রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রতিনিধি,,,মোঃ আসাদ মিয়া
০৪:৫৭ পি.এম
বিএনপি সরকারের দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের উদ্যোগে রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক বাবু স্নেহাংশু কুট্টি সরকার।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতেই এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের সচেতনতা আরও বাড়বে বলে আশা করেন সংশ্লিষ্টরা।
কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমানা এলাকায় ১৫টি গ্রামের নিম্নভাগ প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে কৃষিজমি, মাছের ঘের ও বিভিন্ন শাকসবজির জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বানের পানি প্রবেশ করার ফলে নিচের এলাকায় বসবাসকারীরা নিজেদের বাড়িঘর ত্যাগ করে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলার সময় তারা জানিয়েছেন, ২৪ আগস্ট সোমবার ভোররাত থেকে আচমকাই ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, উপজেলার হাওড়া নদী, জাজির খাল এবং কালন্দী খাল দিয়ে দ্রুত পানি প্রবেশ করা শুরু করে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকার ব্যবসায়ীদের অফিস এবং আশেপাশের বাড়িগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। নির্মলাঞ্চলের ফসলের জমি ও মাছের ঘের পানির তলে চলে গেছে।
এদিকে আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আনোয়ারপুর, হিরাপুর, আব্দুল্লাহপুর, ধলেশ্বর, বঙ্গের চর, বাউতলা, বীরচন্দ্রপুর, সাহেব নগর, উমেদপুর ও বাউতলা এলাকার নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে। একইভাবে আখাউড়া পৌর এলাকার নারায়নপুর, তারাগন, ধাতুর পহেলা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। তাছাড়া, মোগড়া ইউনিয়নের কর্নেল বাজার এবং মনিয়ন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলও পানির নিচে চলে গেছে।
পানি প্রবেশ করায় বাড়িঘরে বসবাসকারী পরিবারগুলো অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা জানিয়েছেন, যদি পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তাহলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে এবং দুর্ভোগের মাত্রা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।
বীরচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনু মিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, ধানের জমি পানির নিচে চলে গেছে। যদি পানি আরও বাড়তে থাকে, তাহলে বড় ধরনের ক্ষতিসাধন হবে। এজন্য কৃষকদের সহায়তার জন্য সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন।
এদিকে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া জানিয়েছেন, ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩২টি পরিবার পানি বন্দি রয়েছে এবং বর্তমানে ১৪ শত হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে রয়েছে।
তবে দুপুরের পর থেকে পানির কমতে থাকায় সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ একটি বৈঠকে, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা পরিচালিত হয়।
সাক্ষাৎ শেষে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশের সরকারি নীতি, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ছয় মাসে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের প্রচেষ্টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রমের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তিনি জানান, বাংলাদেশে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশিত হয়েছে।
এসব খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।
মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার অবকাঠামেরা, পানি ও পয়োনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে। এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিষয়ও উঠে আসে। বিশেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্যাগ বিতরণ এবং স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রশংসা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈঠকে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সব এলাকার মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ সময় সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশের নগর ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
একই সঙ্গে দ্রুত নগরায়নের ফলে বাড়তে থাকা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠকে আলোচনা করা হয়। সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহারের বিস্তার, স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ জানানো হয়।
মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো খাতে সহযোগিতা বাড়লে তা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকটি এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’-এর বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সর্বজনীন উপবৃত্তির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়গুলো উঠে আসে। এই প্রেক্ষাপটে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান, শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যাতে পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয় এবং কোনোভাবেই খাদ্যের মান নিয়ে আপস না করা হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মিড ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করার লক্ষ্যে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায়, শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি শোডাউন এবং আনন্দ মিছিল করেছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত করায়, সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে, জিয়া উদ্যান সংলগ্ন ক্রিসেন্ট লেক রোডে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এই মিছিলে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা রিজভী আহমেদকে অভিনন্দন জানিয়ে "দুর্দিনের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "ছাত্রদলের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "আমরা সবাই তারেক হব, দেশ গড়ায় অংশ নেব" প্রভৃতি শ্লোগান দেন। এই সময়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে এক উৎসবমুখর পরিবেশও লক্ষ্য করা যায়।
ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, রুহুল কবির রিজভী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপি এবং ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।
এর আগে, সোমবার সকাল থেকেই ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রাজধানীর শেরে-ই বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে উপস্থিত হন।
পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রিয় দুই নেতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতও করা হয়।
পুনরায় উল্লেখ্য যে, BNP-এর ৪৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কোনো নেতা দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসুর সভাপতিও। তার এই দায়িত্ব পাওয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ