ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুন পর্যন্ত দেশে স্থাপন হয়েছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার


জুন পর্যন্ত দেশে স্থাপন হয়েছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার

সরকারের চলমান কর্মসূচির আওতায় কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং নির্বিঘ্ন রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার জন্য চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত দেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাকী গ্রাহকদের জন্য মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আজ বলেন, "কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।"

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট, তাদের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে। বিদ্যুৎ গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় ঘটে, যা মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে এবং জুন মাসের মধ্যে সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন, এবং ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

বিউবো পরিচালক মো. শামীম হাসান বলেন, "চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে। বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে এবং বিআরইবি সারাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবারহ করছে, যার বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের

রাষ্ট্রায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও ব্যবসায়িক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু হয় এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থার কারণে বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। এতে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানত দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলের জন্যও কোনো সুযোগ থাকে না।

আরও পড়ুন: মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ ও সমাবেশ, গ্রেফতারের দাবি

এছাড়াও স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফ-পিক সময় এবং সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। একইসঙ্গে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: আইনজীবী নেতাদের কাছে চাঁদা দাবি, মোল্লা ইয়ামিন ও তার পরিবার গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে

জনগণ আবার রাজপথে নেমে আসবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


জনগণ আবার রাজপথে নেমে আসবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, "যখন দেশ আবার ফ্যাসিবাদের থাবায় পড়বে তখন বাংলাদেশপন্থিরা আবার রাজপথে নেমে আসবে।" তিনি আরও বলেন, "দেশে আজ ভয়ের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে জনগণ আবার রাজ পথে নেমে আসবে।"

হাসনাত আবদুল্লাহ মঙ্গলবার ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সিরাজদিখানের নিমতলায় ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি আরো বলেন, "যে জমিতে ১৪০০ শহীদ হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে, তাদের সঙ্গে বর্তমান সরকার প্রতারণা করছে।" বর্তমান ক্ষমতাশীন দল বিএনপিকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, "তাদের সঙ্গে প্রতারণা করবেন না, আমরা স্পষ্ট দেখতে পারছি, দেশের জনগণ আজ প্রতারিত হচ্ছে, পুলিশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র দলীয়করণ করা হচ্ছে।"

হাসনাত আবদুল্লাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, "জনগণ রাস্তায় না নামলে আপনাকে শিলংয়ে রেস্ট হাউজে থাকতে হতো, তারেক রহমানকে লন্ডনে, বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের জেলে আর ধানক্ষেতে রাত্রীযাপন করতে হতো।"

মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মাজিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম , সিরাজদিখান উপজেলা প্রধান সম্বয়ক আলী নেওয়াজ উজ্জল।

এনসিপি জেলা কমিটির সদস্য সচিব মারুফ হাসান মন্টির সঞ্চালনায় এতে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গাজী আ. আলীম, সেলিম মিয়া রাকিবুল ইসলাম ইমরান হোসেন শান্ত প্রমুখ। সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, "আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আজ নাজুক।"

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন ব্যর্থ মন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে বলেছিল ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। প্রশ্ন রেখে বলেন, "কতজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকার বেকারদের কর্মসংস্থান না করে তাদের হাতে মাদক তুলে দিচ্ছে।"

রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার বিষয়ে তিনি বলেন, "দেশের ৭০ ভাগ জনগণ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিএনপি সরকার এখন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। সংবিধানের অর্ধেক মানব অর্ধেক মানব না, যেটা পক্ষে যাবে সেটা মানব, যেটা যাবে না সেটা মানব না- এটা হতে পারে না। দেশের জনগণের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারেন না।"

শেখ হাসিনার দেশে আসার বিষয়ে বলেন, "ডিসেম্বরে কেন, এখনই আসেন। যে নেতাকর্মীদের বিপদে রেখে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যায়, সে আর দেশে আসতে সাহস পাবে না।"

"যার পরিবারের সব সদস্য বিদেশি হয়ে আছে, তারা দেশে এসে জয়বাংলা শ্লোগান দিক।"

নির্বাচনের পর তারেক রহমানের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা তাকে ভুল পথে পরিচালিত করছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "তারেক রহমানের অবস্থা কৃষ্ণনগরের মতো হবে।"

পরে আলী নেওয়াজকে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে উপস্থিত জনগণের কাছে পরিচয় করিয়ে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি বাতিল করল ইরান, সর্বাত্মক যুদ্ধের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ এম


হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি বাতিল করল ইরান, সর্বাত্মক যুদ্ধের শঙ্কা

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও চরম আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নৌ-অবরোধের কারণে ইরান গত মাসে করা যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আবারও একটি সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তারা আর এই চুক্তির কোনো শর্ত মানতে বাধ্য নন। তাদের অভিযোগ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র শুধু চুক্তি লঙ্ঘনই করেনি, বরং ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে অবরোধ দিয়ে তা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যেকোনো মূল্যে হরমুজ প্রণালির ওপর তারা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখবেন। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ওমানের অংশসহ পুরো প্রণালিটি তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তারা আর কোনো আলোচনায় যাবে না বলেও তারা সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন। প্রথমে তিনি জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি বসানোর কথা বললেও পরে উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। তবে বুধবার ভোর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধ কার্যকর হয়ে গেছে।

অবরোধ শুরুর পরপরই হরমুজে গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরান প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ফলে বাহরাইন ও কুয়েতে সতর্কতা জারি করা হয়। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইসরায়েল প্রথম যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই এই সংঘাত চলছে। বর্তমানে আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯টি যুদ্ধজাহাজ ও কয়েকশ সামরিক বিমান প্রস্তুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল ও গ্যাস পারাপার হয়। পরিস্থিতি শান্ত না হলে সারাবিশ্বে জ্বালানির দাম আরও মারাত্মকভাবে বাড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ইস্যু

ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০২ এম


ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র আবারও শুল্কনীতি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। মার্কিন সিনেটে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা বিল উত্থাপন করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে হবে।

প্রস্তাবিত বিলে ভারত, চীন, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

মার্কিন সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল মঙ্গলবার বিলটির বিষয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল ক্রয়কারী প্রধান কিছু দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যার হার সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই প্রস্তাবিত বিলটি শুধু রাশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য নয়; যারা রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসও আমদানি করছে, তাদের জন্যও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

গত বছর রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন, যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ছিল। যদিও সে সময় ওই বিল আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। বর্তমানে উত্থাপিত প্রস্তাবটিকে ওই বিলের সংশোধিত সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন সিনেট সূত্রে জানা গেছে, নতুন সংশোধিত বিলটির পক্ষে ইতোমধ্যে ২৬ জন সিনেটর সমর্থন জানিয়েছেন। আশা করা যায় আগামী দিনে সমর্থকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

শুল্কনীতি নিয়ে আগেই আদালতে ধাক্কা খেয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইন প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্প যে আমদানি শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তা বেআইনি। এর পরে সাময়িকভাবে ১০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি সেই শুল্কনীতিও আদালতে ধাক্কা খেয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে আবার নতুন করে ভারতসহ কিছু দেশের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর চিন্তা করছে আমেরিকা।

সূত্র : আনন্দবাজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে।

এর মাধ্যমে আগে প্রণীত ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ বাতিল করা হয়েছে, যা কার্যকর হয়নি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলেও তা কখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নতুন আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন উদীয়মান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় পুরোনো আইন সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও প্রতিষ্ঠানটি অবদান রাখবে।

বিল-সংযুক্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%