বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৪ পি.এম
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সেতু নির্মাণের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস আদেশ অনুযায়ী, গতকাল (২৩ সেপ্টেম্বর) তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিতে বর্ণিত অসদাচরণ ও দুর্নীতি পরায়ণতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর একই বিধিমালার ১২(১) বিধি অনুসারে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এলজিইডির নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাসাইল উপজেলার বাসাইল জিসি-কাওয়ালজানি ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে মাইজখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজ চলছিল। এই নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন কার্যসহকারী মো. হাসমত আলী।
অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সেতুর নির্মাণকাজের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করেছেন এবং নির্ধারিত কারিগরি বিবরণের বাইরে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করেছেন।
এলজিইডির আদেশে বলা হয়েছে যে, এই ঘটনায় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশ টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এলজিইডি তথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে হাসমত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।
তবে নথিতে উল্লিখিত অভিযোগগুলো প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দায় নির্ধারণ পরবর্তী বিভাগীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর বাসন মেট্রো থানা বিএনপি আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বিএনপি নেতারা এ সময় মন্তব্য করেছেন, "আওয়ামীলীগ দেশে যা করেছে তা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড হতে পারে না।"
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয় এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল। সমাবেশ শেষে মিছিলটি ঢাকা-টাংগাইল মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ তানভীর সিরাজ। বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনিরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক বসির আহমেদ বাচ্চু, এ.এইচ সিরাজুল হক, মোঃ আতাউর রহমান, হাজী মো: গিয়াস উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, হাজী বিল্লাল হোসেন, মো: সিরাজুল ইসলাম, হাজী রফিকুল ইসলাম, মো: আবুল হোসেন, শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম ও আব্দুল হাকিম, এ্যাড. সোহেল, এ্যাড. খোরশেদ আলম প্রমূখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের সাথে যে প্রতারণা ও লুটপাট করেছে, তা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে করা সম্ভব নয়। তারা জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে জোরপূর্বক ক্ষমতায় থেকে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। তাদের এই লুটপাটের ফলে দেশ আজ অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
বিএনপি নেতারা সমাবেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দেশের জনগণ প্রস্তুত রয়েছেন। তাদের কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। বিএনপি দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে আবারও মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার দিল্লির রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানান। একই সাথে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকা নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের পেছনে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তাঁদেরও তদন্তের আওতায় আনার আহ্বান করেছেন তিনি।
ভারতীয় প্রভাবশালী সংবাদপত্র 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের উদাহরণ তুলে ধরে রাহুল গান্ধী বলেন, "গত তিন বছর ধরে আমি প্রমাণসহ 'ভোট চুরি' ও নির্বাচনী কারচুপির বিষয়টি তুলে ধরে আসছি। এখন তো খোদ নির্বাচন কমিশনেরই দুজন কমিশনার ভেতরের অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন।" তিনি আরও দাবি করেন, শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অনেক ছোট-বড় নেতাও জানেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক কংগ্রেস সভাপতি বলেন, "ভোটার তালিকার ওপর কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিশেষ করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।" দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিস্থিতিকে অভূতপূর্ব উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, "সিস্টেমে বড় ধরনের গলদ তৈরি হয়েছে এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপ চলছে।"
হরিয়ানা, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোর সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফলের উদাহরণ টেনে রাহুল বলেন, "এই রাজ্যগুলোতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী হাওয়া বা 'অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি' স্পষ্টভাবে বিদ্যমান ছিল। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের ফলাফলে সেই জনমতের প্রতিফলন ঘটেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও তার জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় নির্বাচনে হেরেছিলেন, সেখানে বর্তমানে শাসক দলের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি সম্পূর্ণ উধাও হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক নয়।"
তিনি জানান, দেশের সব বিরোধী দল একজোট হয়ে ভোট চুরির এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবে।
এদিকে, কংগ্রেসের পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টিও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করার পাশাপাশি কার নির্দেশে ভোটার তালিকায় এই ধরনের "অনিয়ম" ঘটানো হয়েছে, তার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বনেতারা নিউ ইয়র্কে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই সময় বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধ, সংঘাত এবং কূটনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, পাশাপাশি অতীতের স্মরণীয় ঘটনাগুলোর কথাও উঠে আসছে আলোচনা টেবিলে।
জাতিসংঘের ইতিহাসে কিছু স্মরণীয় ও আলোচিত মুহূর্ত নিচে উল্লেখ করা হলো—
ফিদেল কাস্ত্রোর সাড়ে ৪ ঘণ্টার ম্যারাথন ভাষণ (১৯৬০)
কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর দখলে রয়েছে জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ভাষণের রেকর্ড। ১৯৬০ সালে তিনি তাঁর প্রথম ভাষণে টানা ৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট বক্তব্য দেন। এই সময় তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন এবং কিউবান বিপ্লবের আদর্শ তুলে ধরেন। Politics
নিকিতা ক্রুশ্চেভের টেবিল চাপড়ানো (১৯৬০)
১৯৬০ সালের অধিবেশনে পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ নিজের টেবিলে সজোরে ঘুষি মারতে শুরু করেন। এই অধিবেশন ঘিরে তাঁর জুতা খুলে টেবিলে আঘাত করার ঐতিহাসিক কিংবদন্তি তৈরি হয়।
হুগো চ্যাভেজ ও ‘শয়তানের গন্ধ’ (২০০৬)
২০০৬ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চ্যাভেজ পডিয়ামে উঠে বুকে ক্রস আঁকেন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘গতকাল এখানে শয়তান এসেছিল। আজও এখানে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’
গাদ্দাফির সনদ ছিঁড়ে ফেলা (২০০৯)
লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ২০০৯ সালে ১৫ মিনিটের সময়সীমা ভেঙে টানা ১০০ মিনিট বক্তব্য দেন। তিনি নিরাপত্তা পরিষদকে ‘সন্ত্রাস পরিষদ’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে জাতিসংঘ সনদের একটি পাতা ছিঁড়ে কাঁধের ওপর দিয়ে ছুড়ে ফেলেন।
নেতানিয়াহুর কার্টুন বোমা (২০১২)
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু অধিবেশনে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অগ্রগতি বোঝাতে একটি বড় বোমার কার্টুন চিত্র প্রদর্শন করেন এবং সেখানে একটি লাল কালি দিয়ে সীমারেখা টানেন।
ট্রাম্পের ‘রকেট ম্যান’ মন্তব্য (২০১৭)
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক উত্তেজনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং দেশটির নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ বলে উপহাস করেন। Politics(Right)
গিলাদ এরদানের সনদ শ্রেড করা (২০২৪)
ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের একটি প্রস্তাবের প্রতিবাদে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান অধিবেশনের সামনেই একটি ছোট পেপার শ্রেডার মেশিন দিয়ে জাতিসংঘ সনদের প্রচ্ছদ পাতা কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলেন।
ট্রাম্পের ‘এস্কেলেটরগেট’
সম্প্রতি জাতিসংঘের মূল ভবনে প্রবেশের সময় এস্কেলেটর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হেঁটে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘নাশকতা’ বলে অভিযোগ করেন, তবে জাতিসংঘ জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা একজন ভিডিওগ্রাফার ভুলবশত এস্কেলেটরের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামে চাপ দেওয়ায় এটি বন্ধ হয়ে যায়।
এসব নাটকীয় ঘটনার পাশাপাশি দীর্ঘ ভাষণ এবং ক্লান্তিকর সূচির কারণে জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ব নেতাদের ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছে। ২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।
সূত্র: ওয়াননিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে (২০২৫-২০২৭) বাংলাদেশের ফাইনাল খেলার ব্যাপারে আশাবাদী দলের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ।
মিরপুরে তিনদিনের ক্যাম্প করছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মুশতাক আহমেদ, যেখানে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা ও উঠতি স্পিনারদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আজ অনুশীলন শেষে তিনি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
মুশতাক বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কেন নয়! আমরা এখন দারুণ অবস্থায় আছি। আমরা ভালো খেলা অব্যাহত রাখা এবং বিশ্বাস বজায় রাখতে পারলে ইনশাআল্লাহ, পুরো পথ অতিক্রম করার সঠিক সময় আমাদের কাছে আছে।’
বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ৬ ম্যাচ খেলে ৩টিতে জয়, ২টিতে হার ও ১টি ড্র করে ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। এই চক্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।
গত মাসে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে। ডারউইনে প্রথম টেস্টে ব্যাট-বল হাতে দাপট দেখিয়ে টাইগাররা ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অসিদের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে তারা সিরিজ সমতায় শেষ করে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে। ম্যাকাইতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছে উল্লেখ করে মুশতাক বলেন,‘অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডকে বা দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের মাটিতে হারানোর বিশ্বাস থাকলে, জয় অসম্ভব নয়। পাকিস্তানকে আমরা শেষ দুই ম্যাচেই হারিয়েছি। এখন বাংলাদেশ দল হারার ভয় পায় না।’
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে বাংলাদেশের জন্য আরও ছয়টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দু’টি করে টেস্ট খেলবে টাইগাররা।
মুশতাক বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ও হাই পারফরমেন্স প্রোগ্রামের আওতায় থাকা ২০ স্পিনারকে নিয়ে কাজ করছেন। তিনি অনুশীলনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে স্পিনারদের টেকনিক ও ভুলত্রুটি নিয়ে কাজ করছেন। তিনটি ক্যামেরার মাধ্যমে তিন দিক থেকে স্পিনারদের বোলিং অ্যাকশন রেকর্ড করা হচ্ছে।
স্পিনারদের নিয়ে অনুশীলনের বিষয়ে মুশতাক বলেন, ‘আমি মনে করি, বিসিবি ও হাই পারফরমেন্স ইউনিটের এটি একটি দারুণ উদ্যোগ। আমরা এখানে তিনটি ক্যামেরা দিয়ে সামনে-পেছন ও পাশ থেকে স্পিনারদের বোলিং অ্যাকশন রেকর্ড করছি। এতে স্পিনারদের অ্যাকশন নিয়ে ভালোভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়াও স্থানীয় কোচদের সঙ্গে নিয়েও আমরা কাজ করছি। যাতে তারা স্পিন বিভাগ ও পরিস্থিতি সামলানোর বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারে। আমরা এখানে মূলত মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি। সব স্পিনারের অ্যাকশন, টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল দিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ