বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় উপস্থিতি কম হওয়ার উপর উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই স্মরণসভায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।
এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের সূত্র ধরে মন্ত্রী বলেন, “এটা আবু সাঈদ চত্বর। আমি ধারণা করেছিলাম, আজকে এই চত্বরে যতই গরম থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবে। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন চমৎকার করে গড়ে তুললেন না? কেন অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে আছে? আমি যদি বলি অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি…। এটি শুধু আমার জন্য না, এটা আপনারা সকলের জন্য অনেক কষ্টের।”
তিনি বলেন, “ডায়াসে আমরা অনেক চমৎকার বক্তৃতা করি। কিন্তু বক্তৃতার বাস্তবায়নটা করি না। বক্তৃতার বাস্তবায়নটাই এখন সময়ের দাবি।”
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, “আজকে যদি এই চত্বরটা লোকে লোকারণ্য থাকত, তাহলে আবু সাঈদ কবর থেকে শান্তি পেত। আবু সাঈদ কবর থেকে হয়তো বলতো—আমার সহপাঠীরা ১৬ জুলাই আমাকে কিভাবে স্মরণ করছে।” তিনি বলেন, “আমি দুঃখিত, আমি হতাশ হয়েছি।”
মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকার জুলাই অভ্যুথ্থানকে লালন করে এবং ধারণ করে। জুলাইকে লালন করে বলেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় জুলাই চেতনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ-মারুফসহ দুই হাজার শহীদের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই অধিদপ্তরের মধ্যদিয়ে জুলাই চেতনার প্রত্যেকটি দাবি বাস্তবায়ন হবে, কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। যার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। এই পাঁচ মাসে রংপুরসহ নানা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন।”
আপনি যখন স্মরণসভায় উপস্থিতি কম কেন-এমন প্রশ্ন করেছেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী তার সময়ের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন এবং এর কোন উত্তর দেননি।
স্মরণসভায় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল বেলায় বিএফএসএর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রদর্শিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে এসব খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া খাদ্যপণ্যগুলো হলো—ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে উল্লিখিত খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে বিক্রি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএফএসএ সর্বসাধারণকে এই খাদ্যপণ্যগুলো ক্রয় অথবা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) তিনটি প্রতিষ্ঠানকে খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
খাদ্যপণ্য ও প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো-
১। ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘স্টে কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামের খাদ্যপণ্য;
২। ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য এবং
৩। আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কর্তৃক উপরে বর্ণিত তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাজার থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যসমূহকে প্রত্যাহারপূর্বক বিপণন বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এমতাবস্থায়, সর্বসাধারণকে উল্লিখিত খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ী ট্রফি হাতে ক্যাসিয়াস।
এলার পর এক কামব্যাকের গল্প লিখে বিশ্বকাপে ছুটছে আর্জেন্টিনা। এবার তুলির শেষ আঁচড় দেওয়ার পালা।
তাদের প্রত্যাবর্তন দেখে তাই বহু মানুষের মনে হচ্ছে চতুর্থ বিশ্বকাপটা আলবিসেলেস্তাদের নামেই খোদাই হতে যাচ্ছে।
এ জন্য আগামী ১৯ জুলাই স্পেনকে হারাতে হবে আর্জেন্টিনাকে। তবে নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা নয়, স্পেন বিজয়োল্লাস করবে বলে মত করেছেন ইকার ক্যাসিয়াস। স্পেন কিংবদন্তির মতে, আর্জেন্টিনার চতুর্থ নয়, স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা হতে যাচ্ছে।
ফাইনালের লড়াইয়ের আগে এভাবে মাঠ গরম করে রাখলেন ক্যাসিয়াস। সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে স্পেনের সাবেক গোলরক্ষক লিখেছেন, 'আর্জেন্টিনা, তোমাদের চতুর্থ তারকা (শিরোপা) পাওয়া হচ্ছে না! আমরা দ্বিতীয় শিরোপার দিকে এগোচ্ছি!! এগিয়ে চলো স্পেন!'
ক্যাসিয়াসের বিশ্বাস, শুধু বিশ্বকাপ নয়, ফিনালিসিমাও স্পেন জিতবে। তাই ফিফাকে দুটি শিরোপাই প্রস্তুত রাখতে বলা রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক গোলরক্ষক লিখেছেন, 'এই রোববার ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ, দুটোই আমাদের! দুটো ট্রফিই প্রস্তুত রাখো ফিফা!'
৮৪ মিনিট পর্যন্ত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ড শেষে ২-১ গোলে হারায়। কোচ টমাস টুখেলের সমালোচনাও করেছেন ক্যাসিয়াস। তিনি লিখেছেন, 'নিজেদের ভুল কৌশলের কারণে তারা ম্যাচ হেরেছে।
ওরা শেষ ৩০ মিনিট আর্জেন্টিনাকে যা খুশি তাই করার সুযোগ দিয়েছে। এটা হতে পারে না। আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল অবিশ্বাস্য হতে যাচ্ছে।'
ইংল্যান্ড গোল পাওয়ার পর নিজেদের বক্সে চলে যাওয়াকে ভীরুতা বলে উল্লেখ করেছেন ক্যাসিয়াস। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের গোলরক্ষক লিখেছেন, 'ইংল্যান্ড গোল করার পরই পিছিয়ে যায়।
এটা ভীরুতার পরিচয়। নিজেদের বক্স ছেড়ে বের হতে না চাওয়ায় একের পর এক আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার তাই হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেছেন, গণভোটে পাওয়া জনরায় বাস্তবায়ন না করে সরকার ভুল পথে হাঁটছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করার পরিবর্তে সরকার সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা থেকে সরে এসেছে।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে ১১ দলীয় ঐক্য খুলনার উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা : সাম্প্রতিক বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের পর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিএনপি শুরু থেকেই একমত ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর দলটি রাষ্ট্রপতির আদেশ, গণভোট ও জুলাই সনদের বাধ্যবাধকতা অস্বীকার করছে, যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তার দাবি, জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সরকার যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি প্রকৃত সংস্কার নয়। তিনি মন্তব্য করেন, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক, মানববন্ধন ও বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হুসাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, জুলাই আন্দোলনের শহীদ সাকিব রায়হানের বাবা-মাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন。
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ