ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ ২ চোরা কারবারি আটক


মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ ২ চোরা কারবারি আটক

মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দুই চোরা কারবারিকে আটক করেছে। আটককৃতদের কাছে পাওয়া গেছে ৩২টি স্বর্ণের বার, যার মোট মূল্য প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্তের নাগারবিল এলাকায় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এই অভিযান চালায়।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ১১০ থেকে প্রায় ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি বিশেষ টহল দল আগে থেকেই অবস্থান নেয়। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সন্দেহজনকভাবে একটি ব্যাগ হাতে সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় বিজিবি সদস্যরা দুই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা ব্যাগ ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের ধাওয়া করে আটক করে।

পরে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৩ কেজি ৯৪১ গ্রাম। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ কোটি ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা। আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর নতুনপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে মো. আসাদুল হক (৫০) এবং অপরজন হলেন একই গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. জুয়েল হোসেন (৩০)।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের নির্বাচন; সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন মোঃ মুশতাক আহমেদ

বিজিবি আরও জানায়, আটককৃত দুই ব্যক্তিকে মুজিবনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ মেহেরপুর ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালান, মাদক পাচারসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কলেজে ল্যাব সহকারী ও কর্মচারীসহ চারটি পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীসহ এলাকাবাসীরা।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কচাকাটা হাই স্কুল থেকে একটি মিছিল বের হয়ে কচাকাটা বাজার ঘুরে কলেজ গেটে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। এ সময় পুলিশি পাহারায় কলেজ গেট তালাবদ্ধ থাকলে বিক্ষোভকারীরা গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে গেটের সামনে কলেজ সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জুয়েলের ছবি ও কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কলেজের গেট খুলে দেওয়ার পর মাঠে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা অভিযোগ করেন, মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পরীক্ষার চারদিন পর ফল প্রকাশ করে মোটা পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে কলেজ কমিটির সভাপতি ডা. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কম মেধাবীদের নিয়োগ প্রদান করেছেন। তারা নিয়োগকে অবৈধ উল্লেখ করে নতুন করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগের দাবি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় কচাকাটা কলেজের কম্পিউটার কাম অফিস সহকারী, ল্যাব সহকারী, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এসব পদে ৪৫ চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেন। ওইদিন যথাসময়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে সবাই উপস্থিত থাকলেও পরীক্ষা নেওয়া হয় দুপুরের পর। এছাড়া লিখিত পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশ না করে সবার ভাইভা নেওয়া হয়। ভাইভা শেষে পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করে চারদিন পর ফল প্রকাশ করার কথা বললে নিয়োগ সংশ্লিষ্টরা তোপের মুখে পড়েন। পরে কচাকাটা থানা পুলিশের সহায়তায় অধ্যক্ষসহ অন্যরা কলেজ ত্যাগ করেন।

প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, মেধাক্রম অনুসরণ করে ফল ঘোষণা করে ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফল ঘোষণা না করে রাত আটটার দিকে কলেজ ছাড়েন পরীক্ষক ও কলেজ সংশ্লিষ্টরা। পরে ২৭ তারিখ সকালে পরীক্ষার ফলাফল কলেজের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেন অধ্যক্ষ। তবে ফলাফল পত্রে ২৪ অক্টোবর তারিখে স্বাক্ষর দেখা যায়। লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রমে উপরে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে কর্মসূচি নেন বঞ্চিত নিয়োগ প্রার্থী ও স্থানীয়রা।

এ সময় বক্তব্যে অনিছূর রহমান তোলা ব্যাপারী বলেন, "নিয়োগ বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ডা. ইউনুস ফ্যাসিবাদী কায়দায় উড়ে এসে সভাপতি হয়েছেন। মাত্র ১০ মাসের মাথায় অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। কলেজটিকে মেধাশূন্য করার পাঁয়তারা করতেন। অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ লুট করছে, আমরা হাল ছাড়ব না: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ লুট করছে, আমরা হাল ছাড়ব না: মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা ব্যানার্জী। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপি বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) লুট করছে এবং তিনি হাল ছাড়বেন না।

এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন মমতা।

তিনি আত্মসমর্পণ না করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করে বলেন, "আমরা গণতন্ত্র রক্ষা করব এবং তা ফিরিয়ে আনব। রাজনীতির মাধ্যমে জবাব দেব, গণতন্ত্রের মাধ্যমে জবাব দেব। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।"

এদিকে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে লক্ষ্য করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট চুরির মাধ্যমে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং দাবি করেন, "জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।"

সমাবেশে রাহুল আরও বলেন, "এটি সাধারণ কোনো চুরি নয়। দোকান থেকে কেউ কিছু চুরি করলে তাকে চুরি বলা হয়। কিন্তু এখানে প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি করা হচ্ছে। আইনের ভাষায় একে বিরলতম অপরাধ বলা হয়। এটি রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে কৃষক লীগ নেত্রী পুতুল রাণী গ্রেপ্তার, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


জামালপুরে কৃষক লীগ নেত্রী পুতুল রাণী গ্রেপ্তার, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা কৃষক লীগ নেত্রী পুতুল রাণীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায়। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে ইসলামপুর পৌরসভার কিংজেল্লা এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলা কৃষক লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামপুর উপজেলা যুবদলকর্মী ফজলুল হক বাদী হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামি হিসেবে পুতুল রাণীকে চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পুতুল রাণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতে পাঠানোর পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, বললেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, বললেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সরকার ভুল বুঝে উগ্রবাদী ও চরমপন্থী সংগঠনে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ প্রদান করছে। তবে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল সতর্ক করে বলেছেন, "অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।"

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১২) প্রধান কার্যালয়ে ৬৫ জন চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যারা ভুল বুঝে উগ্রবাদী ও চরমপন্থী সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আত্মসমর্পণ করছেন। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ। তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।"

আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, তারা যেন নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের আর্থিক অনুদান দিয়েছেন। সরকার আইনি সহায়তার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর ব্যবস্থা করবে।

অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাদের মধ্যে কেউ নিষিদ্ধঘোষিত পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি, কেউ পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি, আবার কেউ নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এসআরবি-১২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এসআরবি ফোর্সেসের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবিব পলাশ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ এবং রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) শাহানা আখতার জাহান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো পর্যালোচনা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, সেগুলোর বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে আত্মসমর্পণ করলেও হত্যা, ডাকাতি, বিস্ফোরক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে থাকা নিয়মিত মামলা চলবে।

আত্মসমর্পণকারী পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ও রাজবাড়ীর বাসিন্দা সালমান বলেন, "সরকার তাদের ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। তাই অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরছেন তারা।" এমন সুযোগ পেয়ে তিনি খুশি।

আরেক আত্মসমর্পণকারী আইনুল হোসেন জানান, ভুল পথে চলতে গিয়ে তিনি অনেক কিছু হারিয়েছেন। এভাবে তার জীবনের ১৫ বছর কেটে গেছে। এখন তিনি পরিবার নিয়ে সমাজে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করে বাকি জীবন কাটাতে চান।

এর আগে, চরমপন্থী তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে শতাধিক চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। পরে ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পাবনায় পুলিশের কাছে ৫৯৬ জন এবং ২০২৩ সালের ২১ মে সিরাজগঞ্জে তৎকালীন র‌্যাব-১২ কার্যালয়ে সাত জেলার আরো ৩২৩ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এর ধারাবাহিকতায় এবার সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীর ৬৫ জন আত্মসমর্পণ করলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%