বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:০৬ এম
এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে গিয়ে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রকে মারধর করার পর কানধরে ওঠবস করানোর। বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে আটক করে তার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নাঠৈ রিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত লিপন শরীফ নাঠৈ গ্রামের বাসিন্দা বাদশা শরীফের ছেলে এবং জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে লিপন শরীফকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট মো. মেহেদী হাসান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক মো. শাহিন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লিপন শরীফ দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্কুলের বিরতীকালীন সময়ে লিপন শরীফ অহেতুক দশম শ্রেণীর এক ছাত্রকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে স্কুলের মাঠে এনে কানধরে ওঠবস করানো হয়। এসময় বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা লিপনের প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লিপন শরীফ শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রধান শিক্ষক আরও জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
এসময় লিপন শরীফ লাঠি হাতে স্কুলে প্রবেশ করলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে স্কুলের একটি কক্ষে আটক করে রাখে। পরিস্থিতি চরম উত্তেজনায় পৌঁছালে তিনি (প্রধান শিক্ষক) বিষয়টি স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীমকে অবহিত করেন।
সূত্রমতে, ইউএনওর নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থলে আসেন। এসময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা লিপন শরীফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে লিপন শরীফকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রীদের উপর শ্লীলতাহানিকর কথা বলা, ছাত্রদের উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ এবং শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে লিপন শরীফকে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দণ্ডিত করা হয়েছে। গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্তকে ওইদিন দুপুরে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবদল নেতা লিপন শরীফ জানিয়েছেন, "প্রায়দিনই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিলো। বিষয়টি শিক্ষকদের জানিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে নিজের সন্তানের মতো ভেবে শিক্ষার্থীদের শাসন করতে গিয়ে আমি নিজেই দণ্ডিত হয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জন্মদাতা পিতাকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুত্রকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। বরিশালের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১৬ বছর পর এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।
একই মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। দন্ডিত পুত্র পলাশ হাওলাদার পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, দন্ডিত পুত্র পলাশ হাওলাদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহা গ্রামের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে। মামলার অপর আসামি কাওসার হাওলাদার ও মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরও বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বাদি নিহত আলী আকবর হাওলাদারের অপর পুত্র মো. শহিদ হাওলাদার এজাহারে উল্লেখ করেছেন যে, তাদের মা দীর্ঘদিন পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের পিতা একজন দিনমজুর ছিলেন। শহিদ জানান, তার মেঝ ভাই পলাশ সাকরাল গ্রামের ইসমাইল হোসেনের কন্যা জোছনা আক্তারকে বিয়ে করে প্রায় একবছর সংসার করে। পরে সে (পলাশ) পরিবারের সকলের অমতে ভদ্রসা গ্রামের শাহ আলম রাঢ়ীর কন্যা সুইটি বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে শশুর বাড়িতে বসবাস শুরু করে।
শহিদ আরও উল্লেখ করেন, প্রায়ই পলাশ তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে উঠতে চাইলে তার বাবা বাঁধা প্রদান করতেন। এতে পলাশের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে পলাশের প্রথম স্ত্রী জোছনা বেগমকে কোনো প্রকার ভরণপোষণ না দেওয়ায় তিনি (জোছনা) পলাশের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পলাশ কিছুদিন কারাভোগ করে জামিনে বের হয়ে আসে।
বাদি বলেন, ওই মামলা দায়েরের জন্য পলাশ তার বাবা আলী আকবরের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ফলে কারাভোগের প্রতিশোধ নিতে পলাশ মরিয়া হয়ে ওঠে। ২০১০ সালের ২ মে সন্ধ্যার পর পলাশের সাথে তাদের পিতার তুমুল বাগবিতন্ডা হয়। ওইদিন দিবাগত মধ্যরাতে পলাশসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন ব্যক্তি তার ঘুমন্ত পিতাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরের দিন (৩ মে) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে প্রতিবেশী আলমগীর হাওলাদার তাদের পিতাকে পাশ্ববর্তী একটি ধান ক্ষেতে হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা এবং চোখমুখ গামছা দিয়ে বাঁধাসহ রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং তাদের (শহিদ) বাড়িতে খবর দেন।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুমূর্ষ অবস্থায় তাদের বাবা আলী আকবর হাওলাদারকে উদ্ধার করে প্রথমে উজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার (আলী আকবর) মৃত্যু হয়। এরপর নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়।
এহাজারে উল্লেখ রয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সযোগে আলী আকবরকে বরিশালে নেয়ার সময় পলাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠে তার বাবার গায়ে হাত দিতে গেলে তার বাবা পলাশের হাত সরিয়ে দেন। তবে সেসময় তিনি (আলী আকবর) মুখে কোনো কথা বলতে পারেননি। এতে বাদির সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে বাদির ছোট ভাই সবুজের কাছ থেকে ওইদিন রাতে পলাশ ও তার সহযোগিরা বাবাকে ডেকে নিয়ে যাবার ঘটনা শুনে থানায় এসে তিনি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এ মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৫ মার্চ উজিরপুর মডেল থানার ওসি সুকুমার রায় আদালতে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় একাধিক স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার বিচারক উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ক্লাশ চলাকালীন সময়ে প্রথমে আনুমানিক একটার দিকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে বিদ্যালয়ের সিড়িতে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে যায়, এবং তার প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এর পরপরই অন্তত ২০-৩০ শিক্ষার্থী একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে।
হাইস্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান সোহাগ জানান, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থদের কয়েকজনকে স্কুল থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে কলেজ বাজারের চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে দ্রুত কলাপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত অন্তত ২৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে ২৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অচেতন হয়ে যায়। সন্তানের হঠাৎ অসুস্থতার দৃশ্য দেখে অভিভাবকরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নানা শঙ্কায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। সহপাঠিরা জানান, অসুস্থ হয়ে পড়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণির।
একাধিক শিক্ষক জানান, স্কুলের ক্লাশের মাঝখানে (লেইজার) দুপুরের বিশ্রাম চলছিল। তখন থেকেই এক এক করে ছাত্রীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। এর মধ্যে ওই স্কুলের শরীরচর্চা শিক্ষক ইকবাল হোসেনও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে কলাপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: টেন মং জানান, মেডিকেল সাইন্সে এটিকে ‘মাস সাইকোজেনিক ইলনেস’ বলা হয়। একজনের অসুস্থতা দেখে অন্যজনও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। মানসিক প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। তবে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নয়। সবাইকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি আশা করছেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবাই সুস্থ হয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতনের অভিযোগের মধ্যে নাদিয়া নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি বিষপান করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নাদিয়া উপজেলার টগড়া গ্রামের মৃত নাছির হাওলাদারের একমাত্র মেয়ে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তাঁর চাচা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হাবিবুল্লাহর সঙ্গে নাদিয়ার বিয়ে হয়।
নাদিয়ার মা অভিযোগ করেন, “আমার মেয়ের স্বামীর আগে থেকেই অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। এ কারণে সে নাদিয়াকে তেমন গুরুত্ব দিত না। স্বামীর পরিবারের লোকজনও আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। এসব অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।” স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাদিয়ার বাবা নাছির হাওলাদার মারা যাওয়ার পর তাঁর সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে হাবিবুল্লাহর সঙ্গে নাদিয়ার বিয়ে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিয়ের পর হাবিবুল্লাহ বিদেশে চলে যান। পরিবারের অভিযোগ, বিদেশে থাকা অবস্থায় তিনি নাদিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন না এবং তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণও করতেন না। এ সময় নাদিয়া শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। স্বামীর আচরণ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে অভিযোগ করলে তাঁরা নাদিয়াকে সহযোগিতা না করে উল্টো বকাঝকা করতেন বলে অভিযোগ করেন তাঁর মা। পরিবারের দাবি, এ নিয়ে প্রায়ই নাদিয়ার সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির ঝগড়া-বিবাদ হতো।
অভিযোগ রয়েছে, হাবিবুল্লাহর অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে দাম্পত্য কলহের পাশাপাশি নাদিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। কিছুদিন আগে হাবিবুল্লাহ দেশে ফিরে আসার পর আবারও নাদিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। একপর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নাদিয়া কচা নদীর ওপারে চরখালী এলাকায় তাঁর নানাবাড়িতে চলে যান। সেখানে তিনি বিষপান করেন।
বিষয়টি স্বজনদের নজরে পড়লে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাদিয়ার মৃত্যু ঘটে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নাদিয়ার মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় ছিল। এ বিষয়ে জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত আলী খান বলেন, “ঘটনাটি এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নেই। যেহেতু মরদেহ বরিশালে রয়েছে। মরদেহ আসার পর আমরা খোঁজ নেব। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী-০৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, পায়রা বন্দর অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে, অন্তবর্তী সরকারের সময় কিছু সংকটের কারণে অপারেশনাল কার্যক্রম দ্রুত অগ্রসর হয়নি।
বর্তমানে ড্রেজিং এবং হপার ড্রেজার ক্রয়ের উদ্দেশ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, খুব শীঘ্রই এ প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদন লাভ করবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রচণ্ড ব্যস্ততা বিরাজ করছে, অন্যদিকে মোংলা বন্দরে নাব্যতা সংকট বিদ্যমান। পায়রা দেশের একমাত্র নিরাপদ বন্দর।
যদি ড্রেজিং সমস্যা সমাধান করা যায়, তবে পায়রা বন্দর হবে সবচেয়ে কার্যকরী বন্দর। বর্তমান সরকার পায়রা বন্দরকে কার্যকরী করার জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এর আগে, তিনি বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল সৈয়দ সাইফ-উল ইসলাম, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান এবং কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হুয়ামুন সিকাদারসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ