প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার এখনও শেষ হয়নি। ৪১ বছর বয়সেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সক্রিয় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন পেসার পিটার সিডল। তবে এবার মাঠে বল হাতে লড়াইয়ের পাশাপাশি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। আগামী মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলসের বোলিং কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন তিনি।
নিউ সাউথ ওয়েলস আগামী মৌসুমের জন্য সিডলের সঙ্গে চুক্তি করেছে। একইসঙ্গে দলের স্পিন পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার ইয়োহান বোথা।
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটকিপার-ব্যাটার ব্র্যাড হ্যাডিন। তার কোচিং স্টাফে সিডল এবং বোথার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন পিটার ফরেস্ট ও ড্যানিয়েল স্মিথ।
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান সিডল। তিনি দেশের হয়ে ৬৭টি টেস্ট, ২০টি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও তার খেলোয়াড়ি জীবন থেমে যায়নি। বিগ ব্যাশ, পাকিস্তান সুপার লিগ, মেজর লিগ ক্রিকেট ও গ্লোবাল সুপার লিগের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।
আসন্ন বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে মাঠে নামবেন সিডল। তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে গত বছর তিনি অবসর নেন। ২৩১ ম্যাচের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার উইকেটসংখ্যা ৭৯২।
সিডলের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বড় সময় কাটিয়েছে ভিক্টোরিয়ায়। ভিক্টোরিয়ার হয়ে দীর্ঘদিন খেলার পাশাপাশি তিন মৌসুম তাসমানিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। এবার ভিক্টোরিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন এই পেসার।
শেফিল্ড শিল্ডের অন্যতম সফল দল নিউ সাউথ ওয়েলসের সঙ্গে নতুন ভূমিকায় যুক্ত হতে পেরে উচ্ছ্বসিত সিডল।
তিনি বলেন, “এই মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজ দলে যোগ দিতে পারাটা দারুণ ও রোমাঞ্চকর। গুরুত্বপূর্ণ এই গ্রীষ্মের আগে প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দলটিকে পরামর্শ দেওয়ার সুযোগের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তর সইছে না।”
নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেট কাঠামোর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান পেস আক্রমণের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও প্যাট কামিন্স—তিনজনই এই রাজ্যের ক্রিকেটার। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে শেফিল্ড শিল্ডে তাদের নিয়মিত পাওয়া যায় না।
খেলোয়াড় হিসেবে এখনও মাঠে থাকলেও সিডল ইতিমধ্যে তার ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবার তরুণ পেসারদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পালা তার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন