বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫০ পি.এম
কেন্দ্রীয় আশ্রম কাউখালী বাংলাদেশ এর আশ্রমের টাকা আত্মসাৎ ও আশ্রমের কমিটি নিয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদতের একটি গ্রুপ বিশৃঙ্খলার করার অভিযোগ রয়েছে ।
এ নিয়ে পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের তহবিল তসরুপের অভিযোগে বহিষ্কৃত সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বিপুল বরণ ঘোষ ও তার সহযোগীদের নেতৃত্বে চক্রটি আসন্ন বাৎসরিক উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রমের আয়োজনে আশ্রম সভাকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কেন্দ্রীয় আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ মন্ডল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিগত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তিত হয়েছে। কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আশ্রমের বহিষ্কৃত সাবেক কোষাধ্যক্ষ বিপুল বরণ ঘোষ বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আশ্রমে নানা অনিয়ম ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে আশ্রমে তহবিল তসরুপসহ নানাবিধ অনিয়মের প্রমাণ মেলায় তাকে আইনগতভাবে আশ্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আশ্রমের ১ কোটি ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিপুল বরণ ঘোষের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে বিপুল বরণ ঘোষ সরাসরি সামনে না এসে পর্দার আড়াল থেকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী লোককে ইন্ধন জুগিয়ে আশ্রমের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুর এর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের নেতৃত্বে আশ্রমে একটি তদন্তের দিন ধার্য ছিল। এই তদন্ত কার্যক্রমে বিপুল বরণ ঘোষ আশ্রমে প্রবেশ করতে চাইলে আশ্রমের সাধারণ সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে সে ফিরে যেতে বাধ্য হয় । তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অগ্রসর হলে বিপুল বরণ ঘোষের উস্কানিতে তার আপন মামা শ্বশুর শংকর লাল বসুর নেতৃত্বে কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বহিরাগত দুষ্কৃতকারী আশ্রমে বিজ্ঞ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দের সামনেই বিভিন্ন অসদাচরণ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছে। পটুয়াখালী থেকে আগত প্রদীপ কর্মকার, ঝালকাঠি থেকে আগত পরিমল চন্দ্র দে, বরিশাল থেকে আগত প্রশান্ত কুমার দাস ও বরিশালের বিপ্লব দেবনাথ গং এই সকল অপকর্মের অন্যতম উস্কানিদাতা।
আসন্ন বাৎসরিক উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রমের পবিত্র আঙিনায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হতে পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান আশ্রম কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ পরিমল চন্দ্র কর্মকার, নির্বাহী সভাপতি শংকর দেবনাথ, সহ-সভাপতি বিনয় কৃষ্ণ দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কমল কৃষ্ণ গড়াই, দপ্তর সম্পাদক মানিক লাল কর, পরিকল্পনা সম্পাদক
এছাড়াও বঙ্কিমচন্দ্র সাহা, উজ্জ্বল সাহা, নেপাল চন্দ্র দে, সুজন সাহা, কালাচাঁদ কর্মকার, পলাশ কর্মকার ও ধলুশীল সহ আশ্রমের অন্যান্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হলেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি।
তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।
আরো পড়ুন
নওগাঁয় প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ১৭৮৫ কৃষক।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে এবং প্রতিরোধের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আসতে হয়েছে। কিন্তু পুলিশকে আধুনিকায়ন করা এখনো সম্ভব হয়নি। থানা ও উপজেলা পর্যায়ে মডার্ন সাইবার সিকিউরিটি ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্রাইম রিপোর্টারদের উদ্দেশ্যে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ক্রাইম রিপোর্টারদের কাজ ঝুঁকি নিয়ে করা। যারা ঝুঁকি নিয়ে ক্রাইম রিপোর্ট করছেন, তাদের জন্য ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার বিষয়ে কাজ করা যেতে পারে।
আইনের সংশোধন প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনের সংশোধন প্রয়োজন, কারণ প্রচলিত আইনে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হলেও তারা জামিনে মুক্ত হয়ে যায়। যুবসমাজের প্রায় প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদকের প্রভাব রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ কেন ঘটে তা নিয়ে আগে গবেষণা করতে হবে, পরে তা নির্মূল করে অপরাধ কমিয়ে আনতে হবে। এ বিষয়ে কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার কারণে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ আবেদন দায়ের করা হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত অবমাননার অভিযোগের মুখোমুখি হওয়া সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী হলেন আইনজীবী হাসানুজ্জামান তুষার এবং আইনজীবী হাসান চৌধুরী। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানিয়েছেন, বিচারালয়ের দেওয়া সর্বোচ্চ দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও আদালত অবমাননাকর মন্তব্য করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইসরাত জাহান। অন্যদিকে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর ভবনের ছাদ থেকে দ্রুত নিচে নামার সময় সৌরভ ইসলাম (২৫) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে জেদ্দায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সৌরভ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর এলাকার আমির ইসলামের ছেলে। তিনি জেদ্দায় আলসাইন কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে সৌরভ একটি ভবনের ছাদে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার মোবাইলে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা আসে। এরপর তিনি ছাদ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার চেষ্টা করেন এবং এ সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করে।
সহকর্মীদের উদ্ধৃত করে পরিবারের সদস্যরা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই সৌরভের মৃত্যু ঘটে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। সৌরভের স্বজন তৌহিদুল ইসলাম ও কামাল মিয়া জানান, মিসাইল হামলার আশঙ্কায় দ্রুত ছাদ থেকে নামার সময় তার পায়ে একটি রশি পেঁচিয়ে যায়। এর ফলে তিনি পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
সৌদি প্রবাসী সবুজ সরকার বলেন, হুতিদের হামলার পর থেকে সৌদির বিভিন্ন শহরে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানোর পাশাপাশি মুঠোফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে প্রবাসীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। তবে সতর্কবার্তা পেয়ে তাড়াহুড়ো করে নামার সময় সৌরভ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশের তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
জানা যায়, পাঁচ বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে যান সৌরভ। গত বছর ছুটিতে দেশে এসে বিয়ে করেন তিনি। পরে আবার সৌদি আরবে ফিরে যান। আমির ইসলাম ও রেনু বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিলেন সৌরভ।
সৌরভের বাবা আমির ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে সৌদি আরবে তার ছেলের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি ফোন করে মৃত্যুর খবর দেন। তিনি কখনো ভাবেননি যে, একমাত্র ছেলেকে বিদেশের মাটিতে এভাবে হারাতে হবে। সৌরভের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।
নিহতের স্বজনরাও বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সৌরভের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, সৌদি আরবে রায়পুরার এক প্রবাসী নিহত হওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি। যোগাযোগ করা হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্তুগালের অভিবাসন আইন পরিবর্তনের ফলে বিদেশিদের জন্য রেসিডেন্স পাওয়ার নিয়মে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক রেসিডেন্সের জন্য দেশটির অভ্যন্তরে আবেদন করার পূর্বের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং সিআইটিই শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্স পেতে ভিসার শর্তসহ আরও কিছু আইনি শর্ত পূরণ করতে হবে।
সরকারি গেজেটে ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশের পর ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে পর্তুগালের অভিবাসন আইনের আর্টিকেল ৯২-এর ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিল করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুসারে, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং সিআইটিই লেভেল ৪ কোর্সের শিক্ষার্থীদের আর্টিকেল ৯২-এর আওতায় বসবাসের অনুমতি পেতে রেসিডেন্স ভিসা থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বৈধ স্বাস্থ্যবীমা তথা অন্যান্য আইনি শর্তও পূরণ করতে হবে।
এর ফলে, নির্দিষ্ট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক রেসিডেন্সের জন্য পর্তুগালের অভ্যন্তরে আবেদন করার সুযোগ সীমিত হয়েছে। তবে আর্টিকেল ৯২ পুরোপুরি বাতিল হয়নি; নতুন শর্তের অধীনে এটি কার্যকর রয়েছে।
নতুন আইনে রেসিডেন্স আবেদনের সিদ্ধান্ত সাধারণত ৯০ দিনের মধ্যে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা ৩০ দিন বাড়ানো হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে, পর্তুগালে পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহীদের দেশ ছাড়ার পূর্বে সঠিক ভিসা, কোর্সের ধরন এবং রেসিডেন্স পাওয়ার যোগ্যতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ