রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৪৮ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮১৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮৮ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ২০ হাজার ৫৬২ জন।
১৫ মার্চ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৯৫৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম থেকে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০১ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই ও জগন্নাথপুর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের দুর্ভোগ লাঘবে চন্ডিডর গুদারাঘাট এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করতে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি ও পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চন্ডিডর গুদারাঘাট এলাকার মানুষের চলাচলে নৌপথের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষকে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু স্থায়ী সেতু না থাকায় বর্ষাকালে নৌযানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষের জন্য এই পরিস্থিতি দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে স্থানীয়রা জানান। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে পরিবহন সমস্যার মুখে পড়েন। একইভাবে রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষের ক্ষেত্রেও দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
তিন উপজেলার মানুষের যোগাযোগ সহজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে শরীফুল ইসলাম (৪৫) নামের একজন যুবলীগের নেতা, যিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের চরটেকী গ্রামের নিজ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
শরীফুল ইসলাম, যিনি জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের চরটেকী গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার খুরশীদ উদ্দীনের পুত্র, জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান জানান, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় শরীফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা ও সন্ত্রাস বিরোধী নাশকতা মামলায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে দেবীদ্বার থানা পুলিশ। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এমনটি জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের মধ্যে একজন হলেন দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আল-আমিন অভি (২৯), যিনি উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। অপরজন হলেন দেবীদ্বার বরকামতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. আশরাফুল সরকার রাতুল (২০), যিনি একই ইউনিয়নের বাগুর গ্রামের বাবুল সরকারের ছেলে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমিনুল ইসলাম সাব্বিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আমিনুল ইসলাম সাব্বির মারা যান। এই ঘটনার পর দায়ের করা হত্যার মামলায় আটক আল-আমিন অভি এজহারভুক্ত ৪৪ নম্বর আসামি ছিলেন।
ঘটনার পর থেকে অভি পলাতক ছিলেন। তাছাড়া, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর মুরাদনগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় তিনি ১৯ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, দেবীদ্বার থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খাদঘর এলাকায় ছাত্রলীগের প্ল্যাকার্ড হাতে সরকার বিরোধী মিছিল ও নাশকতার প্রস্তুতির তদন্তে পাওয়া আসামি আশরাফুল সরকার রাতুলকে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দেবীদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, ‘সাব্বির হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামি ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন অভি ও নাশকতা মামলায় রাতুলকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার পূর্বক কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটদের জন্য নির্মিত কাঠের ঘর নিয়ে কিছু সমালোচনা উঠেছে। তবে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সভাপতি কার্স্টি কভেন্ট্রি এর সঙ্গে একমত নন। তিনি জাপানের নাগোয়া ও আইচিতে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের থাকার ব্যবস্থা পরিদর্শন করে বরং মুগ্ধ হয়েছেন।
গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন হয়েছে। খরচ কমানোর লক্ষ্যে এবার প্রচলিত ‘অ্যাথলেটস ভিলেজ’ স্থাপন করা হয়নি। ১৭ হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা থাকছেন হোটেল, অস্থায়ী কাঠের কেবিন এবং একটি প্রমোদতরিতে। তবে কিছু দেশের খেলোয়াড়রা এসব কেবিনের আকার ছোট এবং বিছানা তুলনামূলকভাবে খাটো হওয়ায় সমালোচনা করেছেন।
আজ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নাগোয়ার গার্ডেন পিয়ারে অ্যাথলেটদের থাকার স্থান পরিদর্শন করেন কভেন্ট্রি। তিনি বলেন, ‘কেবিনগুলোর পরিবেশ শান্ত, খুবই শীতল। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভালোভাবে কাজ করছে। মেঝে ও দেয়ালগুলো সুন্দর। আমি যে কয়েকটি অ্যাথলেটস ভিলেজে থেকেছি, সেগুলোর কয়েকটির চেয়েও এটি ভালো।’
কভেন্ট্রি আরও বলেন, ‘জাপান ও আয়োজক কমিটির প্রতি সুবিচার করতে গেলে বলতেই হয়, আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। এত দিন যা যা বলা হচ্ছিল, আমি শুধু সেগুলোই পড়ছিলাম। এখানে এসে সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু দেখব বলে ভেবেছিলাম।’
কভেন্ট্রির মতে, এ ধরনের আবাসন ব্যবস্থা নতুন ধারণা নয়। এ বছর ইতালিতে শীতকালীন অলিম্পিকেও একই ধরনের থাকার ব্যবস্থা ছিল। নাগোয়ার কেবিনগুলো কিছুটা ছোট হলেও সেটিকে তিনি বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘এগুলো একটু বেশি আঁটসাঁট। তবে এটাকে নেতিবাচক কিছু মনে করি না। আমার এই ভিলেজ পছন্দ হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ