বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) নওগাঁ বদলগাছী প্রতিনিধি
১০:১৩ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর বৌলা পাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান মাষ্টার মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তার স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মরহুমের জানাজা শেষে সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে শেষ বিদায় ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করেন। সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি, এবং বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। মোঃ রুহুল আমিন এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সহ শুভাকাঙ্ক্ষী নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন।
জানাজা শেষে তাঁকে নিজস্ব পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমানের মৃত্যুতে সমগ্র এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের আটটি বিভাগ জুড়ে লালন বিশ্বসংঘের আয়োজনে কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসবের ষষ্ঠ আয়োজন রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী মন্তব্য করেন, "অতুলনীয় অবদান ও সার্বজনীন আবেদনের কারণে কবীর-লালনের সুরবাণী খণ্ডিত দেশকালের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বিশ্বসংগীতই নয় শুধু, আধ্যত্মিক বিচারে তা মহাজাগতিক ভাবসংগীত।"
তিনি আরও বলেন, "এ উৎসব দ্বারা সাংগীতিক ধারায় লালনের মাধ্যমে এ দেশে যেমন কবীরকে চেনা যাবে, তেমনই অন্যদেশে কবীরের সঙ্গে লালনকেও মানুষ সমন্তরালে অনুভব করতে পারবে।" উপ-মহাদেশের এই দুই মহৎ দিকপালের ভাবাদর্শ মানুষকে সর্বদা সত্য-সুপথের দিকে আহ্বান করে, যা মিথ্যার পাহাড়কে ধ্বসিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাও রাখে। সেজন্য এর বহুমাত্রিক চর্চা ও বিস্তার আজ সময়ের দাবি।
উপাচার্য লালন বিশ্বসংঘের এই আয়োজনকে অত্যন্ত সময়োপযোগী, কার্যকর ও অপরিহার্য উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং প্রতিবছর এমন সার্বজনীন উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত রংপুর বিভাগীয় এই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। তিনি বলেন, "কবীর-লালনকে নিয়ে মানুষের মনে অসীম কৌতুহল ও আগ্রহ রয়েছে তাদের জাগতিক ও পারত্রিক জীবন রহসের গভীর সাদৃশ্য ও সংগতির কারণে।" তাই এ বিষয়ে আরো ব্যাপক অনুসন্ধান, গবেষণা ও তুলনামূলক অধ্যয়নের প্রয়োজন রয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মুঃ মাহবুবুর রশীদ। কবীর-লালনের দর্শন নিয়ে আলোকপাত করেন মাওলানা আবদুল জলির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালন বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী ও কবীর-লালন গবেষক আবদেল মাননান।
দ্বিতীয় পর্বে উৎসবের মূল আয়োজন ‘কবীর থেকে লালন : চিরন্তন প্রেমের এক অক্ষয় সেতুবন্ধন’ শীর্ষক সংগীতালেখ্যে কবীর ও লালনের কুড়িটি কালাম পরিবেশন করেন কবীর-লালন মিউজিক্যাল মিশনের শিল্পীরা।
ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোভাব বার্ষিকী ও দুর্গাপূজার দু'সপ্তাহ বিরতির পর এ উৎসবের পরবর্তী ৭ম আয়োজন আগামী ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে এবং সমাপনী অনুষ্ঠান আগামী ৩০ অক্টোবর সিলেট বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বিরোধের কারণে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে সংঘর্ষটি ঘটে।
গুলিবিদ্ধ দুইজন হলেন ফুল মিয়া (৬০) এবং উম্মে হানি (২২)। ফুল মিয়া চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা এবং উম্মে হানি সুমন মিয়ার স্ত্রী। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থা খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সূত্রে জানা যায়, চরলাপাং গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণের সময় গ্রামের অহিদ মিয়া বাধা দেন। এই নিয়ে তার এবং গ্রামবাসীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। সড়কটি নির্মাণের পর মুসলেম মিয়া কৃষকদের জমিতে ভাড়ায় চাষ দেওয়ার জন্য একটি ট্রাক্টর কিনে আনেন। এতে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ট্রাক্টর ভাড়া ব্যবসায় একক আধিপত্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অহিদ মিয়া এবং তার ভাই উবায়দুল মিয়া মুসলেম মিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হন। এই নিয়ে কয়েক দিন ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
এই উত্তেজনার জের ধরে শনিবার রাতে অহিদ মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রাম থেকে ভাড়ায় লোকজন আনেন। অহিদ মিয়ার নেতৃত্বে ওই লোকজন মুসলেম মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা চালান। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় গুলি চালানোর ফলে মুসলেম মিয়ার পক্ষের ফুল মিয়া ও উম্মে হানি গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হন।
নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার রোশনা খাতুন জানান, শনিবার রাতে গুলিবিদ্ধ দুইজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তাদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘দুইপক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি গ্রামের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়। একপক্ষ নরসিংদীর রায়পুরার মির্জারচর থেকে লোকজন ভাড়া এনে হামলা চালায়। সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। উইকেটে তখন দুই ওপেনারের দৃঢ়তা, স্কোরবোর্ডে দ্রুত বাড়ছিল রান। মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের পথে এগোচ্ছে।
কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। একের পর এক উইকেট হারিয়ে হঠাৎ করেই ছন্দপতন ঘটে। বিনা উইকেটে ১০৮ রান তোলা দলটি গুটিয়ে গেল ২৩৪ রানে। এই ব্যাটিং ধস আবারো সামনে এনে দিল বাংলাদেশের পুরোনো দুর্বলতা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ গড়তে পারল না। দুবাইয়ে আজ শুরু হওয়া প্রস্তুতি ম্যাচে সৌম্য সরকার ও সাদমান ইসলাম যে ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেটি কাজে লাগানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু মাঝের ওভারে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারানোর পর চাপ সামলাতে ব্যাটিং লাইনআপ ব্যর্থ হয়।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই বাংলাদেশের ইনিংসে শুরু হয় ছন্দপতন। তিন নম্বরে নেমে মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে অন্য প্রান্ত থেকে সঙ্গ পাননি। মুশফিকুর রহিম মাত্র ৪ রান করে ফিরে যান। জাকের আলীও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, তার ব্যাট থেকে আসে ৮ রান।
মুমিনুল অবশ্য ধৈর্য ধরে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। ৬৩ বলে ৩৩ রান করে শেষ পর্যন্ত তিনিও ফেরেন। এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকেও বড় কিছু আসেনি; ৮ রান করে আউট হন তিনি।
দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের দুর্দশা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে মাত্র ৭৪ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারায় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে নাঈম হাসানের ৩৬ ও তাইজুল ইসলামের ১৬ রানে ভর করে বাংলাদেশ ২৩৪ পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের ইনিংসে সৌম্যর ৫৭ রানই সর্বোচ্চ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোলারদের মধ্যে জুনাইদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। উসাইদ ও হায়দার আলী পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে আরব আমিরাত। দলীয় ২৪ রানে লুকমানকে ফিরিয়ে দেন খালেদ আহমেদ।
দিনের খেলা শেষে আরব আমিরাতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪ রান। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ২০০ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে পদক অর্জন করতে না পারলেও, আইসিসির প্রধান নির্বাহী কমিটির সহযোগী সদস্য প্রতিনিধি অভিরাম সিং যাদব মনে করেন, স্বাগতিক জাপানের সাফল্যকে শুধুমাত্র ফলাফলের মাধ্যমে বিচার করা উচিত নয়। তার মতে, একটি বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরকে ব্যবহার করে দেশের ক্রিকেটের ভিত্তি কিভাবে শক্তিশালী করা যায়, তার একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে জাপান কাজ করেছে।
অভিরাম উল্লেখ করেন, জাপান এশিয়ান গেমসকে শুধুমাত্র অংশগ্রহণের প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখেনি। বরং, তারা টুর্নামেন্টের মাধ্যমে সৃষ্ট সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
অভিরাম বলেন, ‘জাপান বুঝতে পেরেছিল যে এশিয়ান গেমস শুধুমাত্র অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রতিযোগিতা নয়। তারা ওই কয়েক দিনের বাইরে গিয়ে টুর্নামেন্টের পারিপার্শ্বিক সুযোগগুলো কীভাবে ক্রিকেটের প্রসারে কাজে লাগানো যায়, সেটাই ভেবে দেখেছে। অন্য সহযোগী দেশগুলোর এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’
জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (জেসিএ) এশিয়ান গেমসের বৃহৎ মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের পরিচিতি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিক ও সরকারি সহযোগিতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিয়েছে। তারা ভারতের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজনের সুযোগও গ্রহণ করেছে।
ভারতকে চাপে ফেলেছিল জাপান। ছবি: এপি
এশিয়ান গেমসের শুরু হওয়ার পূর্বে জাপানের কৌশলগত পরিকল্পনার একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায় ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ২২ সেপ্টেম্বর সানো ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় জাপান। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি পাঁচ ওভারে নেমে এলেও, স্বাগতিকরা দুর্দান্ত লড়াই করে ভারতকে চাপে ফেলেছিল। শেষ পর্যন্ত তারা মাত্র ২ রানে হেরে যায়।
ভারত জয়ী হলেও, এই ম্যাচটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাপানকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিচিতি প্রদান করে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা জাপানি ক্রিকেটের সম্ভাবনাকে উন্মোচন করে।
অভিরাম মনে করেন, আইসিসি ক্রিকেটকে আরো বেশি দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, ভারত-জাপান ম্যাচ সেটির বাস্তব প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটকে আরো সার্বজনীন করা এবং নতুন নতুন দেশে খেলাটি ছড়িয়ে দেওয়ার কথা আইসিসি নিয়মিতই বলে থাকে। তবে আনন্দের বিষয় হলো, যখন মুখের কথার সঙ্গে কাজের প্রতিফলন দেখা যায়। ভারত ও জাপানকে এক মাঠে নিয়ে আসা তেমনই একটি বাস্তব উদাহরণ।’
এশিয়ান গেমসের মূল প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে ক্রিকেটীয় অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয় জাপান। নিশিন শহরের কোরোগি স্পোর্টস পার্কের ক্রিকেট মাঠের সংস্কারকাজও সম্পন্ন করে দেশটি। এ মাঠেই বছরের শুরুতে আইসিসির পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহও ক্রিকেটে জাপানের এই অগ্রযাত্রাকে ইতিহাসের একটি গৌরবময় নতুন অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সব মিলিয়ে, এশিয়ান গেমসে পদক না পেলেও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জাপান যে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে, তা এখন সহযোগী দেশগুলোর জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ