বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৩৩ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার উন্নয়ন, গবেষণা ও বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য সমাবর্তনে আগামী জানুয়ারি মাসে যোগদানের আমন্ত্রণও তিনি গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক, সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর অবহিত করেন।
এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পরিচালিত যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার, অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত নানা পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন তিনি।
উপাচার্য মহান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবময় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ মর্যাদার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে গবেষণা ফান্ড বৃদ্ধি, বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, জীববিজ্ঞান ও জীব-প্রযুক্তির মতো আধুনিক বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নেও তিনি সরকারের সহায়তা চান। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।
উপাচার্যের বক্তব্য শুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা প্রদান ও বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’ এ ক্ষেত্রে অ্যালামনাইদের সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি মমত্ববোধ এবং শিক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময়ের এশিয়ার শীর্ষ ধনী এবং চীনা আবাসন খাতের পরাশক্তি এভারগ্র্যান্ড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হুই কা ইয়ানের জীবনে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। চীনের শেনঝেন শহরের একটি আদালত ৬৭ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ীকে আর্থিক জালিয়াতি, তহবিলের অপব্যবহার এবং অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। আদালত সাজা ঘোষণার সময় তাঁর সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছে।
কিছু বছর আগে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০২১ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ উদ্ভব অনুষ্ঠানে তৎকালীন কোটিপতি হুই কা ইয়ানকে তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে হাসিমুখে সিনিয়র নেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল। অনেকেই তখন এটা সরকারের পক্ষ থেকে তার ব্যবসার প্রতি সমর্থনের বার্তা হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে, দীর্ঘ তিন বছর আটক থাকার পর, আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে হলো এই শিল্পপতিকে।
হেনান প্রদেশের এক সাধারণ গ্রামীণ পরিবারে জন্ম নেওয়া হুই কা ইয়ান, বড় হয়েছিলেন তাঁর দাদির কাছে। তিনি একসময় ইস্পাত কারখানার টেকনিশিয়ান ছিলেন এবং পরে আবাসন খাতের সম্রাট হয়ে ওঠেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এভারগ্র্যান্ড ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দ্রুত দেশটির বৃহত্তম আবাসন কোম্পানি হয়ে ওঠে। ব্যাপক পরিমাণ ঋণ নিয়ে জমি কিনে এবং তুলনামূলক কম দামে দ্রুত ফ্ল্যাট বিক্রি করে এভারগ্র্যান্ড ২০২০ সালে বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ বিক্রির মাইলফলক স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৭ সালে ফোর্বসের তালিকায় ৪৫.৩ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে তিনি এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমাও অর্জন করেন।
কিন্তু অতিরিক্ত ঋণনির্ভর ব্যবসায়িক মডেল এই প্রতিষ্ঠান এবং হুই কা ইয়ানের পতনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণে জর্জরিত এভারগ্র্যান্ড ২০২১ সালে তাদের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। পরবর্তী সময়ে, হংকংয়ের আদালতের নির্দেশে কোম্পানিটি অবসায়নের প্রক্রিয়ায় চলে যায়। ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বাঁচানোর জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি ও ফুটবলের মতো চীনা সরকারের পছন্দের প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি হুই।
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, হুই কা ইয়ানকে আর্থিক বিবরণীতে কারচুপি, শেয়ারবাজারে প্রতারণা এবং জনস্বার্থের চরম ক্ষতির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এদিকে, এভারগ্র্যান্ড গ্রুপকে প্রায় ১.৩১ বিলিয়ন ডলার এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ১ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। দেশের আবাসন সংকটের মাঝখানে কোটি কোটি সাধারণ বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের আর্থিক ক্ষতির এই ট্র্যাজিক অধ্যায় হুই কা ইয়ানকে নিয়ে গেল কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর মন্তব্য করেছেন, ‘সুযোগ পেলে জামায়াত আ. লীগ থেকেও বড় ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠবে।’ তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সুযোগ পেয়েছিল ফ্যাসিস্ট হওয়ার, তাই হয়েছে। জামায়াত-শিবির সেই সুযোগ পায়নি, তাই হতে পারেনি।’
কুষ্টিয়ায় জামায়াত এমপি আমির হামজার কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত গণঅধিকার পরিষদের কর্মী সোহানুর রহমান সোহানকে দেখতে গিয়ে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেছেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত গণঅধিকার পরিষদের কর্মী সোহানুর রহমান সোহানকে দেখতে যাওয়ার সময়, সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলছিলেন। তিনি সেখানে আহত কর্মীর শারীরিক অবস্থার খবরও নেন।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীতে প্রত্যাশা ছিল যে, অংশীদাররা ফ্যাসিবাদের আমলে মজলুম ছিল, তারা সবাই মিলেমিশে একটা ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। কিন্তু আমরা দেখেছি, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার খায়েশ তৈরি হয়েছে। তারা ৬ মাস না যেতেই সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিষোদগার করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাঠে কর্মসূচির নামে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। এসব বিষয়ে কথা বলায়, জামায়াত-শিবির তাদের শক্তি জানান দিতে কুষ্টিয়ায় তাদের উন্মাদ সংসদ সদস্যকে দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা করেছে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সাধারণ সম্পাদক মহাদিসকে কুপিয়ে তার পায়ের দুটি রগ কেটে ফেলেছে এবং সভাপতি সোহানকে বেসবল দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তার নাকের হাড় ভেঙে গেছে এবং তাকে অপারেশন করতে হয়েছে।’
নুরুল হক বলেন, ‘এই জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগের আমলে মজলুম থাকলেও এই ৬ মাসে সারা দেশে কর্মকাণ্ডে দেখাচ্ছে যে, জামায়াতে জামায়াত-শিবির একটা জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই উগ্রবাদী ধর্মীয় বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী জামায়াত-শিবির গোষ্ঠীকে সর্বস্তরের জনগণের এখন থেকে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। এই জামায়াত-শিবির ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতি বয়ে আনবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা পরিষ্কারভাবে মনে করি, ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার কারণে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। ৭১এ কিন্তু এর চেয়ে ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট, গণধর্ষণ হয়েছে। সেই ৭১-এর গণহত্যা, লুটপাট, গণধর্ষণের কারণে জামায়াত-শিবিরও কিন্তু নিষিদ্ধ হওয়া দরকার। আমরা বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করব।’
তিনি মন্তব্য করেন, ‘তাদের (জামায়াত) অতীত ইতিহাস রগকাটার ইতিহাস, ধর্ষণের ইতিহাস, দখলদারির ইতিহাস। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের কে ব্যবহার করে, কিভাবে তারা বিভিন্ন সরকারি অফিস আদালত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দখলবাজি, চাঁদাবাজি চালিয়েছিল।’
আরও জানান, ‘এই সরকারকে তারা ব্ল্যাকমেইল করে, তাদের রাজনৈতিক ধান্দা হাসিল করতে চায় এবং ইসলামি ব্যাংক দখলে নিতে চায়। এরকম আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের লোকজন শেয়ার নিতে চাইছে। তারা ভাগ-বাটোয়ারা চায় এবং ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা চায়।’
জামায়াত-শিবিরকে কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘এরা সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে এ দেশ জাতির জন্য ভয়ংকর বিপর্যয় নিয়ে আসবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেনকে সরকারের পক্ষ থেকে আরও এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হয়েছে।
এই নিয়োগ সম্পর্কে তথ্য গত সোমবার (১৭ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। সেখানে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ডা. নাজমুল হোসেনকে আগামী ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তার অবসরোত্তর ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত করা হয়েছে এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : আজ বৃহস্পতিবার মিরপুর সেনানিবাসস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি)-তে তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারী ফেলোদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।
এই কোর্সে মোট ৩৯ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
প্রধান অতিথি, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ক্যাপস্টোন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি সকলকে আহ্বান জানান যে, জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান, বিএসপি, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অব্যাহত সংলাপ ও ঐকমত্য গঠনে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কোর্স চলাকালীন ফেলোদের সক্রিয় ও স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, কৌশলগত উপলদ্ধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের নেতৃত্বের মধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় মেলবন্ধন গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের এই ক্যাপস্টোন কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক চিন্তাধারার বিকাশ, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ, এনডিসির অনুষদবৃন্দ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ