বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২১ পি.এম
মানিকগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন করা হয়েছে, যেখানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘দৃষ্টি যেখানে সীমিত, সম্ভাবনা সেখানে সীমাহীন’ এই প্রতিপাদ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং মানিকগঞ্জ প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আলী, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মিনার উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুশিয়া আক্তার, সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রমের রিসোর্স শিক্ষক নিয়াজ মোর্শেদ, প্রতিবন্ধীবিষয়ক কর্মকর্তা জোবায়দা গুলশান আরা, মানিকগঞ্জ সিআরপির অধ্যক্ষ মাহবুবুল ইসলাম, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান এবং প্রতিবন্ধী সংগঠন এমডিপিওডির পরিচালক এন্তাজ আলীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, সাদাছড়ি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাধীন ও নিরাপদে চলাচলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক উপকরণ। তাঁদের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে সাদাছড়ির ব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
তারা আরও বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সড়ক পারাপারে তাঁদের সহযোগিতা করা, সাদাছড়ি ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ দেওয়া এবং ফুটপাত ও গণপরিবহনে প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
বক্তারা ফুটপাত ও প্রয়োজনীয় স্থানে ট্যাকটাইল টাইলস স্থাপনের পাশাপাশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচল উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিনামূল্যে থেরাপি, কাউন্সেলিং এবং চলাচলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার শেষে নিবন্ধিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিনামূল্যে সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের নাগরিকত্ব বাতিল করার উদ্দেশ্যে তাকে দেশ থেকে বহিষ্কারের পথ অনুসন্ধান করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর তিনি নাগরিকত্ব কীভাবে অর্জন করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তকারীরা কাজ করছেন।
বুধবার, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, এই তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলহান ওমরের পরিবারের অভিবাসন সংক্রান্ত নথিপত্রের পরীক্ষা চলছে। এছাড়া, মিনেসোটায় একটি গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তার কয়েকজন আত্মীয়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এক ডজনের বেশি সমন পাঠানো হয়েছে। তবে ইলহানের কার্যালয় এই তদন্তকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা ইলহান ওমরের বাড়িতে তল্লাশি চালান। তার কার্যালয় এই অভিযানকে ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ‘নজিরবিহীন উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এ তল্লাশি পরিচালিত হয়। রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এই নির্বাচনে লড়াই করছে। ইলহান মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, চলমান একটি কেন্দ্রীয় তদন্তের অংশ হিসেবে তল্লাশি পরিচালিত হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় কর্মকর্তারা ইলহানের পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন, ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও নোটবুক জব্দ করেন।
ইলহান ওমর ১৯৯৫ সালে কেনিয়ার একটি শরণার্থীশিবিরে থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং ২০০০ সালে তিনি নাগরিকত্ব অর্জন করেন। এর আগে তিনি অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নাগরিকত্ব নিয়ে তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে ইলহান ও তার প্রয়াত বাবার বিরুদ্ধে বয়স সংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তনের অভিযোগ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলহানের বাবা নাগরিকত্বের আবেদন করার সময় অভিবাসন নথিতে তার বয়স ১৮ বছরের পরিবর্তে ১৭ বছর দেখানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারীদের সন্দেহ, বয়স কম দেখানোর কারণে ইলহান তার বাবার মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন কি না। যদি এমনটি হয়ে থাকে, তবে তাকে আলাদাভাবে নাগরিকত্বের আবেদন করতে হতো না।
ইলহানের বাবা ২০২০ সালে মারা যান। ফলে বয়স নিয়ে ইলহান নিজে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন, নাকি তার বাবা তার হয়ে তা করেছিলেন, সে বিষয়ে প্রমাণ সংগ্রহ জটিল হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অভিবাসন বিষয়ক এক সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য মামলার ভিত্তি নির্ভর করতে পারে ইলহান নিজের বয়স সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলেন কি না, তার ওপর।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময়ও স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের তদন্তকারীরা একই ধরনের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছিলেন। তবে জালিয়াতির প্রমাণ না থাকায় তখন তারা আর এগোননি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইলহানের নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে কেউ মামলা করেছেন—এমন তথ্য তারা পায়নি। নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া চালাতে হবে। শুধু তদন্তের কারণে তার নাগরিকত্ব বাতিল হয় না বা তাকে বহিষ্কারের অনুমতিও তৈরি হয় না।
এ ছাড়া, সম্পদ সংক্রান্ত ঘোষণায় নিজের সম্পদের পরিমাণ বেশি দেখানোর অভিযোগে আগে একটি নির্দলীয় কংগ্রেসনাল নজরদারি সংস্থা ইলহানকে দায়মুক্তি দিয়েছিল বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার অধীন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা আদালতের অনুমোদিত পরোয়ানা নিয়ে ইলহানের বাড়িতে তল্লাশি চালান। সোমবার সকালে তার বাড়ির আশপাশের সড়ক বন্ধ করে দেন কর্মকর্তারা। পরে ‘জব্দ করা সম্পত্তির প্রমাণ’ লেখা বাক্স সরিয়ে নিতে দেখা যায় তাদের।
প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট হিসেবে পরিচিত ইলহান ওমরকে তার সোমালি পরিচয় ও অভিবাসনের ইতিহাস নিয়ে বহু বছর ধরে ট্রাম্প ও তার মিত্রদের সমালোচনা ও আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে।
সোমবারের অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পর সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তল্লাশির সঙ্গে তার ‘কোনো সম্পর্ক নেই’।
তার ভাষায়, বিষয়টি ‘মূলত বিচার বিভাগের’ এখতিয়ার।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্ছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গণেশ। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তাঁদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের অবদানকে সম্মান জানানো এবং উৎসবের আনন্দে তাঁদের সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়ে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব সাম্য, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার বার্তা বহন করে। ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং ভালোবাসার বন্ধন সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়েই উৎসবের প্রকৃত আনন্দ ও তাৎপর্য ফুটে ওঠে।
গণেশ বলেন"আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সবার জীবনে শারদীয় দুর্গোৎসব বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেশোয়ারের দির কলোনিতে একটি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ধসে অন্তত ১৬ শিশুর মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া শিশু ও স্কুলকর্মীদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চালাচ্ছেন।
লেডি রিডিং হাসপাতাল (এলআরএইচ) কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারা জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ২০ শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, স্কুলের ছাদ ধসে পড়ার ফলে বেশ কয়েকজন শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে যায়।
উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া শিশু ও স্কুলকর্মীদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে এবং নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
আজ বরগুনা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এলপিজি সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ক একটি আলোচনা সভায় তিনি অংশগ্রহণ করেন।
সভায় এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, বাজারে নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করা এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগ যাচাই করার পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সম্প্রতি দেশে বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সরবরাহে বিঘ্ন এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠায় সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা এবং বাজারে পণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, এলপিজি সংকট মোকাবিলায় সরকার জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে সরবরাহ পরিস্থিতি তদন্ত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগ যাচাই এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এলপিজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় এলপিজির মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, ভোক্তাদের অতিরিক্ত দামের চাপ থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং বাজারে নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় সংকট মোকাবিলা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ