কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৩:০৭ পি.এম
হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পেয়ে বাড়ি ফেরার পথে শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হলো না তাঁদের। পরিবহন বাসে চড়ে এলাকায় ফেরার সময় ফরিদপুরের ভাঙ্গা মহাসড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলার আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। পরে তাঁদের আলফাডাঙ্গা থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০-এর স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১০) ভাঙ্গা মহাসড়ক এলাকায় একটি পরিবহন বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ রুবেল শেখ (৪০), মোঃ আশিক শেখ (২৭), মোঃ এলায়েত শেখ (৫৫), মোঃ মন্টু শেখ (২৮), মোঃ উজ্জল শেখ (৪০), মোঃ সাগর শেখ (২৩), মোঃ সজল শেখ (২১) ও সাজ্জাদ শিকদার (৩৫)। তাঁরা সবাই আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামের বাসিন্দা।
র্যাবের অভিযানের পর গ্রেপ্তার আটজনকে পুলিশের বিশেষ গাড়িতে ফরিদপুরে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও গ্রাম্য বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে একাধিক সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও মামলা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুন বড়ভাগ পূর্বপাড়া এলাকায় উকিল শেখের বাড়ির সামনে সুমন শেখ (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সুমন ছিলেন চা-দোকানি রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে পাইচোর ভাতিজা।
এর প্রায় আড়াই মাস পর গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে পাইচোসহ কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রবিউল ইসলাম নিহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এর আগে গত ১ অক্টোবর রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকা থেকে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি উকিল শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া আটজনকে আলফাডাঙ্গা থানার বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করার পরও চিকিৎসকের সাক্ষাৎ মিলছে না। অভিযোগ উঠেছে যে, হাসপাতাল থেকে বরাদ্দকৃত ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধাও মিলছে না।
প্রতিদিন জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে আসেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করার পরও প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে অনেক রোগী হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের অধিকাংশ চিকিৎসকের কক্ষ প্রায়ই তালাবদ্ধ থাকে। যেসব চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন, তাদের ওপর অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় যথাযথ সময় দিতে পারেন না। আবার দুপুরের মধ্যেই অনেক চিকিৎসক চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে।
হাসপাতালের সরবরাহ তালিকায় ওষুধের নাম থাকলেও রোগীদের তা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আবতাফ আলী জানান, ‘এর আগেও দুই দিন এসে টিকিট নিয়েও ডাক্তার দেখাতে পারিনি। আজও এসে ফিরে যাচ্ছি, ডাক্তার নেই। দুই দিনে প্রায় ২০০ টাকার বেশি খরচ হলো, কিন্তু ডাক্তার দেখাতে পারলাম না।’
সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুরের রেখা বেগম বলেন, ‘নিজে মেডিসিনের ডাক্তার ও ছেলেকে দাঁতের ডাক্তার দেখানোর জন্য এসেছিলাম। কিন্তু দুটি কক্ষই তালাবদ্ধ। লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটেও ফিরে যাচ্ছি। ডাক্তার তো পেলামই না, উল্টো সারাদিন হয়রানি হতে হলো।’
শুধু বহির্বিভাগ নয়, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদেরও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শয্যা না পেয়ে অনেককে বারান্দা ও সিঁড়ির নিচে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, হাম, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের একই জায়গায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
প্রয়োজনীয় ওষুধের অধিকাংশই বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। হাসপাতালটিতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বোয়ালী এলাকার ভর্তি রোগী আলমউদ্দিন জানান, ‘বেড না পেয়ে তিন দিন ধরে মেঝেতে শুয়ে কোনোরকমে চিকিৎসা নিচ্ছি। দিনে একবার ডাক্তার আসেন। তিনি যা লিখে দেন, তা দোকান থেকে কিনতে হয়। দুটি পরীক্ষা দিয়েছিলেন, সেগুলোও বাইরে থেকে করিয়েছি। সরকারি হাসপাতাল শুধু নামেই, এখানে চিকিৎসা ও সুবিধা কোনোটাই নেই।’
রোগীদের ভোগান্তির কথা স্বীকার করেছেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আসিফ রহমান। তিনি বলেন, ১০০ শয্যার জনবল ও অবকাঠামো দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালনা করতে হচ্ছে। এর ওপর ১০০ শয্যার অনুমোদিত জনবলের মধ্যে চিকিৎসকসহ প্রায় অর্ধেক পদ শূন্য রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। আশা করছি, সমস্যার সমাধান হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১০০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। ১০০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে ২০৮টি পদ থাকার কথা। এর মধ্যে চোখ, ডেন্টাল, গাইনি, মেডিসিন, সার্জারি, চর্মরোগ বিভাগ ও মেডিকেল অফিসারসহ বিভিন্ন পদে ৪৮ জন চিকিৎসকসহ মোট ৭৮টি পদ শূন্য রয়েছে।
হাসপাতালটিতে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৭০০ থেকে ৮০০ এবং অন্তর্বিভাগে প্রায় ৪০০ রোগী চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে থাকেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর বিপরীতে প্রয়োজনীয় জনবল, শয্যা ও চিকিৎসাসেবার ঘাটতিতে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীদের ভোগান্তি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজেরিয়ায় নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় বন্দুকধারীদের আকস্মিক হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। সোকোতো রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে জামফারা রাজ্যে যাওয়ার পথে তাঁদের বহনকারী একটি বাসে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সোকোতো-গুসাউ মহাসড়কে এই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
নাইজেরিয়ার পুলিশের মুখপাত্র আবদুল্লাহি ফারুক হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিহত পাঁচ পুলিশ সদস্যের মরদেহ সোকোতোতে উসমানু দানফোদিও বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ দায়িত্ব পালনের জন্য ওই সদস্যরা জামফারা যাচ্ছিলেন। জামফারা নর্থ সিনেটরিয়াল ডিস্ট্রিক্টে ক্ষমতাসীন অল প্রগ্রেসিভস কংগ্রেসের (এপিসি) প্রাথমিক নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁদের মোতায়েন করা হয়েছিল।
যানবাহনে গণপরিবহণের একটি বাসে করে যাওয়ার সময় সশস্ত্র হামলাকারীরা তাঁদের বহনকারী বাসটির গতিরোধ করে। এরপর তারা বাস লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এই হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হন।
এই হামলার মাধ্যমে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতার চিত্র আবারও প্রকাশিত হয়েছে। এই অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই যানবাহনে হামলা চালায়, গ্রামাঞ্চলে আক্রমণ করে এবং মুক্তিপণের জন্য সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে।
বিশেষ করে জামফারা, সোকোতো, কাতসিনা, কাদুনা ও কেব্বি রাজ্যে এসব গোষ্ঠীর কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিয়মিত অভিযান চললেও হামলা ও অপহরণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : ঝালকাঠি জেলার বার্ষিক কাউন্সিল সভা বাংলাদেশ স্কাউটসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভাটি জেলা প্রশাসক এবং ঝালকাঠি জেলা স্কাউটসের সভাপতি মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্কাউটসের বরিশাল অঞ্চলের উপ পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. বশির গাজী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম মজুমদার, জেলা স্কাউটসের সম্পাদক মোসলেম আলী সিকদার, সদর উপজেলা স্কাউটসের সম্পাদক মো. আকছেদ আলী খোন্দকার, কমিশনার গোলাম রব্বানী, কমিশনার আনিচুর রহমান পলাশ এবং সহ সভাপতি রিয়াজুল ইমলামসহ স্কাউটসের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলার স্কাউটিং কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি, সাংগঠনিক কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় স্কাউটিং কার্যক্রমের প্রসার, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্কাউটদের আরও সক্রিয় করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বাংলাদেশ স্কাউটস, ঝালকাঠি জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কাউন্সিল সদস্যরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের পুরুষদের ফিফপ্রো বিশ্বসেরা একাদশের জন্য ২৬ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা ফুটবলারদের বৈশ্বিক সংগঠন ফিফপ্রো প্রকাশ করেছে।
এই তালিকা সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত হয়। চূড়ান্ত বিশ্বসেরা একাদশ আগামী ৯ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।
২৬ জনের তালিকায় ফুটবলের বেশ কয়েকজন বড় তারকা স্থান পেয়েছেন। অনুমিতভাবেই রয়েছেন ব্যালন ডি’অরজয়ী হ্যারি কেইন, রিয়াল মাদ্রিদের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। এমবাপ্পে ও ইয়ামাল যথাক্রমে ব্যালন ডি’অর ভোটে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছিলেন।
তালিকায় লিওনেল মেসিরও অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে। সম্প্রতি ব্যালন ডি’অরে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন ইন্টার মায়ামি তারকা। গত জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। অন্যদিকে, বড় চমক হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আল নাসরের হয়ে সৌদি প্রো লিগ জেতালেও বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি এই ৪১ বছর বয়সী।
ফিফপ্রো জানিয়েছে, এবারের বিশ্বসেরা একাদশ নির্বাচনে ৭৩টি দেশের মোট ১৯ হাজার ৮০৬ জন পুরুষ ফুটবলারের ভোট গ্রহণ করা হবে। সংগঠনটির দাবি, বিশ্ব ফুটবলে একমাত্র এই পুরস্কারটিই রয়েছে, যেখানে কেবল পেশাদার ফুটবলাররাই ভোট দিয়ে থাকেন।
চূড়ান্ত একাদশে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া একজন গোলরক্ষক, তিনজন ডিফেন্ডার, তিনজন মিডফিল্ডার ও তিনজন ফরোয়ার্ড থাকবেন। বাকি একটি জায়গা পাবেন সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া পরবর্তী আউটফিল্ড খেলোয়াড়।
ফিফপ্রোর বিশ্বসেরা একাদশের সংক্ষিপ্ত তালিকা–
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া (রিয়াল মাদ্রিদ, বেলজিয়াম), এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা/চেলসি, আর্জেন্টিনা), ডেভিড রায়া (আর্সেনাল, স্পেন);
ডিফেন্ডার: পাউ কুবারসি (বার্সেলোনা, স্পেন), মার্ক কুকুরেয়া (চেলসি/রিয়াল মাদ্রিদ, স্পেন), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল, নেদারল্যান্ডস), গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহেস (আর্সেনাল, ব্রাজিল), আশরাফ হাকিমি (পিএসজি, মরক্কো), নুনো মেন্ডেস (পিএসজি, পর্তুগাল), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল, ফ্রান্স), দায়ো উপামেকানো (বায়ার্ন মিউনিখ, ফ্রান্স);
মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহ্যাম (রিয়াল মাদ্রিদ, ইংল্যান্ড), ব্রুনো ফার্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, পর্তুগাল), এনজো ফার্নান্দেজ (চেলসি/ম্যানচেস্টার সিটি, আর্জেন্টিনা), পেদ্রি (বার্সেলোনা, স্পেন), ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল, ইংল্যান্ড), রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি/বার্সেলোনা, স্পেন), ভিতিনিয়া (পিএসজি, পর্তুগাল);
ফরোয়ার্ড: আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি, নরওয়ে), হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ, ইংল্যান্ড), খিচা কাভ্রাৎস্খেলিয়া (পিএসজি, জর্জিয়া), কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ, ফ্রান্স), লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি, আর্জেন্টিনা), মাইকেল অলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ, ফ্রান্স), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (আল নাসর, পর্তুগাল), লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা, স্পেন)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ