শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৯ এম
পুলিশের সক্ষমতা এবং বিভিন্ন পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে আপত্তিকর বক্তব্যের অডিও ছড়িয়ে পড়ার কারণে পুলিশ কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি যুগান্তরকে এই বিষয়টি জানান।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "ছড়িয়ে পড়া অডিওর বিষয়ে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।"
রাকিবুল হাসান, যিনি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্ব পালন করছিলেন, গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ফাঁস হয়। অডিওতে রাকিবুল হাসানকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অডিওটি প্রাথমিকভাবে রাকিবুল হাসানের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায় রাকিবুল হাসানকে। তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আলোচনা করেন। পাশাপাশি পুলিশে বিভিন্ন পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও করেন।
এই অডিও রেকর্ডের আলোচনার মধ্যে বুধবার রাকিবুল হাসানকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তার জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি বার্তায় উল্লেখ করেন, “উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আপনার সুন্দর শব্দ ও বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে প্রশংসিত।”
শুভেচ্ছা বার্তায় তারেক রহমান লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আপনার এই বিশেষ দিনটি বারবার ফিরে আসুক। ভারতের জনগণের প্রতি আপনার উৎসর্গীকৃত সেবা সর্বদা সুস্বাস্থ্য ও উচ্চ মনোবল সমৃদ্ধ হোক—এই কামনা করি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, মন্তব্য করেছেন যে কর্মক্ষেত্রে নারীদের পূর্ণাঙ্গ সেবা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের মানসিক প্রশান্তি এবং সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয় অত্যন্ত জরুরি।
রাজধানীর ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নবনির্মিত আধুনিক ‘ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উল্লেখ করেন, কর্মজীবী নারীরা যদি মানসিকভাবে শান্তিতে থাকতে পারেন, তবে তাদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে সারা দেশে ডে কেয়ার সেন্টারের চাহিদাও তুলনামূলকভাবে বেড়ে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আধুনিক এই ডে কেয়ার সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর ফলে নারী প্রশিক্ষণার্থীরা সন্তানদের নিরাপদ হেফাজতে রেখে নিশ্চিন্তে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমীন, এমপি।
উল্লেখ্য, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহায়তায় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৭৫০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে এই আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারটি স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রে আগত নারী প্রশিক্ষণার্থীরা সন্তানদের নিরাপদ হেফাজতে রেখে নিশ্চিন্তে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।
সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও শিশুবান্ধব এই সেন্টারে রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত আয়া দ্বারা সার্বক্ষণিক নিবিড় পরিচর্যার ব্যবস্থা। এছাড়া শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ ও বিনোদনের ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার রয়েছে।
সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ০৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সঙ্গে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে পারেন।
যোগ করতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে এপিবিএনের জন্য তদন্ত পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং পার্বত্য অঞ্চলে ভৌগোলিক ও বাস্তবতার কারণে যেসব অপরাধের তদন্তে জেলা পুলিশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে এপিবিএন তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের সশস্ত্র অবস্থানের মধ্য থেকে আমরা সব মামলা তদন্ত করব না। সরকার-আদালত-আইজিপি থেকে যেসব মামলা আমাদের ন্যস্ত করা হয়, আমরা শুধু সেসব মামলার তদন্ত করব।" বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
এপিবিএন ডিআইজি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে জেলা পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই কারণে সরকারের অনুমতি নিয়ে এপিবিএনের নিরস্ত্র সাব-ইনস্পেক্টরদের তদন্তের কাজে যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন আইনে তদন্ত কার্যক্রমের জন্য আইনগত ভিত্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়া নতুন আইনে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আলাদা সেল গঠনের সুযোগও রয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমনে এপিবিএনের ভূমিকার বিষয়টিও আইন দ্বারা স্পষ্ট করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের নিরাপত্তায় এপিবিএনের সদস্য সংখ্যা মাত্র ২২শ।" এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ক্যাম্প এলাকায় আরও জনবল দেওয়ার পাশাপাশি নতুন একটি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এপিবিএন জানিয়েছে, এক মাসে বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ-নগদ প্রতারণার ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এপিবিএনের আগস্ট মাসের কার্যক্রম অনুযায়ী, বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে ৪ হাজার ৯২৯ গ্রাম স্বর্ণের বার ও অলংকার উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ টাকা। এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা এবং ২৭ জন গ্রেফতার হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ