শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদি শক্তি যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পালিয়ে যায়, তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, "কোন প্রতিশোধ নয়, কোন প্রতিহিংসা নয়, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও- সব মানুষ এক, তোমরা সবার পাশে থাকো"। এই মন্তব্য করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী আরও জানান, সে সময় সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মাবলম্বী, খৃষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা চিন্তিত ছিলেন, "আমাদের কী আবার লুটপাটের শিকার হতে হবে? আমরা কী দেশে থাকতে পারবো? উৎসব পালন করতে পারবো?" এসব প্রশ্ন নিয়ে আতঙ্ক ছিল। এ পরিস্থিতিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আহ্বান জানিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
মাগুরার সাহদোহায় শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "গত নির্বাচনে শত ভাগ হিন্দু সম্প্রদায় ভোট দিয়েছে বিএনপি’র প্রার্থীদের, এটা আমরা কেউ অস্বীকার করি না।" তিনি বলেন, এর ফলে আমাদের দায়বদ্ধতা অসীম। তিনি আরও বলেন, "আমরা দুইটা মসজিদ করলে একটা মন্দির করি। একটা গোরস্থান করলে একটা শ্মশান করি।" তিনি জানান, "আমরা নিয়মিত বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কাছে হিন্দু মুসলমান কোন ভেদাভেদ নেই।"
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ।
আলোচনা সভায় বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, মানবতা, শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবার সদস্যদের গ্রিন কার্ড স্পনসর করার প্রক্রিয়ায় ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস বা ইউএসসিআইএস একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রিন কার্ড স্পনসরদের ক্রেডিট-সংক্রান্ত তথ্য ভোক্তা রিপোর্টিং এজেন্সির কাছ থেকে সংগ্রহের সুযোগ পেয়েছে সংস্থাটি।
এই পরিবর্তনটি মূলত ফর্ম আই-৮৬৪, যা অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট হিসেবে পরিচিত, এর সাথে সম্পর্কিত। যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সদস্যকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্পনসর করার ক্ষেত্রে এই ফর্মে স্বাক্ষর করে স্পনসরকে অভিবাসীর আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণের অঙ্গীকার করতে হয়।
নতুন ফর্মে একটি প্রাইভেসি রিলিজ বা তথ্য সংগ্রহের অনুমতির ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইউএসসিআইএস এক বা একাধিক কনজিউমার রিপোর্টিং এজেন্সির কাছ থেকে স্পনসরের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব তথ্য ব্যবহার করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
নতুন নিয়মটি ৩১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে যারা বর্তমানে পরিবারের সদস্যের গ্রিন কার্ডের জন্য অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট জমা দিচ্ছেন, তাদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট কেবল একটি সাধারণ ফর্ম নয়। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, এটি স্পনসর ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে একটি আইনগতভাবে কার্যকর চুক্তি। স্পনসরকে নির্দিষ্ট শর্তে অভিবাসীর আর্থিক সহায়তার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়।
স্পনসরকে সাধারণত নির্দিষ্ট আয়ের যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। যদি কেউ সেই আয়সীমা পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তবে যোগ্য জয়েন্ট স্পনসর ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, জয়েন্ট স্পনসরকে তার নিজস্ব আয়ের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আর্থিক যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।
স্পনসরশিপের দায়িত্ব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। সাধারণভাবে স্পনসর করা ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া, ৪০টি কোয়ালিফাইং কোয়ার্টারের কাজের ক্রেডিট অর্জন করা, স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতি না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব বহাল থাকে। বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে স্পনসরশিপের দায়িত্ব শেষ হয় না।
নতুন ক্রেডিট-তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ ভবিষ্যতে গ্রিন কার্ড স্পনসরদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য আরও তথ্য ব্যবহারের পথ তৈরি করতে পারে। তবে বর্তমানে ইউএসসিআইএস প্রতিটি স্পনসরের ক্রেডিট রিপোর্ট কীভাবে বা কোন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেনি।
অতএব, গ্রিন কার্ডের জন্য পরিবারের সদস্যকে স্পনসর করতে যাওয়া ব্যক্তিদের নতুন ফর্মের সর্বশেষ সংস্করণ এবং ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বাংলাদেশ সম্পর্কে চিন্তা না করে নিজের দেশের পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সরোয়ার আলমগীর।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শুভেন্দু অধিকারী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছেন। তবে বাংলাদেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।
শুক্রবার ফটিকছড়ি উপজেলার বিবিরহাটে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালির আগে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে সরোয়ার আলমগীর বলেন, “আপনি আপনার দেশ নিয়ে মাথা ঘামান। আপনার দেশে গত এক মাসে মুসলিম পাড়ায় পানি পাওয়া যায়নি, অথচ এ দেশে হিন্দু এলাকায় এক সেকেন্ডের জন্যও পানির অভাব হয়নি। শুভেন্দু চাচ্ছেন এ দেশে উস্কানি দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্তব্য করে যাচ্ছেন। আমরা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান যারা এ দেশে বাস করি, সবাই ঐক্যবদ্ধ আছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এ দেশে সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই। আমরা সবাই বাংলাদেশি।’”
অসাম্প্রদায়িক চেতনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান, মিহির চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার মহাজন, অ্যাডভোকেট তরুণ কিশোর দেব, অধ্যাপক দয়াল, অ্যাডভোকেট মিহির, জুয়েল চক্রবর্তী, সুজিত চক্রবর্তী, রোপন ভোমিক, মিন্টু নাথ, সাগর দে-সহ সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঐতিহাসিক ম্যাচ খেলবে ভারত-জাপান
ভারত ও জাপান একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে। এই প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হবে উভয় দল।
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মাধ্যমে উদ্যাপন করা হবে।
আজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) একটি বিবৃতির মাধ্যমে ম্যাচের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে জাপানের তোচিগি প্রিফেকচারের সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর।
‘স্পোর্ট ৭৫’ নামের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত ও জাপানের মধ্যে খেলাধুলার মাধ্যমে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ বৈঠকে হওয়া একটি সমঝোতার ভিত্তিতে।
বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া মন্তব্য করেছেন, ‘জাপানে ভারতীয় দলের এই ম্যাচটি ক্রিকেটের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এর মাধ্যমে জাপান এবং পূর্ব এশিয়ার আরও বড় দর্শকের কাছে ক্রিকেটকে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ক্রিকেটকে প্রচলিত অঞ্চলগুলোর বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিসিসিআই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (জেসিএ) প্রধান নির্বাহী নাওকি মিয়াজি এই ম্যাচকে একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে জাপানের ক্রিকেটের ঘরে আমন্ত্রণ জানাতে পারা আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের জন্য একটি মাইলফলক। এই লক্ষ্য পূরণে আমাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য বিসিসিআইকে ধন্যবাদ। ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে স্বাগত জানাতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ভারতের বিপক্ষে খেলা জাপান হবে ২০তম দল। বর্তমানে তাদের অবস্থান ৪১তম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার এখনও শেষ হয়নি। ৪১ বছর বয়সেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সক্রিয় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন পেসার পিটার সিডল। তবে এবার মাঠে বল হাতে লড়াইয়ের পাশাপাশি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। আগামী মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলসের বোলিং কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন তিনি।
নিউ সাউথ ওয়েলস আগামী মৌসুমের জন্য সিডলের সঙ্গে চুক্তি করেছে। একইসঙ্গে দলের স্পিন পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার ইয়োহান বোথা।
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটকিপার-ব্যাটার ব্র্যাড হ্যাডিন। তার কোচিং স্টাফে সিডল এবং বোথার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন পিটার ফরেস্ট ও ড্যানিয়েল স্মিথ।
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান সিডল। তিনি দেশের হয়ে ৬৭টি টেস্ট, ২০টি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও তার খেলোয়াড়ি জীবন থেমে যায়নি। বিগ ব্যাশ, পাকিস্তান সুপার লিগ, মেজর লিগ ক্রিকেট ও গ্লোবাল সুপার লিগের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।
আসন্ন বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে মাঠে নামবেন সিডল। তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে গত বছর তিনি অবসর নেন। ২৩১ ম্যাচের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার উইকেটসংখ্যা ৭৯২।
সিডলের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বড় সময় কাটিয়েছে ভিক্টোরিয়ায়। ভিক্টোরিয়ার হয়ে দীর্ঘদিন খেলার পাশাপাশি তিন মৌসুম তাসমানিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। এবার ভিক্টোরিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন এই পেসার।
শেফিল্ড শিল্ডের অন্যতম সফল দল নিউ সাউথ ওয়েলসের সঙ্গে নতুন ভূমিকায় যুক্ত হতে পেরে উচ্ছ্বসিত সিডল।
তিনি বলেন, “এই মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজ দলে যোগ দিতে পারাটা দারুণ ও রোমাঞ্চকর। গুরুত্বপূর্ণ এই গ্রীষ্মের আগে প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দলটিকে পরামর্শ দেওয়ার সুযোগের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তর সইছে না।”
নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেট কাঠামোর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান পেস আক্রমণের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও প্যাট কামিন্স—তিনজনই এই রাজ্যের ক্রিকেটার। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে শেফিল্ড শিল্ডে তাদের নিয়মিত পাওয়া যায় না।
খেলোয়াড় হিসেবে এখনও মাঠে থাকলেও সিডল ইতিমধ্যে তার ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবার তরুণ পেসারদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পালা তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ