ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদির কাছে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে ঢাকা এখনও জবাব পায়নি


সৌদির কাছে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে ঢাকা এখনও জবাব পায়নি

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় ঢাকার পাঠানো প্রশ্নের জবাব এখনও রিয়াদ থেকে আসেনি। বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম এই তথ্য জানান।

এর আগে, ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছিলেন যে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিস্থিতি সম্পর্কে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। তিনি উল্লেখ করেন, আদালতের রায়ের অনুলিপি, কী কারণে তাদের দণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনকে কেন বিষয়টি জানানো হয়নি—এসব বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জানায়, পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদের ভেতরে অশালীন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, মামলার বিস্তারিত তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাওয়ার পর সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।

তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই পুরুষ ও নারীর বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ। তিনি একই সঙ্গে ফেসবুকের পোস্ট দেখে সিদ্ধান্তে না পৌঁছাতে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রবাসী শ্রমবাজার। সেখানে আনুমানিক ৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মী বসবাস করেন, যাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর ইরান আক্রমণের নতুন পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“পৃথিবীতে যখন অন্যায়-অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল, তখনই মা দুর্গার আবির্ভাব”—রাষ্ট্রপতি ও এমপি এস এম ফয়সালের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


“পৃথিবীতে যখন অন্যায়-অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল, তখনই মা দুর্গার আবির্ভাব”—রাষ্ট্রপতি ও এমপি এস এম ফয়সালের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি

দুর্গাপূজা ও পূজামণ্ডপে যাওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সালের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঈমানের প্রশ্ন তুলে তাঁদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি।

তাহেরির বক্তব্য অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “পৃথিবীতে যখন অন্যায়-অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল, তখনই মা দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।” এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তাহেরি বলেন, হিন্দুরা তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী যা বলার বলতে পারেন। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে এমন বক্তব্য দিলে ঈমানের প্রশ্ন তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ ছাড়া হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সালের পূজামণ্ডপে যাওয়ার বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তাহেরি। পূজামণ্ডপে গিয়ে ফয়সাল বলেছেন বলে উল্লেখ করা হয়, “আমি শুকরিয়া আদায় করি, আজকে পূজামণ্ডপে আসতে পেরেছি।”

এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, রাজনৈতিক কারণে পূজামণ্ডপে যেতে হলে সেখানকার মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করা যেতে পারে। তাঁদের উদ্দেশে বলা যেতে পারে, “আপনারা আপনাদের ধর্ম পালন করতে পারেন, কোনো সমস্যা হলে আমরা আছি।”

তবে রাজনৈতিক স্বার্থে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে আপস করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাহেরির ভাষায়, “তাই বলে ঈমান বিক্রি করে দিতে হবে? ঈমান কি এতই দুর্বল?”

তাহেরির এসব মন্তব্য ঘিরে ধর্মীয় বিশ্বাস, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে আলোচনা তৈরি হতে পারে। তবে বক্তব্যগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক আলিফ হত্যা প্রতিবাদে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আব্দুল আউয়াল মিছবাহ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


সাংবাদিক আলিফ হত্যা প্রতিবাদে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক এম এ মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার প্রতিবাদে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মধ্যনগর বাজারের শহীদ মিনারের সামনে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা বলেন - সাংবাদিকেরা জাতির বিবেক এবং সংবাদ পত্র জাতির দর্পণ কাজেই সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হত্যা বাঙালি জাতি কখনো বরদাশত করবেনা। সাংবাদিক লুৎফজ্জামান আলিফকে যারা নির্মম ভাবে গুলি করে হত্যা করেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, এবং দ্রুত অপরাধিদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাই। বক্তারা সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক এম এ মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে এই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল কাদির, সাইদুর রহমান জিয়া ও সার্জেন্ট মো. আব্দুল মুসাব্বির, সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জন তালুকদার, আজকের খবরের মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি মো. আসরাফ উদ্দিন হিল্লোল, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সানোয়ার হোসেন খোকা, সাংবাদিক শিহাব মিয়া সদস্য বাছির আহম্মদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পরপর এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাদুকাটা খুলতেই ফিরল শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: মোহাম্মদ নূর

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


যাদুকাটা খুলতেই ফিরল শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য

‎অ্যাঙ্কর ইন:
‎
‎দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর দুটি বালুমহাল চালুর উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে হাজারো শ্রমিকের জীবনে। আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসতে শুরু করেছে নদীকেন্দ্রিক শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে। একই সঙ্গে বালুমহাল দুটির বিপরীতে সরকার পেয়েছে ৪২ কোটি ৬৬ লাখ টাকারও বেশি রাজস্ব। তবে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন এবং পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
‎
‎ভয়েস ওভার:
‎
‎প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদী। এই নদীকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো শ্রমিক। নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন কর্মহীনতার চাপে ছিলেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। বালুমহাল দুটি আবার চালুর উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখছেন তারা।
‎
‎সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা থেকে গত ১৯ অক্টোবর জারি করা পৃথক চিঠিতে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহালের সীমানা নির্ধারণ করে ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে সরেজমিনে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎বালুমহাল দুটির ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান তাহিরপুরের মেসার্স তাহিয়া স্টোন ক্রাশার। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. নাছির মিয়া। ধার্য ইজারামূল্য, আয়কর ও ভ্যাটসহ বালুমহাল দুটির বিপরীতে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা।
‎
‎সট: শ্রমিক
‎
‎বালুমহাল চালু হওয়ায় আবারও কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে শ্রমিকদের। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিত কাজের মাধ্যমে পরিবারের ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে পারবেন তারা। কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পাওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন শ্রমিকেরা।
‎
‎সট: রিপামনি দেবী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তাহিরপুর
‎
‎তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বালুমহাল দুটি চালু হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে। ইজারাদার নিয়মনীতি মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন কি না, তা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ করছে। কেউ আইনবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎সট: মো. নাছির মিয়া, স্বত্বাধিকারী, মেসার্স তাহিয়া স্টোন ক্রাশার
‎
‎ইজারাদার মো. নাছির মিয়া বলেন, যাদুকাটা নদী নিয়ে বিদ্যমান আইনি জটিলতা নিরসনের পর শ্রমিকেরা নিয়ম মেনে বালু উত্তোলনের সুযোগ পাচ্ছেন। শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সচল রাখা এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোই তাদের প্রত্যাশা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালুমহালের সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
‎
‎ভয়েস ওভার / আউট্রো:
‎
‎যাদুকাটা নদীর বালুমহাল দুটি চালুর ফলে একদিকে যেমন শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়েও যুক্ত হয়েছে ( ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা । এখন শ্রমিকদের জীবিকা সচল রাখার পাশাপাশি আইন মেনে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা এবং সরকারি রাজস্বের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়া থানা পুলিশের সফল অ-ভিযান: উ-দ্ধার ৮ মোবাইল, আইফোনসহ ৪টি হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


কুলাউড়া থানা পুলিশের সফল অ-ভিযান: উ-দ্ধার ৮ মোবাইল, আইফোনসহ ৪টি হস্তান্তর

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় হারানো ও চোরাই যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। অভিযানে মোট ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে মালিক শনাক্ত করে আইফোনসহ ৪টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) কুলাউড়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, হারানো ও চোরাই যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে মোট ৮টি ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে মালিকানা যাচাই ও প্রকৃত মালিক শনাক্তের মাধ্যমে ৪টি মোবাইল ফোন তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বাকি মোবাইল ফোনগুলোর প্রকৃত মালিকদের প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ কুলাউড়া থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কুলাউড়া থানা পুলিশের এ উদ্যোগে হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের জন্য আশার সঞ্চার হয়েছে। পাশাপাশি চুরি যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

উদ্ধার হওয়া মোবাইলের মালিকদের প্রতি পুলিশের অনুরোধ: যাঁদের মোবাইল ফোন হারিয়েছে বা চুরি হয়েছে, তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মালিকানার প্রমাণসহ কুলাউড়া থানায় যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ: ডিউটি অফিসার, কুলাউড়া থানা
মোবাইল নম্বর: ০১৩২০১১৯৮৮৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%