ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঘবের জন্মদিনে অস্বস্তিতে পড়েন আরিয়ান! রাজনীতিকের প্রস্তাব মেনেই বিপত্তি? সেই রাতে ঠিক কী হয়েছিল?


রাঘবের জন্মদিনে অস্বস্তিতে পড়েন আরিয়ান! রাজনীতিকের প্রস্তাব মেনেই বিপত্তি? সেই রাতে ঠিক কী হয়েছিল?

১০ জুলাই রাঘব নিজের জন্মদিনকে মন ছোঁয়ার মতো বড়সড় পার্টির আয়োজন করেছিলেন। নিমন্ত্রণ গিয়েছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিচালক আরিয়ান খান এবং অভিনেতা ববি দেওল-সহ আরও কয়েকজনের কাছে। বান্দ্রার একটি অভিজাত রেস্তরাঁয় নৈশভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল তবে শেষ মুহূর্তে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

বলে রাখি, রাঘব জুয়াল বলিউডে পাকাপাকি স্থায়িত্ব লাভ করেছেন। ‘কিল’ এবং ‘ব্যাডস অফ বলিউড’—এর মতো তাঁর দু’টি কাজ যথেষ্ট সফল হয়েছে। শাহরুখ খানের ‘কিং’ ছবিতেও তাঁকে দেখা যাবে। তাঁর সঙ্গে আরিয়ান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বও রয়েছে। কিন্তু রাঘবের জন্মদিনের পার্টিতে এসে শাহরুখ-পুত্রের পরিস্থিতি চিঁড়েচ্যাপ্টা হয়ে গিয়েছিল। মানুষের ঢল তাঁকে ঘিরে ধরেছিল। কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়ে বলিউডের একটি সূত্র মুখ খুলেছে।

যে রাতে ঘটনা ঘটেছিল, ১০ জুলাই রাঘবের জন্মদিনে বড়সড় পার্টির আয়োজন ছিল। নিমন্ত্রণ এসেছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিচালক আরিয়ান খান এবং অভিনেতা ববি দেওল-সহ আরও কয়েকজনের কাছে। বান্দ্রার একটি অভিজাত রেস্তরাঁয় নৈশভোজের ব্যবস্থা হয়ে ছিল। তবে সবকিছু ঠিক থাকলেও শেষ মুহূর্তে সমস্যা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

শোনা যাচ্ছে, এক প্রভাবশালী রাজনীতিক তথা সমাজকর্মীর কাছ থেকে রাঘবের কাছে একটি প্রস্তাব আসে। সেই রাজনীতিক জানাচ্ছিলেন, তাঁদের দু’জনের জন্মদিন একই দিনে। তাই একসঙ্গে পালনের জন্য পার্টির আয়োজন করা হোক। রাঘবও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। কিন্তু এরপর থেকেই সমস্যা শুরু হয়। দু’জনের জন্মদিনের অতিথিদের জন্য আলাদা আলাদা নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল। আর এখান থেকেই একের পর এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

রাঘবের অতিথিরা যাঁরা ছিলেন, তাঁরা অধিকাংশই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি সচেতন ছিলেন। তাঁরা চুপচাপ ওই পার্টিতে ঢুকতে চাইছিলেন। কিন্তু অন্য দিকের অনেক অতিথি নিজের ছবি তোলার জন্য একদম উৎসাহী হয়ে ওঠেন। পার্টি শুরু হতেই আরিয়ান ও ববির মতো তারকাদের ঘিরে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

রাজনীতিকের অতিথিরা তারকা-অতিথিদের এক ঝলক দেখার আশায় রাঘবের পার্টিতে ঢুকে পড়ছিলেন। কেউ কেউ জোর করেই পার্টির ভিতরে প্রবেশ করতে থাকেন, শুরু হচ্ছে নিজের ছবি তোলার আবদার। কিছুক্ষণের মধ্যেই নাকি দমবন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতির জন্য তারকা অতিথিরা মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না। অবস্থা এমন হয় যে, একে একে সব তারকা ওই পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীদেরও ভিড় সামলাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, এক তারকা অতিথি পরে বলেন, “এমন কিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। রাঘব একজন খুব ভালো ছেলে, তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে সাধারণত খুব ভালো লাগে। কিন্তু এই পার্টিতে কোন আনন্দই ছিল না।”

আরিয়ান খানকে নিজের গাড়ির দিকে দ্রুত ছুটে যেতে দেখা যায়। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন তাঁকে নিরাপদে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে। নিজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া সত্ত্বেও আরিয়ান খেয়াল রাখছিলেন, যেন ভিড়ের চাপে অন্য কেউ আহত না হন। ঘটনাটি নিয়ে এখনও রাঘব মুখ খোলেননি। তাঁকেও বিভিন্ন ভিডিয়োতে অস্বস্তিতে পড়তে দেখা গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ এম


পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে : অর্থমন্ত্রী

ব্যাপক সংস্কার এবং স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি অতীতে সংঘটিত বৃহৎ আকারের বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর ব্যবস্থার ফলে দেশের পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মো. কামরুল হাসানের (ময়মনসিংহ-৬) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুনর্গঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে দৃশ্যমান ফল প্রদর্শন করতে শুরু করেছে। গত দুই মাস ধরে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। বর্তমানে শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী এবং সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই মাস সময়ের মধ্যে বাজারের পারফরম্যান্স আরও শক্তিশালী হয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা ফিরে আসারই প্রতিবিম্ব।’

সরকার একটি নতুন বিএসইসি গঠন করেছে, যেখানে একজন চেয়ারম্যান ও তিনজন কমিশনার নিযুক্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে আরও একজন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে এবং বর্তমান কমিশনের সদস্যদের কেউ রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত হননি।

তিনি আরও জানান, ‘সম্মানিত সদস্যদের অবগত করতে চাই, কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাউকে জানতাম না। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি এতটা স্বচ্ছ ছিল যে, আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না।’

নতুন কমিশনের সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সবাই অভিজ্ঞ পেশাজীবী এবং দেশি-বিদেশি পুঁজিবাজার সম্পর্কে ব্যাপক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তারা সকলেই পেশাদার এবং পুঁজিবাজার বিষয়ে শক্তিশালী দক্ষতা রাখেন। তাদের সততা ও নিষ্ঠার বিষয়ে প্রশ্ন নেই।’

অর্থমন্ত্রী বিগত সরকারের আমলে পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল সে প্রসঙ্গেও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, অনিয়ম ও বাজার কারসাজির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সরকারের দ্বারা গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বাজার কারসাজি, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অনিয়মের জন্য বিএসইসি কর্তৃক আর্থিক জরিমানা আরোপের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো) শেয়ার লেনদেনে কারসাজির ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। বাজার কারসাজি, দুর্নীতি এবং অন্যান্য আর্থিক অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হবে। শুধু স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা নয়, তালিকাভুক্ত কোম্পানিরাও আবার বাজারে আস্থা ফিরে পাচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক তহবিল ব্যবস্থাপকরা বাংলাদেশের প্রতি পুনরায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, হংকং, লন্ডন এবং নিউইয়র্কের মতো বিশ্বের প্রধান আর্থিক কেন্দ্রগুলোর বিনিয়োগ ব্যবস্থাপকরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করার উদ্দেশ্যে সফর শুরু করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশ একটি বিশ্বমানের পুঁজিবাজার গড়ে তুলবে। সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আস্থা এর সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রমাণ।

অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার করব্যবস্থাকে সহজ, ন্যায়সংগত এবং করদাতাবান্ধব করার পাশাপাশি করজাল উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভিন্ন খাতে কার্যরত প্রতিষ্ঠানের মার্কেট অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করছে, যাতে তাদের প্রকৃত ব্যবসায়িক অবস্থানের ভিত্তিতে আরও ন্যায্য ও আনুপাতিক হারে কর নির্ধারণ করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, 'প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেট অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলছি, করের দায় তাদের মার্কেটের আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যফূর্ন হওয়া উচিত। অতীতে এটি সঠিকভাবে করা হয়নি, কিন্তু বর্তমানে আমরা আরও যৌক্তিক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তুলছি। করজালের বাইরে থাকা ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিক করব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকার সহজীকৃত ফ্ল্যাট-রেট কর ব্যবস্থা চালু করছে।'

উল্লেখযোগ্যভাবে প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় করদাতার আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী এলাকা-ভিত্তিক নির্দিষ্ট হারে কর নির্ধারণ করা হবে। এতে জটিল আয়কর রিটার্ন দাখিল কিংবা দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, 'মানুষ নির্ধারিত ফ্ল্যাট-রেট কর পরিশোধ করে একটি রসিদ গ্রহণ করবে। তাদের আয়কর রিটার্ন পূরণ করতে হবে না অথবা কর কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হতে হবে না। নতুন করদাতাদের আনুষ্ঠানিক করব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করতেই এই সহজীকৃত ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।'

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো- এই সহজ ফ্ল্যাট-রেট ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক নতুন করদাতাকে করজালের আওতায় আনবেন। করভিত্তি পর্যাপ্ত সম্প্রসারিত হলে পরবর্তীতে দেশের বিদ্যমান কর আইন অনুযায়ী ধাপে ধাপে নিয়মিত করব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ এম


দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসাথে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরের জন্য ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজা থেকে ইরান-বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন যুদ্ধপন্থী গ্রাহাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ এম


গাজা থেকে ইরান-বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন যুদ্ধপন্থী গ্রাহাম

মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করা রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন একাধারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র, ইসরাইলের অন্যতম কট্টর সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপমূলক পররাষ্ট্রনীতির জোরালো প্রবক্তা। তবে, তার রাজনৈতিক জীবনজুড়ে বিতর্কও ছিল সমানভাবে উপস্থিত। ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের নাটকীয় উত্থান-পতন থেকে শুরু করে গাজা, ইরান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) নিয়ে তার অবস্থান বারবার আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

রোববার গ্রাহামের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তিনি শনিবার সন্ধ্যায় মারা যান। তার পরিবার এ সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।

২০০২ সালে প্রথমবার সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর গ্রাহাম যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে অন্যতম প্রভাবশালী রিপাবলিকান নেতা হিসেবে পরিচিতি পান। যুদ্ধপন্থী বক্তব্য এবং হস্তক্ষেপমূলক পররাষ্ট্রনীতির কারণে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

গ্রাহাম সিনেটের বাজেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ, আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধ, পাশাপাশি ইউক্রেন ও ইরানসংক্রান্ত নীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে গ্রাহাম ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সফর করেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। কিয়েভ সফরকালে তিনি ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার জন্য সবচেয়ে জোরালো সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৩ সালে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, পুতিন ইউক্রেনেই থামবেন না। ইউক্রেনে দুর্বলতা দেখানো মানে তাইওয়ানেও পরাজয় ডেকে আনা।

যদিও বিভিন্ন সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার মতবিরোধ হয়েছিল, বিশেষ করে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে হামলার পর, পরে তিনি আবার ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সমর্থকে পরিণত হন এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন দেন।

ক্যাপিটল হামলার পর সিনেটে দেওয়া এক বক্তব্যে গ্রাহাম বলেছিলেন, "ট্রাম্প এবং আমার পথচলা ছিল ভয়ংকর। কিন্তু এভাবে এর সমাপ্তি হোক, তা চাইনি। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আমাকে বাদ দিন। আর নয়।" তবে পরে তিনি অবস্থান বদলে ২০২৩ সালে বিবিসিকে বলেন, "ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি অন্ধকার দিক আছে... কিন্তু তিনি খুব ভালো প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আমি তার সঙ্গেই আছি, কারণ আমি দেখেছি তিনি কী করেছেন।"

গ্রাহাম মার্কিন কংগ্রেসে ইসরাইলের অন্যতম দৃঢ় সমর্থক ছিলেন। তিনি তেল আবিবকে আরও সামরিক সহায়তা এবং অবৈধ ইহুদি বসতিগুলোর জন্য অতিরিক্ত সহায়তার পক্ষে অবস্থান নেন। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে ‘ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বলেন, ইসরাইলের প্রতি গ্রাহামের সমর্থন ছিল ‘অবিচল’।

গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা চলাকালীন তিনি ইসরাইলের পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেন এবং মার্কিন সমর্থন সীমিত করার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন। তার মন্তব্যগুলো প্রায়ই ফিলিস্তিনি অধিকার কর্মী, মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার জন্ম দিত।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাহাম লিখেছিলেন, "গাজার ফিলিস্তিনিরাই পৃথিবীর সবচেয়ে উগ্রপন্থী জনগোষ্ঠী, যাদের জন্ম থেকেই ইহুদিদের ঘৃণা করতে শেখানো হয়," যা ব্যাপক নিন্দার জন্ম দেয়। এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানায় কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস। সংগঠনটি অভিযোগ করে, গ্রাহাম ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী ধারণা ছড়াচ্ছেন এবং তার বক্তব্য “ঘৃণায়পূর্ণ এবং অযৌক্তিক।”

এছাড়া তিনি একবার মন্তব্য করেছিলেন, "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যেমন জাপানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল, ইসরাইলও তেমন পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে।" বিরোধীরা এ মন্তব্যকে উসকানিমূলক বলে সমালোচনা করেন। ২০১৯ সালে অধিকৃত গোলান মালভূমি সফরকালে গ্রাহাম বলেন, "ইসরাইলের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে মত দেন।"

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান এ বছরের শুরুতে বলেছেন যে, ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগের কারণে গ্রাহামসহ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা তাকে হুমকি দিয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে গ্রাহাম ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপেরও জোরালো সমর্থক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত চলাকালে তিনি হোয়াইট হাউসকে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে বারবার সামরিক শক্তি ব্যবহারের আহ্বান জানান এবং তেহরানের সঙ্গে সংঘাতকে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটেনের যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেন। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে তার অবস্থানের জন্য গ্রাহাম উপসাগরীয় দেশগুলোরও সমালোচনার শিকার হন।

গত মার্চে তিনি অভিযোগ করেন, সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং যারা তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে সমর্থন দেবে না, তাদের “পরিণতি” ভোগ করতে হতে পারে বলে সতর্ক করেন। তার এই সংঘাতমূলক আচরণ ইউরোপেও কূটনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

২০২৫ সালে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলো থেকে নরওয়ের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের বিনিয়োগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর গ্রাহাম পরিণতির হুমকি দিলে নরওয়ের কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ কোথায় কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ এম


আজ কোথায় কী?

দেশে প্রতিদিন সরকারের বিভিন্ন দফতর, সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও অনেক সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচিগুলোর মধ্যে কি কি রয়েছে, তা দিনের শুরুতেই জানার জন্য আপনি প্রস্তুত হতে পারেন।

দুপুর ১টায় সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় গৃহীত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজিত আর্লি চাইল্ডহুড প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বিকেল ৪টায় রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের কসাইবাড়ি রেলগেট সংলগ্ন আমির’স চাইনিজ অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে ‘জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী শিক্ষা সংস্কার ও ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এই সেমিনারে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য এবং ওলামায়ে কেরাম সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%