবেন এবং বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন, তা নির্ধারণ করতে হবে তাদেরই।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের অর্জিত ডিগ্রি তাদের সামনে বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ তৈরি করেছে। এই অর্জন কাজে লাগিয়ে আইইউটি, পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে নিজেদের পেশাগত জীবনেও সাফল্যের আলো ছড়িয়ে দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলী চৌরাস্তায় নেই ট্রাফিক পুলিশ বক্স, প্রতিকূল পরিবেশে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


আমতলী চৌরাস্তায় নেই ট্রাফিক পুলিশ বক্স, প্রতিকূল পরিবেশে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে
আমতলী পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্স না থাকায় প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছেন তাঁরা। অথচ দায়িত্ব পালনের জন্য নেই নির্ধারিত আশ্রয়স্থল।

এতে পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যস্ত এ সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে দ্রুত একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট চৌরাস্তা ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। এ পথে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় যানবাহনের পাশাপাশি দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের সার্বক্ষণিক তৎপর থাকতে হয়।

বিশেষ করে যানবাহনের চাপ বাড়লে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও নির্বিঘ্নে যান চলাচল নিশ্চিত করা তাঁদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক পুলিশের জন্য নির্ধারিত বক্স কিংবা পর্যাপ্ত আশ্রয় ও বিশ্রামের ব্যবস্থা না থাকায় দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। প্রচণ্ড রোদে দীর্ঘ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে কাজ করা যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয় পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে সাময়িক রক্ষা পেতে রাস্তার পাশের দোকানে আশ্রয় নিতে হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্রাফিক পুলিশ বক্স কেবল রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষার আশ্রয়স্থল নয়; এটি ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও সরঞ্জাম সংরক্ষণ এবং দায়িত্ব পালনের মধ্যবর্তী সময়ে নিরাপদে অবস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে ব্যস্ত এই চৌরাস্তায় একটি উপযুক্ত পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পরিবেশ আরও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মানবাধিকার কর্মী আবদুর রহমান সালেহ বলেন: ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কটি ব্যস্ততম সড়ক এ সড়কে ট্রাফিক ব্যাবস্থা আরো উন্নত, নিরাপদ হওয়া দরকার যাতে ট্রাফিক পুলিশ ভাইয়েরা নিজ দ্বায়িত্ব পালনে আরো বেশি উৎসাহিত হয়।

আমতলী থানার ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর নারায়ণ চন্দ্র মিত্র বলেন, “আমতলী চৌরাস্তায় একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে আমাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে ট্রাফিক পুলিশের সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।”
তিনি আরও জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাস্তার পাশের দোকানে আশ্রয় নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট পুলিশ বক্স থাকলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদে অবস্থান করাও সম্ভব হবে।

আমতলী থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সঞ্জীব মিত্র জানান, বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানিয়েছেন। সমস্যাটির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে আমতলীর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের এ তথ্য অনুযায়ী, জমি চিহ্নিতকরণ ও প্রশাসনিক উদ্যোগের অগ্রগতির ওপর ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করছে। তবে কবে নাগাদ জমি চিহ্নিতকরণ এবং বক্স নির্মাণের কাজ শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানা যায়নি।

নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশা
সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

বিশেষ করে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের জন্য উপযুক্ত আশ্রয়স্থল থাকলে প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজের চাপ সামলানো সহজ হতে পারে।
একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বিশ্রাম, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নথিপত্র সংরক্ষণ এবং ট্রাফিক কার্যক্রম সমন্বয়ে বাড়তি সুবিধা তৈরি হতে পারে।

পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট স্থান পেতে পারেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনস্বার্থ ও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ ও ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের কার্যকর ব্যবস্থা নেবে। এতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের পরিবেশ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি আমতলী চৌরাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন

খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত।

সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। এর পর প্রধানমন্ত্রী তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এবং সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে ভর্তি করা হয় খান সাইফুলকে।

সাইফুলের চিকিৎসা সম্পর্কে অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান জানান, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। এই বোর্ডের মাধ্যমে সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এ সময় হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান এবং শেকৃবি ছাত্রদল নেতা শোআইব ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের পুলিশের নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর থেকে খান সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ

সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে। একই ঘটনায় আরো ৪ বাংলাদেশি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হামলায় ২ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় খরচে করা হবে। তিনি আরও জানান, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। আহত ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান।

গত শনিবার হুতিদের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে রিয়াদে বাংলাদেশ মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বাংলাদেশ সরকার নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%