ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিশরের স্বাধীন গণমাধ্যমের অধিকার সুরক্ষায় ইইউর আহ্বান


মিশরের স্বাধীন গণমাধ্যমের অধিকার সুরক্ষায় ইইউর আহ্বান

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মিশরে স্বাধীন গণমাধ্যমের অধিকার সুরক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছে, যখন দেশটির একটি শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিকের বিচার এবং সংবাদ ওয়েবসাইট ‘মাদা মাসর’ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মিশরীয় কর্তৃপক্ষ গত মঙ্গলবার সাংবাদিক লিনা আতাল্লাহকে লাইসেন্স ছাড়া ‘মাদা মাসর’ পরিচালনার অভিযোগে কয়েক ঘণ্টার জন্য আটক করে। এর আগে আদালত তাকে ৩০ লাখ মিশরীয় পাউন্ড (৫৩ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার) জরিমানা করে।

বার্তা সংস্থা এএফপি ব্রাসেলস থেকে এই তথ্য জানায়।

আরও পড়ুন: হরমুজ থেকে মাইন সরানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, প্রমাণ চাইল আইআরজিসি

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, আতাল্লাহর বিচার মিশরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার সরকারি প্রচেষ্টাকে আরও বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

ইইউর পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি বলেন, ‘মিশরের আইনেই মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত, যা একটি মৌলিক অধিকার।’

তিনি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘এ পরিস্থিতিতে স্বাধীন গণমাধ্যমের অস্তিত্ব বজায় রাখা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।’

মুখপাত্র মিশর ও ইইউর মধ্যকার সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে একটি সহযোগিতা চুক্তি বিদ্যমান। এই চুক্তিতে ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাসহ সর্বজনীন মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার অভিন্ন অঙ্গীকার’ রয়েছে।

আরও পড়ুন: চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরানো হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরানো হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সতর্ক করে বলেছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে।

আজ রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবন সম্মেলনকক্ষে ঢাকা ওয়াসার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, দাসেরকান্দি স্যুয়ারেজ পয়োবর্জ্য শোধনাগার থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা অঞ্চলের পাইপলাইন সংযোগ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া, পূর্বাচল এলাকায় পানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে ওয়াসা বোর্ডগুলো জনসেবামূলক এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের কাজে বাধা বা অনাবশ্যক হস্তক্ষেপ তৈরি করছে, যা কাজের গতি কমিয়ে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার আইন সংশোধন করে সারা দেশের সকল ওয়াসা থেকে বোর্ড বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

ওয়াসার কাজের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীতে জনসংখ্যা ও বাসাবাড়ির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির চাহিদাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কিন্তু গত সাত মাসে ওয়াসার কার্যক্রমে নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবন বা প্রকল্পের গতি দেখা যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পানির কোনো সংকট তৈরি হলে তার দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। তাই ঢাকা নগরবাসীর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দেন তিনি।

ওয়াসার অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আধুনিকায়ন বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবার মান বজায় রেখে নিজস্ব রাজস্ব আয় আরও বাড়াতে হবে, যাতে বিদেশি ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব তহবিল থেকে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়। একই সঙ্গে মিটার রিডিং ও বিলিংয়ে অটোমেশন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ২০৫০ সালের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়নে নতুন ও পূর্ণাঙ্গ জনবল কাঠামো বা অর্গানোগ্রাম তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় ঢাকা ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী সমিতি, ডিপ্লোমা অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএ নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ, অনিয়মের অভিযোগ পায়নি ইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ, অনিয়মের অভিযোগ পায়নি ইসি

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের পরিবেশ বর্তমানে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়মের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আসেনি বলে জানিয়েছেন আখতার আহমেদ, যিনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব।

আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বাসসকে এই তথ্য জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে একটি দৃশ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যালট পেপারটি বইয়ের মুড়ি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়নি এবং প্রতীকের ওপর সিল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যালটের পেছনের দিকে সিল দেওয়া হয়েছিল। ভোটগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দ্রুত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য তিনি হয়তো আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

আখতার আহমেদ আরও জানান, উপনির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তখন পর্যন্ত প্রার্থীরাও ভোটের পরিবেশ ঠিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে সরাসরি সম্প্রচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, কমিশনের কাছে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। যদি কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটে, তবে স্থানীয়ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো সম্ভব।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তৎপর রয়েছেন। আখতার আহমেদ বলেন, যদি কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটে, তবে তা অবশ্যই গণমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। একইসঙ্গে যাচাই না করে ভুল বা অপতথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের সঙ্গে ইপিএ দ্রুত কার্যকর হলে রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


জাপানের সঙ্গে ইপিএ দ্রুত কার্যকর হলে রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়বে

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : যদি জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করা যায়, তাহলে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশটির বড় বাজারে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। এ লক্ষ্যে চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করার পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে ঢাকায় অবস্থিত জাপান দূতাবাস।

বাসস’র প্রশ্নের লিখিত জবাবে দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ জানায়, চুক্তির সুবিধা গ্রহণের জন্য ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন শর্ত সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে শুল্কসুবিধা এবং পণ্যের উৎপত্তির নিয়ম সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। এভাবে চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাস্তব অর্থনৈতিক সুফল অর্জন সম্ভব হবে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে স্বাক্ষরিত ইপিএ, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

জাপান দূতাবাস জানায়, চুক্তিটি কার্যকর হলে নির্ধারিত শুল্ক কাঠামোর আওতায় অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাওয়া যাবে। সেবা, বিনিয়োগ, শুল্কপ্রক্রিয়া, ই-কমার্স এবং মেধাস্বত্বের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকায় ব্যবসা পরিচালনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় আরও বেশি নিশ্চয়তা তৈরি হবে।

দূতাবাসের বক্তব্য, ‘তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হলো চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করা এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।’ এ জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি চুক্তির সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে দূতাবাস।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) মধ্যে চুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে জাপান দূতাবাস। তাদের মতে, এ বিষয়ে প্রচার ও যোগাযোগ কার্যক্রম জোরদার করা গেলে আরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চুক্তির আওতায় আসতে পারবে এবং নতুন বাণিজ্য কাঠামোর সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য এ চুক্তি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এর মাধ্যমে রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের পরিকল্পনায় ব্যবসায়ীরা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো পাবেন।

দূতাবাসের মতে, চুক্তির সুফল হিসেবে বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দুই দেশের সরকার এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ প্রয়োজন। চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে দুই দেশ যৌথ কমিটিসহ বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাগুলো কাজে লাগাতে পারে।

পোশাকের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণের সুযোগ

জাপানের বাজারে তৈরি পোশাকের (আরএমজি) বাইরেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলে মনে করে দূতাবাস। এ ক্ষেত্রে চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, ওষুধ এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবাকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে তারা।

এ ছাড়া বাংলাদেশের উৎপাদনশিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য গাড়ির যন্ত্রাংশসহ শিল্পের বিভিন্ন উপকরণ উৎপাদনের মতো পশ্চাৎমুখী শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ অনুসন্ধানের পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

তবে জাপানের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য দেশটির বাজারের চাহিদা ও মানদণ্ড সম্পর্কে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের আরও ভালো ধারণা থাকতে হবে। পণ্যের মান ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখা, নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবেশ, শ্রম ও পণ্যের মানসংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে ওষুধ রপ্তানির ক্ষেত্রে জাপানের পণ্য অনুমোদন ও উৎপাদনের মানসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে।

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উৎপাদনশিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ভোগ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, সরবরাহ ও পরিবহনসেবা এবং জ্বালানির কথা উল্লেখ করেছে দূতাবাস।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (বিএসইজেড) জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জাপানি কোম্পানিগুলোর সংযোগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

দূতাবাস বলেছে, অবকাঠামোর উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশে বিনিয়োগে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও উৎসাহিত হবে। এতে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

দূতাবাসের মতে, ইপিএ কার্যকর করা, শিল্প খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও গভীর করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরাগ নদী থেকে সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


তুরাগ নদী থেকে সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : তুরাগ নদী থেকে নৌ পুলিশ একটি সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

বুধবার বিকেলে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। নিহত ব্যক্তির নাম তাহসিফ সৌরি, যার বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তিনি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট।

ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন বৃহস্পতিবার বাসসকে এই তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর- ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী ফাঁড়ির নৌ পুলিশ উত্তরখান থানাধীন রাজাবাড়ী ঘাট সংলগ্ন তুরাগ নদী থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরাতহাল প্রস্তুত করা হয়েছে। লাশের পরনে ছিল সাদা পাজামা এবং কালো জামা। হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আই ফোন পাওয়া যায়। মুখে হালকা দাড়ি ছিল। আই ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাহসিফ গত মঙ্গলবার নিখোঁজ হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%