মোঃ হুমায়ুন কবির গৌরীপুর ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
০৩:১৫ পি.এম
নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে তারেক রহমান এবং গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ১৫ জুলাই বেলা ১১ টায় গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং গৌরীপুর পৌরসভার প্রশাসক সুনন্দা সরকার প্রমা।
গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি শাহজাহান কবির হিরা-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ. টি. তোফাজ্জল হোসেন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বেগ ফারুক আহাম্মেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সহসভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিচালিত যুব সেলাই প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া তিনজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীর হাতে একটি করে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেছেন, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে পরিবার ও সমাজ উভয়ই উপকৃত হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনালড ট্রাম্প কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভিতরে অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ধরপাকড় চলছে। এত কঠোর নীতির মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রে এখনো কিছু আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই সব চক্রের খপ্পরে পড়ে অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী চরম ঝুঁকিতে জীবনকে ফেলেন। স্বপ্নের দেশে অবৈধ উপায়ে পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকেই মৃত্যুমুখে পতিত হন।
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে সংযোগকারী একমাত্র স্থলপথ 'ড্যারিয়েন গ্যাপ' যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে বিপদ ছড়িয়ে আছে। এখন পর্যন্ত ঠিক কতজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই ভয়ংকর পথ পাড়ি দিতে গিয়ে, সেই সংখ্যাটিও অজানা। তারপরও, প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী এই শঙ্কাজনক পথ পাড়ি দিতে মোটা অঙ্কের ডলার খরচ করে। উন্নত জীবনের আশায় বারবার তারা চেষ্টা করে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির পর কথা উঠেছে বিশ্বের অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক রুটগুলোর মধ্যে এই ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’ সম্পর্কে।
এই ঘন জঙ্গল ও জলাশয়ে ঘেরা পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার। পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বিভিন্ন কারণে, বন্যপ্রাণীর আক্রমণ, ভূমিধস, বন্যা, কাদামাটিতে তলিয়ে যাওয়া অথবা সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি হওয়া—এ সব নিয়ে অনেককেই নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।
শেষ পর্যন্ত, এই বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হন হাতে গোনা কয়েকজন, যাদের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডা। কলম্বিয়াকে পানামার সঙ্গে যুক্ত করা দুই মহাদেশের মধ্যে এই স্থলপথ গত কয়েক বছরে অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক রুট হয়ে উঠেছে।
প্যান আমেরিকান হাইওয়ের অন্তর্ভুক্ত Alaska থেকে Argentina পর্যন্ত বিস্তৃত মহাসড়কের একটি ছোট অংশ হল এই ড্যারিয়েন গ্যাপ। আদতে এটি কোনও রাস্তা নয়। যারা এই ড্যারিয়েন গ্যাপ পাড়ি দিতে যায়, তাদের মুখোমুখি হতে হয় খাড়া পর্বত, কর্দমাক্ত জলাভূমি, স্রোতস্বিনী নদী এবং বিপজ্জনক বন্যপ্রাণীর। বৃষ্টির দিনে এই পথ হয়ে ওঠে আরও বিপজ্জনক। বিষাক্ত সাপ, পোকামাকড় এবং জাগুয়ার দ্বারা ভরা এই জঙ্গল। সেখানে কুমির ও মশার আতঙ্কও রয়েছে।
এই পথের আরও বড় বিপদ হলো মাদক চোরাচালানকারী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। যারা ড্যারিয়েন গ্যাপ নিয়ন্ত্রণ করছে। মাদক চোরাচালানের এই রুটে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়ই ডাকাতি এবং নির্যাতনের শিকার হন। তবে যারা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে মরিয়া, তাদের জন্য এই পথ এড়ানো যত কঠিন। দফায় দফায় সন্ত্রাসী এবং মানব পাচারকারীদেরকে শত শত ডলার দিতে হয়। কারণ, মোবাইল ছাড়া একমাত্র এই গাইডরাই ভয়ংকর এই পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন।
ভয়ংকর এই ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’-এর আরেক পরিচিত নাম ডাঙ্কি রুট। এশিয়ানরা প্রথমে এই পথে মধ্য আমেরিকার দেশ পানামা, কোস্টা রিকা, এল সালভাদোর এবং গুয়াতেমালাতে প্রবেশ করে, যেখানে ভিসা পাওয়া সহজ। এরপর গন্তব্য মিনেক্সিকো, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্র। ভয়ংকর এই রুট পাড়ি দিতে মানবপাচারকারীদের সহযোগিতা নেয় অনেকেই, দিতে হয় হাজার হাজার ডলার।
কলোম্বিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসন ব্যবসা থেকে প্রতি বছর গাল্ফ ক্ল্যান একাই ৩ কোটি ডলার আয় করে। দশক ধরে গাল্ফ ক্ল্যান হিসেবে পরিচিত কলোম্বিয়ার সন্ত্রাসীরা এই রুট দিয়ে মাদক পাচার করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে, এই রুট বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক অভিবাসন রুটে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী ঘন এই জঙ্গলের পথ পাড়ি দিতে চেষ্টার মধ্যে থাকে উন্নত জীবনের খোঁজে। কিন্তু যাত্রাপথে অনেকেই তাদের জীবন দিতে হয়। ভেনেজুয়েলা, হাইতি, ইকুয়েডর, পাকিস্তান, ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশীরাও এই বিপজ্জনক রুট পাড়ি দিতে যাচ্ছে। ৭ থেকে ১৫ দিনের এই যাত্রায় অনেকেই জীবদ্দশায় নরকের দৃশ্য দেখে ফেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বামী উড়ে যাচ্ছিলেন বিমানের জানালা দিয়ে, তখন স্ত্রী তাকে পা ধরে রক্ষা করেন। আন্তর্জাতিক ডেস্কের সংবাদ অনুযায়ী, গ্রিস থেকে জার্মানিগামী রায়ানএয়ারের একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে হঠাৎ জানালার কাচ ভেঙে কেবিনের চাপ কমে যায়। এর ফলে এক যাত্রীর শরীরের অর্ধেক অংশ বিমানের বাইরে চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যদিও পরে তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরেন। মেয়েকে রক্ষা করতে প্রায় দুই মিনিট ধরে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে স্বামীকে টেনে ধরে রাখা নারী স্ভেতলানা গ্রকোভিচ মাকসিমোভিচ অবশেষে সংবাদমাধ্যমের কাছে সেই দিনটির রোমহর্ষক ও বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা বলেন।
এই ঘটনা ঘটে গত শুক্রবার গ্রিসের থেসালোনিকি থেকে জার্মানির মেমিংগেনগামী একটি ফ্লাইটে। উড়োজাহাজটি ওড়ার মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় হঠাৎ বিকট শব্দে ডান দিকের একটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। সঙ্গে সঙ্গে কেবিনের ভেতরে চরম বায়ুশূন্যতা তৈরি হয়ে যায়। ওই জানালার পাশে বসে ছিলেন ৬১ বছর বয়সী যাত্রী লিউবিসা কারোভিক। এক মুহূর্তের মধ্যে তার মাথা ও ডান কাঁধ জানালার বাইরে চলে যায়।
স্ভেতলানা উল্লেখ করেন, এমন পরিস্থিতি দেখে তিনি মুহূর্তকালও দেরি না করে স্বামীর পা শক্ত করে চেপে ধরেন। সেই সময় তার মনে ছিল একটিই চিন্তা, ‘মরলে আজ দুজনে একসঙ্গেই মরব।’ সিটবেল্ট বাঁধা থাকার কারণে লিউবিসা পুরোপুরি বিমানের বাইরে ছিটকে যাননি। স্ভেতলানার চিৎকার শুনে আরও দুজন সহযাত্রী দ্রুত ছুটে এসে প্রায় দুই মিনিটের চেষ্টায় তাকে টেনে ভেতরে ফিরিয়ে আনেন। কেবিনে ফিরিয়ে আনানোর পর দেখা যায়, তার মুখমণ্ডল সম্পূর্ণ বিকৃত হয়ে গেছে এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। পরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করার পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন লিউবিসা এখনো কথা বলার অবস্থায় নেই এবং ট্রমার কারণে দুর্ঘটনার স্মৃতিও হারিয়ে ফেলেছেন। বিমান ও উড়ানের কথা শুনলেই তিনি আতঙ্কে কাঁপতে শুরু করছেন, সেভাবে জানান তার স্ত্রী। সহযাত্রীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জানালা ভেঙে যাওয়ার পর বিমানে চরম বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বাতাসে অক্সিজেনের অভাব ও প্রচণ্ড চাপের কারণে অনেকেই শ্বাস নিতে পারছিলেন না। বিমানের ট্র্যাকিং ডাটা অনুযায়ী, ঘটনার পর উড়োজাহাজটি মাত্র কয়েক সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। পরিবারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া এক কারিগরি উপদেষ্টার ধারণা অনুযায়ী, বিমানের ডান দিকের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ধ্বংসাবশেষ ছিটকে এসে জানালার কাচটি ভেঙে যায়, যার ফলস্বরূপ এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে।
আইরিশ বাজেট বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার এক বিবৃতিতে জানায়, উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঝ আকাশে জানালার কাচ আলগা হয়ে যাওয়ার কারণে ফ্লাইটটি থেসালোনিকি বিমানবন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। সেখানকার একজন যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি ও ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনসহ ইউরোপের একাধিক বিমান নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার আদালত রায় ঘোষণা করার পর কারাগারে নেয়া হয় আসামিদের।
ময়মনসিংহের ভালুকায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপর ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১২ বছর পর বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন।
বিচারিক কার্যক্রমে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এই আদেশ দেয়।
রায়ে মো. ফরিদ খলিফা ও পলাতক মো. মাসুদ মিয়া উভয়কেই মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর নিহত আবু জাকারিয়া মিন্টুর পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের কথায়, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অব finalmente ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকরাম হোসেন মন্তব্য করেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এই রায় সমাজে ইতিবাচক বার্তা প্রদান করবে এবং অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলকে ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করছে, চীন ইরান ও ইয়েমেনের হুতিদের কাছে পণ্য সরবরাহ বন্ধ করতে যথেষ্ট কাজ করছে না। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ৭ সেনাসহ অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত সান লেই বলেন, ইরানে বড় ধরনের হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলকে ফের এক ‘বিপজ্জনক খাদের কিনারে’ নিয়ে গেছে। মূলত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের অভিযোগের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। ওয়াল্টজ বলেন, চীন থেকে এমন কিছু জিনিসপত্র ইরান ও হুতিদের কাছে যাচ্ছে, যা সামরিক কাজেও ব্যবহার করা যায়। এসব জিনিস ব্যবহার করে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বিমানে হুমকি তৈরি করা হচ্ছে।
তবে মার্কিন দূতের এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সান লেই। তিনি জানান, চীন এ ধরনের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ মেনে চলে।
এদিকে, টানা পঞ্চম দিনের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে নৌ-অবরোধও আরোপ করেছে। হামলায় গত কয়েক দিনে দক্ষিণ ইরানে ৩০ জনের বেশি সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং অন্তত ২৬০ জন আহত হয়েছেন।
ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বমপুর এলাকার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ১৩টি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে ৭ সেনা নিহত হন। এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ উল্লেখ করে ইরানের সেনাবাহিনী সঠিক সময়ে কড়া জবাব দেওয়ার কথা বলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ